A. Nayanㅤ
A. Nayan
10 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের পশু সম্পদের…’ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ২০২৬ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই রসায়ন📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ রসায়ন🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — অর্থনৈতিক রসায়ন🔢 সৃজনশীল নং ২৪🏢 প্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বাংলাদেশের পশু সম্পদের উপর ভিত্তি করে একটি শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। অপরদিকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুততর হওয়ায় সিমেন্ট শিল্পেরও প্রসার ঘটেছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কাগজ শিল্পে মন্ড (pulp) তৈরির উদ্দেশ্যে কাঠের টুকরা বা বাঁশকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করে একটি রাসায়নিক দ্রবণে সিদ্ধ করা হয়। মণ্ড তৈরির এই বিশেষ রাসায়নিক দ্রবণকেই কুকিং লিকার বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সিরামিক সামগ্রী তৈরির প্রক্রিয়ায় কাঁচা মাটির তৈরি পণ্যকে। শুকানোর পর চুল্লিতে প্রথমবার উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে শক্ত ও ছিদ্রযুক্ত অবস্থায় রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে বিস্কুট ফায়ারিং (Biscuit Firing) বলা হয়। সিরামিক সামগ্রী উৎপাদনে বিস্কুট ফায়ারিং করা হয় কারণ এটি কাঁচা মাটির ভঙ্গুরতাকে দূর করে পণ্যটিকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো প্রদান করে। এই প্রক্রিয়ার ফলে বস্তুটি এমনভাবে ছিদ্রযুক্ত হয় যাতে পরবর্তীতে এর ওপর গ্লেজ (Glaze) বা চকচকে আস্তরণ সহজে লাগানো যায় এবং মাটির ভেতর থাকা রাসায়নিকভাবে যুক্ত পানি এবং কার্বনঘটিত অপদ্রব্য দূর হয়ে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত ২য় শিল্পটি হচ্ছে সিমেন্ট।
সিমেন্ট উৎপাদনের মূলনীতি: সূক্ষ্মভাবে চূর্ণকৃত চুনাপাথর (CaCO3), ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট (MgCO3) এবং SiO2 (বালি) সমৃদ্ধ কাদামাটি (Fe2O3,SiO2,Al2O3 এর মিশ্রণ) এর মিশ্রণকে বিশেষ ধরনের ঘূর্ণায়মান চুল্লীতে 1400∼1600∘C উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে এক ধরনের চূর্ণাকার মিশ্রণ পাওয়া যায়, যাকে ক্লিংকার বলে।
ক্লিংকারকে পেষণ যন্ত্রে অতি সূক্ষ্মভাবে চূর্ণ করলে এক ধরনের ধূসর বর্ণের পাউডার পাওয়া যায়, যাকে সিমেন্ট বলে। কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন অক্সাইড (প্রধানত CaO,SiO2,Al2O3,Fe2O3,MgO ) চুল্লীর অভ্যন্তরে ভস্মীকরণ (Calcining) তাপমাত্রায় দ্বিবিযোজন বিক্রিয়া দ্বারা ডাইক্যালসিয়াম সিলিকেট ( C2 S ); ট্রাইক্যালসিয়াম সিলিকেট (C3 S); ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট (3CaO⋅Al2O3) গঠিত হয়, এগুলোই সিমেন্টের প্রধান উপাদান। MgO মুক্ত অবস্থায় থাকে। K2O এবং Na2O এগুলো CaO,Al2O3,SiO2 ইত্যাদির সঙ্গে বিক্রিয়া করে। এছাড়া সিমেন্ট যাতে ধীরে ধীরে জমাট বাঁধে সে উদ্দেশ্যে সিমেন্টে জিপসাম (CaSO4.2H2O) ব্যবহার করা হয়। কারণ সিমেন্ট দ্রুত জমাট বাঁধলে সিমেন্টের ভিতরে ফাঁকা স্থান তৈরি হয়। ফলে সিমেন্টের সেটিং দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়। অতএব সিমেন্টে জিপসাম ব্যবহৃত হলে, সিমেন্টের সেটিং মজবুত, শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।

বিক্রিয়া: 

2CaO+SiO2⟶2CaO⋅SiO2 (ডাইক্যালসিয়াম সিলিকেট)
3CaO+SiO2⟶3CaO⋅SiO2 (ট্রাইক্যালসিয়াম সিলিকেট)
3CaO+Al2O3⟶3CaO.Al2O3 (ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট) 

এসব বিক্রিয়ার সঙ্গে কাদামাটির নির্জলীকরণ এবং চুনাপাথরের ভস্মীকরণও ঘটে। 

CaCO3→900∼1000∘CCaO+CO2 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের উল্লিখিত শিল্পের দূষক অর্থাৎ চামড়া শিল্পের দূষক দূষক সৃষ্টিকারী শিল্পের মধ্যে অন্যতম। এ শিল্পে কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয় তিন প্রকারের বর্জ্যই উৎপন্ন হয়। চামড়া শিল্পের বর্জ্য পানিতে দ্রবীভূত ও অদ্রবীভূত এবং জৈব ও অজৈব দূষক বিদ্যমান থাকে। কঠিন দূষকসমূহ হচ্ছে চুন, Na2 S, অ্যামোনিয়াম লবণ প্রভৃতি। তরল দূষকসমূহের মধ্যে H2SO4, ক্রোমিয়ামের লবণের দ্রবণ উল্লেখযোগ্য। আর গ্যাসীয় দূষকসমূহের মধ্যে H2 S,NH3 এবং বিভিন্ন উদ্বায়ী যৌগ।
এ শিল্পের এ মারাত্মক দূষকসমূহ দূরীকরণ সম্ভব যদি বর্জ্য পদার্থকে নদীতে বা অন্যকোনো জলাশয়ে পতিত হওয়ার আগে ETP এর সাহায্যে বিশোধন করা হয়। এক্ষেত্রে ETP এর নিম্নোক্ত তিনটি প্রক্রিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
i. তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া : এ প্রক্রিয়ায় বর্জ্য পানিতে বিদ্যমান ধাতব আয়ন দূর করা হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া-

Mn++ne−⟶M[M= ধাতব আয়ন] 

ii. প্রভাবন প্রক্রিয়া : বর্জ্য পানিতে বিদ্যমান ক্ষতিকারক জৈব যৌগসমূহকে প্রভাবকের উপস্থিতিতে অক্সিজেন দ্বারা জারিত করে CO2,H2O এবং N2 গ্যাসে পরিণত করা হয়।
iii. জীব প্রযুক্তি : এ পদ্ধতিতে ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনো জৈব অণু বীজ ব্যবহার করে জৈব ও অজৈব পদার্থকে জারিত বা বিয়োজিত করে CO2,NH3 ও H2O তে পরিণত করা হয় ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের পশু সম্পদের…’ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ২০২৬ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)”