A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৩ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

মাইটোকন্ড্রিয়ায় ক্রিস্টির গায়ে বৃন্তযুক্ত গোলাকার বস্তুই হলো অক্সিজোম।

উত্তর:

শ্বেত রক্তকণিকা ও লাইসোসোম উভয়ই জীবাণু ধ্বংস করে বলে কার্যগত দিক থেকে তাদেরকে সদৃশ বিবেচনা করা হয়। শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে রোগজীবাণুর হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। অন্যদিকে লাইসোসোম উৎসেচকের মাধ্যমে জীবাণুকে হজম করে কোষকে রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে।

উত্তর:

উদ্দীপকের X চিহ্নিত অঙ্গাণুটি মাইটোকন্ড্রিয়া। নিচে মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-
i. মাইটোকন্ড্রিয়া লিপিড ও প্রোটিন নির্মিত একটি দ্বি-স্তরবিশিষ্ট আবরণী দ্বারা আবৃত। এ আবরণীর বাইরের স্তরটি সোজা কিন্তু ভেতরের স্তরটি কেন্দ্রের দিকে অনেক ভাঁজবিশিষ্ট হয়। এ ভাঁজগুলোকে 'ক্রিস্টি' বলে।
ii. দুই মেমব্রেনের মাঝখানের ফাঁকা স্থানকে বহিঃস্থ কক্ষ বা আন্তঃমেমব্রেন ফাঁক বলে। আর ভিতরের মেমব্রেন দিয়ে আবদ্ধ অঞ্চলকে বলা হয় 'ম্যাট্রিক্স'।

iii. ক্রিস্টিতে স্থানে স্থানে Electrontransport system বহনকারী ATP synthases বা অক্সিসোম নামক গোলাকার বস্তু থাকে।
iv. এর নিজস্ব বৃত্তাকার DNA ও রাইবোজোম থাকে। কিছু ক্ষেত্রে RNA ও বর্তমান।
v. রাসায়নিকভাবে মাইটোকন্ড্রিয়াতে ৭৫% প্রোটিন, ২৫% লিপিড, ০.৫% RNA এবং সামান্য পরিমাণে DNA থাকে।

উত্তর:

উদ্দীপকে চিত্র-X ও চিত্র-Y দ্বারা যথাক্রমে মাইটোকন্ড্রিয়া ও নিউক্লিয়াসকে বোঝানো হয়েছে। কার্যগত দিক দিয়ে মাইটোকন্ড্রিয়া ও নিউক্লিয়াস উভয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোষীয় অঙ্গাণু।
জীবের সকল জৈবিক কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল শক্তি মাইটোকন্ড্রিয়ায় তৈরি হয় বলে একে কোষের শক্তিঘর বলা হয়। মাইটোকন্ড্রিয়ায় শ্বসন ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে ATP তৈরি হয় যা কোষের বিপাকীয় কাজে শক্তি যোগায়। জীবের তথা মানবদেহের সকল জৈবিক কাজের জন্য শক্তি প্রয়োজন। এ শক্তি শ্বসন ক্রিয়ার ফলেই উৎপন্ন হয়। আর মাইটোকন্ড্রিয়া ব্যতীত শ্বসন সম্ভম্ব নয়। এ শক্তি তৈরি বন্ধ হয়ে গেলে মানবদেহের বিপাক ক্রিয়াও বন্ধ হয়ে যাবে।
আবার চিত্র-Y বা নিউক্লিয়াস জীবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোষীয় অঙ্গাণু। জীবকোষের সকল জৈবনিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এ বিশেষ অঙ্গাণুটি। কোষের যাবতীয় কার্যকলাপ সংঘটনের নির্দেশ আসে এ নিউক্লিয়াস থেকেই। এ কারণেই নিউক্লিয়াসকে কোষের সকল কাজের নিয়ন্ত্রক বলা হয়। নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিওপ্লাজমে নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন, উৎসেচক ও বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণ থাকে যা বিভিন্ন জৈবনিক প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট। এছাড়া নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওলাস RNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত। এরা নিউক্লিক এসিড মজুদ করে ও প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। নিউক্লিয়াস কোষে সংঘটিত সকল বিপাকীয় কার্যাবলি পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিউক্লিয়াসকে ঘিরে অবস্থিত নিউক্লিয়ার ঝিল্লি সাইটোপ্লাজম থেকে কেন্দ্রিকার অন্যান্য বস্তুকে পৃথক করে এবং বিভিন্ন বস্তুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। নিউক্লিয়াসে বংশগতির বৈশিষ্ট্য নিহিত। এতে উপস্থিত ক্রোমোসোম জীবের সকল বৈশিষ্ট্য বংশ পরম্পরায় বহন করে।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৩ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”