A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি-‘ক’ –…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – পৃথিবীর গঠন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — পৃথিবীর গঠন🔢 সৃজনশীল নং ৩৬🏢 প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি-
‘ক’ – উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত একটি দোয়াব অঞ্চল।
‘খ’ – কর্দম, বেলে পাথর ও স্টেট জাতীয় উপাদান দ্বারা গঠিত।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সমুদ্রপৃষ্ঠের ন্যায় একই সমতলে বা সামান্য উচ্চে অবস্থিত প্রশস্ত ও বিস্তীর্ণ স্থলভাগকে সমভূমি বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পর্বতশ্রেণি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে তরঙ্গায়িত ও ঢালবিশিষ্ট ক্ষয়জাত মালভূমির সৃষ্টি করে।
প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি বহু বছর ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এর উপরিভাগ তরঙ্গায়িত ও ঢালবিশিষ্ট হয়ে যে মালভূমির সৃষ্টি হয়, তাই ক্ষয়জাত মালভূমি। যেমন- পামীর মালভূমি একটি ক্ষয়জাত মালভূমির উদাহরণ। সাধারণত ভঙ্গিল পর্বতগুলোতে বহু বছর ধরে ভূআলোড়ন, হিমবাহের প্রবাহ ও অন্যান্য কারণে ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ঢাল বেয়ে মৃত্তিকা, ধূলিকণা, উপত্যকা অঞ্চলে জমা হয়ে উচ্চ সমভূমির সৃষ্টি করে যা ক্ষয়জাত মালভূমিতে পরিণত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানটি উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত একটি দোয়াব অঞ্চল, যা মূলত বরেন্দ্রভূমিকে নির্দেশ করছে।
বাংলাদেশের দিনাজপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, জয়পুরহাট, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে এ বরেন্দ্রভূমি অঞ্চল গঠিত। এ অঞ্চলের আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার বা ৩,৬৩৪ বর্গমাইল। বরেন্দ্রভূমি প্লাবন সমভূমি থেকে প্রায় ৬ থেকে ১২ মিটার উঁচু হয়ে থাকে। এ অঞ্চলটি প্লাইস্টোসিন যুগের উচ্চভূমি। সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলটি পুনর্ভবা, আত্রাই ও যমুনা নদী দ্বারা চারটি অংশে বিভক্ত। এ অঞ্চলের মাটির রং ধূসর ও লালচে। এ অঞ্চলে গভীর খাতবিশিষ্ট আঁকাবাঁকা ছোট ছোট কয়েকটি স্রোতস্বিনী রয়েছে। এগুলো খাড়ি নামে পরিচিত। বরেন্দ্র অঞ্চলটি কৃষিতে বিশেষভাবে উপযোগী। কৃষিজ ফসলের মধ্যে ধানই প্রধান। ধান ছাড়াও পাট, ভুট্টা, পান প্রভৃতি কিছু কিছু উৎপন্ন হয়ে থাকে এ অঞ্চলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'খ' চিহ্নিত স্থানটি কর্দম, বেলেপাথর ও স্লেটজাতীয় উপাদান দ্বারা গঠিত, যা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে নির্দেশ করছে।

টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হবার সময় মায়ানমার হতে আগত গিরিজনি আলোড়নের ধাক্কায় ভাঁজগ্রস্থ হয়ে এসব পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই ও মায়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়। এ পাহাড়গুলো বেলে পাথর, স্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। ভাঁজগ্রস্থ এ পাহাড়গুলো উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বিভাবে অবস্থিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার। কিন্তু পশ্চিম দিক হতে পূর্বদিকের পাহাড়গুলোর উচ্চতা ক্রমশ বেশি। বান্দরবানের তাজিনডং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড় চূড়া, এর উচ্চতা ১,২৩১ মি.।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত ছোট বড় বিচ্ছিন্ন পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে স্থানীয়ভাবে টিলা বলা হয়। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬০ হতে প্রায় ৩১০ মিটার। অনেকের ধারণা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলো খাসিয়া, জয়ন্তিয়া, গারো ও লুসাই পাহাড়ের বিচ্ছিন্ন অংশ ছাড়া আর কিছুই নয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি-‘ক’ –…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – পৃথিবীর গঠন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”