কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলা হয়।
যদি দুইটি যৌগের আণবিক সংকেত একই থাকে কিন্তু গাঠনিক সংকেত ভিন্ন হয় তবে তাদেরকে পরস্পরের সমাণু বলে। একটি সমাণু থেকে অপর একটি সমাণু তৈরির প্রক্রিয়াকে বলে সমাণুকরণ বিক্রিয়া। যেমন- আণবিক সংকেতের ভিন্ন গাঠনিক সংকেত বিশিষ্ট দুটি যৌগ হলো : (অ্যামোনিয়াম সায়ানেট) ও (ইউরিয়া)। এরা পরস্পরের সমাণু। অ্যামোনিয়াম সায়ানেটকে তাপ দিলে তা সমাণুকরণ বিক্রিয়ায় ইউরিয়াতে পরিণত হয়।
উদ্দীপকের 'X' এর গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর,
এখানে,
১ম আইসোটোপের ভরসংখ্যা, p = 63
১ম আইসোটোপের শতকরা পরিমাণ, m = 75
২য় আইসোটোপের ভরসংখ্যা, q = 65
২য় আইসোটোপের শতকরা পরিমাণ, n = 25
সুতরাং, 'X' এর গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 63.5।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, মৌল তিনটি যথাক্রমে ও N(7)। নিচে মৌল তিনটির ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম ব্যাখ্যা করা হলো-
জানা আছে, পর্যায় সারণির একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে মৌলসমূহের ইলেকট্রন আসক্তির মান বৃদ্ধি পায়। কারণ বাম থেকে ডানে মৌলসমূহের আকার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফলে যোজ্যতা স্তরে 1টি ইলেকট্রন প্রবেশ করলে অধিক শক্তি নির্গত হয়। এজন্য ইলেকট্রন আসক্তি বৃদ্ধি পায়। আবার, একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে মৌলসমূহের আকার বৃদ্ধি পায়। ফলে যোজ্যতাস্তরে 1টি ইলেকট্রন খুব সহজে প্রবেশ করে বলে কম শক্তি নির্গত হয়। এজন্য একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে ইলেকট্রন আসক্তির মান হ্রাস পায়।
উদ্দীপকের মৌলগুলোর ইলেকট্রন বিন্যাস-
(সুস্থিত); (পর্যায়-2; গ্রুপ-15)
(সস্থিত); (পর্যায়-3; গ্রুপ-2)
(সুস্থিত); (পর্যায়-3; গ্রুপ-15)
দেখা যাচ্ছে, N ও P একই গ্রুপে এবং Mg ও P একই পর্যায়ে অবস্থিত এবং সব ইলেকট্রন বিন্যাসই সুস্থিত। সেজন্য ইলেকট্রন আসক্তির এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটে। যেমন একই গ্রুপে N এর অবস্থান P এর উপরে হওয়ায় N এর ইলেকট্রন আসক্তি P অপেক্ষা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায়,
N এর ইলেকট্রন বিন্যাস অর্ধপূর্ণ হওয়ায় এটি স্থিতিশীল। আর অর্ধপূর্ণ স্থিতিশীলতার কারণে এর ইলেকট্রন আসক্তি কম। অন্যদিকে P এর ইলেকট্রন আসক্তি সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ বেশি শক্তি মুক্ত হয়। কারণ P এর p অরবিটালও অর্ধপূর্ণ। কিন্তু এটি N এর চেয়ে বড় পরমাণু হওয়ায় নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ কম, তাই অর্ধপূর্ণ বিন্যাসের স্থিতিশীলতার প্রভাব নাইট্রোজেনের মতো তীব্র নয়। এজন্যই P এর ইলেকট্রন আসক্তি N অপেক্ষা বেশি। আবার Mg এর ইলেকট্রন বিন্যাসে (--- 3s²), s অরবিটাল পূর্ণ। এটি ধাতু হওয়ায় ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন গঠন করে কিন্তু গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়ন গঠনে অনিচ্ছুক। তাই Mg এর ইলেকট্রন আসক্তি খুবই কম।
অর্থাৎ, মৌলগুলোর ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম :
