A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০১৯ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — উদ্ভিদ প্রজনন🔢 সৃজনশীল নং ৪🏫 বোর্ড বরিশাল বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দুটি কোষের শুধু সাইটোপ্লাজমের মিশ্রণই সাইব্রিড।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একই ধরনের জলবায়ু, একই ধরনের মাটি, একই জাতীয় বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে গঠিত একটি বৃহৎ ও পৃথকযোগ্য ইকোসিস্টেমকে বলা হয় বায়োম। প্রধানত ভূমিরূপ, জলবায়ু ও প্রধান ভেজিটেশন মিলিতভাবে এক একটি বায়োম সুনির্দিষ্ট করে। ইকোসিস্টেমকে যখন বিস্তৃতমাত্রায় প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বায়োম বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের A সৃষ্টির প্রক্রিয়া অর্থাৎ পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামিটোফাইট বা পুংগ্যামিট সৃষ্টির প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে। নিচে পুংগ্যামিট সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হলো-

পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস তৈরি করে। বড়টিকে বলা হয় নালিকা নিউক্লিয়াস এবং ছোটটিকে বলা হয় জনন নিউক্লিয়াস। পরাগায়নের ফলে পরাগরেণু স্ত্রীকেশরের গর্ভমুন্ডে পতিত হয় এবং অঙ্কুরিত হয়, অর্থাৎ ইনটাইন বৃদ্ধি পেয়ে জার্মপোর দিয়ে নালিকার আকার বাড়তে থাকে। এ নালিকাকে পোলেন টিউব বলে। পোলেন টিউবের ভিতরে নালিকা নিউক্লিয়াস এবং পরে জনন নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে। নালিকাটি গর্ভদন্ডের ভেতর ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে। এভাবেই উদ্ভিদদেহে পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামিটোফাইট তথা পুংগ্যামিট সৃষ্টি হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে A ও B এর মিলন ঘটিয়ে অর্থাৎ পুং গ্যামিট ও স্ত্রী গ্যামিটের মিলন ঘটিয়ে ফসলের গুণগত মানের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে বুনো প্রজাতির রোগ প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য আবাদী ফসলী উদ্ভিদের মধ্যে স্থানান্তর সম্ভব। এভাবে রোগ প্রতিরোধী ফসলী জাত উদ্ভাবন করে ফসলের ফলন বাড়ানো যায়। এছাড়া অল্প সময়ে অধিক ফলন পাওয়ার জন্য ফসলের আবাদকাল কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত করা যায়, ফলে একই ফসল বছরে কয়েকবার উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে দেশের মোট খাদ্য উৎপাদন অনেকগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জিডিপিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ৩০ জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান কৃষকের নিকট পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে। উন্নত মান সম্পন্ন বুনো জাতের সাথে ফসলী উদ্ভিদকে কৃত্রিম সংকরায়ন ঘটিয়ে ফসলী জাতকে উন্নত মানের জাতে পরিণত করা যায়। এভাবে ধান, গমের পাশাপাশি তৈল বীজ, ডাল, আঁশজাতীয় ফসল, আখ, শাকসবজি ও ফলজ উদ্ভিদের গুণগত মানের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০১৯ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”