| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের পশু সম্পদের…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)

বাংলাদেশের পশু সম্পদের উপর ভিত্তি করে একটি শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। অপরদিকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুততর হওয়ায় সিমেন্ট শিল্পেরও প্রসার ঘটেছে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৫
1-100 nm আকার বিশিষ্ট ত্রিমাত্রিক ক্ষুদ্র কণাকে ন্যানো পার্টিক্যাল বলে।
পুরাতন বা বর্জ্য কাগজকে নতুন কাগজের পাল্পের সঙ্গে মিশিয়ে কাগজ উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে কাগজ রিসাইক্লিং বলে।
কাগজ রিসাইক্লিং এর প্রয়োজনীয়তা:
i. প্রথমত কাগজ তৈরি করতে হয় কাঠ হতে। এক টন খবরের কাগজ রিসাইক্লিং করলে প্রায় ১ টন কাঠ বেঁচে যায়, প্রিন্টেড কাগজ রিসাইক্লিং করলে দুই টন কাঠ সাশ্রয় হয়।
ii. কাঠ হতে কাগজ তৈরি করতে যে শক্তি/জ্বালানি খরচ হয় তার প্রায় ৪০-৬০% কম লাগে রিসাইক্লিং-এ।
iii. নতুন কাগজ উৎপাদনের তুলনায় কাগজ রিসাইক্লিং এ পানি দূষণ ৩৫% কম এবং বায়ু দূষণ ৭৪% কম ঘটে।
সুতরাং উপরোক্ত কারণেই বলা যায়, কাগজ রিসাইক্লিং এর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য এবং এটি পরিবেশ বান্ধব ও অর্থ সাশ্রয়ী।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ২য় শিল্পটি হচ্ছে সিমেন্ট।
সিমেন্ট উৎপাদনের মূলনীতি: সূক্ষ্মভাবে চূর্ণকৃত চুনাপাথর , ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট এবং (বালি) সমৃদ্ধ কাদামাটি এর মিশ্রণ) এর মিশ্রণকে বিশেষ ধরনের ঘূর্ণায়মান চুল্লীতে উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে এক ধরনের চূর্ণাকার মিশ্রণ পাওয়া যায়, যাকে ক্লিংকার বলে।
ক্লিংকারকে পেষণ যন্ত্রে অতি সূক্ষ্মভাবে চূর্ণ করলে এক ধরনের ধূসর বর্ণের পাউডার পাওয়া যায়, যাকে সিমেন্ট বলে। কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন অক্সাইড (প্রধানত ) চুল্লীর অভ্যন্তরে ভস্মীকরণ (Calcining) তাপমাত্রায় দ্বিবিযোজন বিক্রিয়া দ্বারা ডাইক্যালসিয়াম সিলিকেট ( ); ট্রাইক্যালসিয়াম সিলিকেট ; ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট গঠিত হয়, এগুলোই সিমেন্টের প্রধান উপাদান। MgO মুক্ত অবস্থায় থাকে। এবং এগুলো ইত্যাদির সঙ্গে বিক্রিয়া করে। এছাড়া সিমেন্ট যাতে ধীরে ধীরে জমাট বাঁধে সে উদ্দেশ্যে সিমেন্টে জিপসাম ব্যবহার করা হয়। কারণ সিমেন্ট দ্রুত জমাট বাঁধলে সিমেন্টের ভিতরে ফাঁকা স্থান তৈরি হয়। ফলে সিমেন্টের সেটিং দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়। অতএব সিমেন্টে জিপসাম ব্যবহৃত হলে, সিমেন্টের সেটিং মজবুত, শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
বিক্রিয়া:
(ডাইক্যালসিয়াম সিলিকেট)
(ট্রাইক্যালসিয়াম সিলিকেট)
(ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট)
এসব বিক্রিয়ার সঙ্গে কাদামাটির নির্জলীকরণ এবং চুনাপাথরের ভস্মীকরণও ঘটে।
উদ্দীপকের উল্লিখিত শিল্পের দূষক অর্থাৎ চামড়া শিল্পের দূষক দূষক সৃষ্টিকারী শিল্পের মধ্যে অন্যতম। এ শিল্পে কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয় তিন প্রকারের বর্জ্যই উৎপন্ন হয়। চামড়া শিল্পের বর্জ্য পানিতে দ্রবীভূত ও অদ্রবীভূত এবং জৈব ও অজৈব দূষক বিদ্যমান থাকে। কঠিন দূষকসমূহ হচ্ছে চুন, , অ্যামোনিয়াম লবণ প্রভৃতি। তরল দূষকসমূহের মধ্যে , ক্রোমিয়ামের লবণের দ্রবণ উল্লেখযোগ্য। আর গ্যাসীয় দূষকসমূহের মধ্যে এবং বিভিন্ন উদ্বায়ী যৌগ।
এ শিল্পের এ মারাত্মক দূষকসমূহ দূরীকরণ সম্ভব যদি বর্জ্য পদার্থকে নদীতে বা অন্যকোনো জলাশয়ে পতিত হওয়ার আগে ETP এর সাহায্যে বিশোধন করা হয়। এক্ষেত্রে ETP এর নিম্নোক্ত তিনটি প্রক্রিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
i. তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া : এ প্রক্রিয়ায় বর্জ্য পানিতে বিদ্যমান ধাতব আয়ন দূর করা হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া-
ধাতব আয়ন]
ii. প্রভাবন প্রক্রিয়া : বর্জ্য পানিতে বিদ্যমান ক্ষতিকারক জৈব যৌগসমূহকে প্রভাবকের উপস্থিতিতে অক্সিজেন দ্বারা জারিত করে এবং গ্যাসে পরিণত করা হয়।
iii. জীব প্রযুক্তি : এ পদ্ধতিতে ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনো জৈব অণু বীজ ব্যবহার করে জৈব ও অজৈব পদার্থকে জারিত বা বিয়োজিত করে ও তে পরিণত করা হয় ।