A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের সেলিম…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৮ – পৃথিবীর গঠন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — পৃথিবীর গঠন🔢 সৃজনশীল নং ৪🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৮⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের সেলিম এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এমিল চাকমা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল বিভাগে পড়াশুনা করে। দু’জনের আলাপচারিতা থেকে তাদের বসবাসকারী এলাকার ভূপ্রকৃতির ভিন্নতা সম্পর্কে জানা যায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

গুরুমণ্ডলের নিম্নভাগ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত যে বিস্তৃত স্তর রয়েছে তাকে কেন্দ্রমণ্ডল বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বরেন্দ্রভূমির মৃত্তিকায় লোহার উপাদান বেশি থাকায় এ অঞ্চলে মাটির রং লালচে হয়। সাধারণত যে অঞ্চলের মাটির মধ্যে লোহার পরিমাণ বেশি থাকে সে অঞ্চলের মাটির রং লাল হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে এমিল চাকমার নিজ অঞ্চল বাংলাদেশের দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল। এ অঞ্চল মূলত টারশিয়ারি যুগে গঠিত হয়েছে।
প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে উত্থিত হওয়া টারশিয়ারি যুগের হিমালয় পর্বত গঠিত হয়েছে বলে একে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলে। এ 'পাহাড়সমূহ বেলে, স্লেট জাতীয় পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলা ও চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এ পাহাড়সমূহ বিশাল পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। এ জাতীয় পাহাড়ের গড় উচ্চতা ৬০০ মিটার। পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে পাহাড়সমূহের উচ্চতা ক্রমশ বেড়েছে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত তাজিনডং এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত যা বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এ অঞ্চলের পাহাড়ের মধ্যে বহু সংকীর্ণ উপত্যকা রয়েছে। এ উপত্যকা দিয়ে কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা, কাসালং, নাফ প্রভৃতি নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশে গেছে। নদীগুলো খুবই খরস্রোতা। এমিলি চাকমার এলাকার ভূমির গঠন প্রকৃতির বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রচুর পরিমাণে বাঁশ ও বৃক্ষ জন্মে এবং প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা খনিজ রয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, ভূমিরূপ বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় দেখা যায় টারশিয়ারি যুগের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চলের যে ভূমিরূপ বৈচিত্র্য ফুটে উঠে তা অন্য কোনো অঞ্চলে পরিলক্ষিত হয় না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে সেলিমের নিজ অঞ্চল হলো মধ্যাঞ্চল যা ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি এবং এমিল চাকমার নিজ অঞ্চল হলো দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল যা ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। নিচে এ দুই অঞ্চলের বনভূমির তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-

সেলিমের অঞ্চলটি বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমির অন্তর্গত। বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এই বনভূমি রয়েছে। ক্রান্তীয় অঞ্চলে যেসব গাছের পাতা বছরে একবার সম্পূর্ণ ঝরে যায় সেগুলোকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছ বলা হয়। এই বনভূমি অঞ্চলে শাল, কড়ই, হিজল, বহেরা, হরিতকি, কাঁঠাল, নিম প্রভৃতি বনজ সম্পদ দেখা যায়।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকের পাহাড়ি এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলব্যাপী ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি অবস্থিত। এ বনভূমির আয়তন প্রায় ১৫,৩২৬ বর্গকিলোমিটার। বেলে পাথর ও কর্দম শিলা হতে গঠিত বাংলাদেশের পাহাড়ি মৃত্তিকায় পরিমিত উত্তাপ (৩৪° সে.), অত্যধিক বৃষ্টিপাত (৩০০ সেন্টিমিটারের বেশি), স্বল্প জনবসতি, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি বিদ্যমান থাকায় এ বনভূমি গড়ে উঠেছে। পাহাড়ি বনভূমিতে বহু মূল্যবান বৃক্ষ জন্মে থাকে। চিরহরিৎ বৃক্ষের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর, ময়না প্রভৃতি প্রধান। বন্য পশুর মধ্যে হাতি, হরিণ, চিতাবাঘ, বাইসন, বন্য কুকুর প্রভৃতি প্রধান। এসব জন্তুর চামড়া, শিং, দাঁত খুবই মূল্যবান। অন্যান্য, বনজ সম্পদের মধ্যে বাঁশ, বেত, ঔষধি গাছ, মোম, মধু ইত্যাদিও বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচিত দুটি অঞ্চলের বনভূমির মধ্যে গঠনগত পার্থক্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের সেলিম…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৮ – পৃথিবীর গঠন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”