| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের এক ধরনের…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

বাংলাদেশের এক ধরনের উদ্ভিদ, যার কোরালয়েড মূল আছে এবং পাযফার্ন নামে পরিচিত। অন্য আরেকটি উদ্ভিদ যার পরাগধানী এক প্রোকোষ্ঠী ও বৃক্কাকার ।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৭
পোয়াসি () গোত্রের উদ্ভিদের পুষ্পে পুষ্পপুটের () প্রতিটি ক্ষুদ্র, বর্ণহীন, স্ফীত ও শল্কাকার অংশকে লডিকিউল বা বলে।
যে প্রতীকের সাহায্যে একটি পুষ্পের মাতৃঅক্ষের () তুলনায় এর বিভিন্ন স্তবকের পুষ্পপত্রগুলোর অবস্থান, সংখ্যা, সমসংযোগ, অসমসংযোগ, পুষ্পপত্রবিন্যাস (), অমরাবিন্যাস () প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য দেখানো হয়, তাকে পুষ্পপ্রতীক বা বলে। এটি সাধারণত বৃত্তাকার দেখানো হয়, যার উপরে মাতৃঅক্ষ একটি বিন্দুর আকারে থাকে এবং বাইরের স্তবক থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে ভেতরের স্তবকগুলো অঙ্কন করা হয়।
উদ্দীপকের প্রথম উদ্ভিদটি, যার কোরালয়েড মূল () আছে এবং পামফার্ন () নামে পরিচিত, সেটি হলো নগ্নবীজী উদ্ভিদ সাইকাস ()। নিচে এর পুংজননাঙ্গের গঠন বর্ণনা করা হলো:
-
-এর পুংজননাঙ্গ হলো পুংরেণুপত্র বা মাইক্রোস্পোরোফিল ()।
-
পুং উদ্ভিদের শীর্ষে অসংখ্য পুংরেণুপত্র সৃষ্টি হয়। এগুলো একত্রে ঘন সন্নিবিষ্ট হয়ে একটি মোচাকৃতির পুংস্ট্রোবিলাস () বা পুংকোন () তৈরি করে।
-
প্রতিটি পুংরেণুপত্র দেখতে অনেকটা ফণাতোলা সাপের মতো। এর সরু ও বর্ধিত মাথাকে অ্যাপোফাইসিস () বলে।
-
পুংরেণুপত্রের পৃষ্ঠদেশে বা নিচের দিকে বহু স্পোরাঞ্জিয়া () তৈরি হয়।
-
২-৫টি স্পোরাঞ্জিয়া একত্রে গুচ্ছাকারে অবস্থান করে, যাকে সোরাস (, বহুবচনে সোরাই বা ) বলে।
-
স্পোরাঞ্জিয়ামের ভেতরে স্পোর মাতৃকোষ থাকে, যা মায়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড () পুংরেণু বা মাইক্রোস্পোর () তৈরি করে।
উদ্দীপকের প্রথম উদ্ভিদটি হলো , যা নগ্নবীজী () উদ্ভিদগোষ্ঠীর অন্তর্গত। দ্বিতীয় উদ্ভিদটির পরাগধানী এক প্রকোষ্ঠী ও বৃক্কাকার, যা মালভেসি () গোত্রের বৈশিষ্ট্য। সুতরাং, দ্বিতীয় উদ্ভিদটি আবৃতবীজী বা অ্যাঞ্জিওস্পার্ম () উদ্ভিদগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
নিচে এই দুটি উদ্ভিদগোষ্ঠীর (নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী) মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ বা পার্থক্য ছক আকারে দেওয়া হলো:
| বৈশিষ্ট্য | নগ্নবীজী উদ্ভিদ () | আবৃতবীজী উদ্ভিদ () |
| ১. গর্ভাশয় | এদের ফুলে গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড থাকে না। | এদের ফুলে গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড থাকে। |
| ২. ফল ও বীজ | গর্ভাশয় না থাকায় ফল সৃষ্টি হয় না, ফলে বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। | গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়, তাই বীজ ফলের ভেতরে আবৃত থাকে। |
| ৩. পরাগায়ন | পরাগায়নকালে পরাগরেণু সরাসরি ডিম্বকরন্ধ্রে পতিত হয়। | পরাগায়নকালে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পতিত হয়। |
| ৪. দ্বি-নিষেক | এদের দ্বি-নিষেক বা ঘটে না (ব্যতিক্রম: )। | এদের দ্বি-নিষেক ঘটে। |
| ৫. শাঁস | শাঁস বা এন্ডোস্পার্ম হ্যাপ্লয়েড () এবং নিষেকের পূর্বে সৃষ্টি হয়। | শাঁস ট্রিপ্লয়েড () এবং নিষেকের পরে সৃষ্টি হয়। |
| ৬. ভাস্কুলার টিস্যু | জাইলেমে সত্যিকারের ভেসেল () এবং ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ থাকে না। | জাইলেমে সত্যিকারের ভেসেল এবং ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ থাকে। |
| ৭. আর্কিগোনিয়াম | স্ত্রী জননাঙ্গ হিসেবে আর্কিগোনিয়াম () সৃষ্টি হয়। | আর্কিগোনিয়াম সৃষ্টি হয় না। |