A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৩ – জীবে পরিবহণ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে বলে একে সর্বজনীন রক্তদাতা বলে।

উত্তর:

আমরা জানি, প্রোটোপ্লাজম জীবদেহের ভৌত ভিত্তি। এই প্রোটোপ্লাজমের শতকরা ৯০ ভাগই পানি। পানির পরিমাণ কমে গেলে প্রোটোপ্লাজম সংকুচিত হয়ে মারা যেতে পারে (প্লাজমোলাইসিস)। তাই প্রোটোপ্লাজম তথা জীবের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। এ কারণেই পানিকে “ফ্লুইড অফ লাইফ” বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত X চিত্রটি হলো হৃৎপিণ্ড। নিম্নে হৃৎপিণ্ডের গঠন চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো-

হৃৎপিণ্ড বক্ষগহ্বরের বামদিকে দুই ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার ফাঁপা অঙ্গ। এটি হৃৎপেশি নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। হৃৎপিণ্ড পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে। হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরে থাকে তিনটি স্তর। হৃৎপিণ্ডের ভিতরের স্তরটি ফাঁপা এবং চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। উপরের প্রকোষ্ঠ দুটিকে ডান এবং বাম অলিন্দ বলে এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটিকে ডান এবং বাম নিলয় বলে। হৃৎপিণ্ডের উভয় অলিন্দ এবং নিলয়ের মাঝে যে ছিদ্রপথ আছে, তা খোলা বা বন্ধ করার জন্য ভালভ বা কপাটিকা থাকে। ডান অলিন্দ এবং ডান নিলয়ের মধ্যবর্তী ছিদ্রপথ তিন পাল্লাবিশিষ্ট ট্রাইকাসপিড ভালভ দিয়ে সুরক্ষিত। একইভাবে বাম অলিন্দ এবং বাম নিলয় দুই পাল্লাবিশিষ্ট বাইকাসপিড ভালভ দিয়ে সুরক্ষিত থাকে। মহাধমনি ও ফুসফুসীয় ধমনির মুখে অর্ধচন্দ্রাকার কপাটিকা থাকে। এদের অবস্থানের ফলে পাম্প করা রক্ত একই দিকে চলে এবং এক ফোঁটা রক্তও উল্টো দিকে ফিরে আসতে পারে না।

উত্তর:

X অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড, আর Y উপাদানগুলো হলো ট্রাইগ্লিসারাইড, HDL ও LDR। এগুলো হলো লিপোপ্রোটিন জাতীয় যৌগ।
দেহে অন্যান্য অঙ্গের মতো হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেন এবং খাদ্যভার সরবরাহের প্রয়োজন হয়। হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনিগাত্রে কোলেস্টেরলের কারণে চর্বি জমা হলে ধমনিতে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটে ফলে হৃৎপিণ্ডে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও খাদ্যসার না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধমনির গাত্রে বেশি চর্বি জমা হয়ে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় ফলে করোনারি হৃদরোগের আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এছাড়া রক্তে উচ্চমাত্রায় কোরেস্টেরল হৃৎপিণ্ডের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত।
এজন্য হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে নিয়ন্ত্রিত মাত্রার কোলেস্টেরল ভূমিকা রাখে।
এছাড়া LDL হলো খারাপ কোলেস্টেরল যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই LDL নিয়ন্ত্রণে রেখে দৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখা যায়। আবার HDL হলো ভালো কোলেস্টেরল, এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তাই বেশি পরিমাণে HDL গ্রহণের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখা যায়।
তাই বলা যায়, হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে ট্রাইগ্লিাসারাইড, LDL ও HDL অর্থাৎ কোলেস্টেরলের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ভূমিকা রাখে।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৩ – জীবে পরিবহণ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”