| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২২ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
সম্পৃক্ত দ্রবণে বিদ্যমান আয়নসমূহের যেকোনো একটির সদৃশ আয়ন বা দ্রবণ যোগ করে দ্রবণটির আয়নিক গুণফল বৃদ্ধি করে দ্রাব্যতা হ্রাস করার প্রক্রিয়াই হলো সমআয়ন প্রভাব।
3f অরবিটাল সম্ভব নয়। কারণ 3f অরবিটালের জন্য প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (n) = 3, এবং সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা ( l ) = 0, 1, 2। আমরা জানি, l = 0, 1, 2 এর জন্য কেবল s, p ও d অরবিটাল সম্ভব। এজন্য 3f অরবিটাল সম্ভব নয়।
উদ্দীপকের তথ্যমতে X ও A মৌলদ্বয় যথাক্রমে কার্বন (C) ও হাইড্রোজেন (H)। তাই XA4 যৌগটি CH4। নিচে CH4 এর সংকরণ ব্যাখ্যা করা হলো-
একটি কার্বন পরমাণু ও চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু সংযোগে CH4 অণু গঠিত হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় কার্বন এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
C(6) = 1s2 2s2 2px12py12pz0
উত্তপ্ত অবস্থায় কার্বন পরমাণু শক্তি শোষণ করলে 2s2 অরবিটাল থেকে একটি ইলেকট্রন 2pz0 অরবিটালে চলে আসে। তখন কার্বন পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস -
এ অবস্থায় C-পরমাণুর একটি 2s ও তিনটি 2p অরবিটাল পরস্পরের সাথে মিশ্রিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন সমশক্তির 4টি sp3 সংকর অরবিটাল গঠন করে। এ 4টি sp3 সংকর অরবিটাল 4টি H-পরমাণুর 1s অরবিটাল এর সাথে সামনাসামনি অধিক্রমণ করে C-H -বন্ধন গঠনের মাধ্যমে CH4 অণু গঠন করে।
চিত্র : কার্বন (C) পরমাণুর sp3 সংকরণের মাধ্যমে চতুস্তলকীয় CH4 অপুর গঠন।
প্রতিটি হাইড্রোজেন পরমাণু চতুস্তলকের চার শীর্ষে অবস্থান করে এবং যৌগটির বন্ধন কোণ 109°5' হয়।
এ উদ্দীপকের তথ্যমতে X ও Y মৌল দুটি যথাক্রমে C ও Si। সুতরাং C ও Si এর অক্সাইড হলো CO2 ও SiO2 । CO2 ও SiO2 যৌণদ্বয়ের ভৌত অবস্থার ভিন্নতার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
পর্যায় সারণির 14নং গ্রুপের দুটি মৌল কার্বন (C) ও সিলিকন (Si) উভয়ই ডাই অক্সাইড যেমন, ও তৈরি করে। কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় হলো গ্যাস, হলো কঠিন পদার্থ। এর কারণ হলো কার্বন ডাই অক্সাইড একটি একক বিচ্ছিন্ন গ্যাসীয় অণু। কার্বন ডাই অক্সাইড () অণুতে একটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে দুটি অক্সিজেন পরমাণু দুই জোড়া ইলেকট্রন শেয়ার করে দ্বিবন্ধন দ্বারা যুক্ত করে থাকে।
এর আণবিক আকৃতি সরলরৈখিক এবং এর আণবিক গঠন নিম্নরূপ :
অণুসমূহের মধ্যে কেবল দুর্বল ভ্যানডার ওয়ালস্ বল কার্যকর থাকে এবং সাধারণ তাপমাত্রায় হলো গ্যাস।
অপরদিকে সিলিকন ডাই অক্সাইড () একটি পলিমার যৌগ অর্থাৎ দৈত্যাকার অণুবিশিষ্ট যৌগ। সিলিকন ডাই অক্সাইড পলিমার এর গঠনে প্রতিটি Si পরমাণু চারটি O পরমাণুর সাথে এবং প্রতিটি O পরমাণু Si পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে চতুস্তলকীয় গঠন সৃষ্টি করে। প্রতিটি চতুস্তলক O পরমাণু দ্বারা পরস্পর যুক্ত হয়ে পলিমার শিকল গঠন করে। এর পলিমার গঠন নিম্নরূপ :
পলিমার যৌগ () এর গলনকালে বহু সমযোজী বন্ধন ভাঙতে হয় এবং অধিক তাপ শক্তি শোষিত হয়। সুতরাং সিলিকন ডাই অক্সাইড এর গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশি। যেমন গলনাঙ্ক 1610°C ও স্ফুটনাঙ্ক 2230°C এবং সাধারণ তাপমাত্রায় হলো কঠিন পদার্থ।