A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বারুদের গন্ধে জীবনের…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৬ – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — সুচেতনা🔢 সৃজনশীল নং ১৪🏢 প্রতিষ্ঠান সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বারুদের গন্ধে জীবনের স্বাদ নেই
অস্ত্রের গর্জনে বাকরুদ্ধ মানবতা।
অস্ত্র কখনো আনতে পারে না
বৃক্ষের সজীবতা প্রতিটি বিপ্লব রক্ত চায়, প্রতিটি শাসক চায়
প্রজাদের অধীনস্থ জীবন।
অথচ শিল্পীর চাওয়া সবসময়ই মানবতার পক্ষে।
অগ্নিঝরা একটি দিনের চেয়ে
বরফ শীতল আস্তো জীবন কাটানো উত্তম।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'সুচেতনা' কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা সত্য; তবু শেষ সত্য নয়"-পঙ্ক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, সভ্যতার অগ্রগতির পাশাপাশি পৃথিবী তার বুকে যুদ্ধ কিংবা রক্তপাত ধারণ করলেও এই ধ্বংসাত্মক দিক পৃথিবীর শেষ সত্য নয়।
পৃথিবীর বুকে সভ্যতা যেমন এগিয়েছে, বিকশিত হয়েছে, তার পাশাপাশি বহু যুদ্ধ-রক্তপাত-প্রাণহানি সংঘটিত হয়েছে এবং বর্তমান সময়েও হচ্ছে। এতে বিপন্ন হচ্ছে মানবতা, লোপ পাচ্ছে মানুষের বিবেকবোধ কিংবা চিন্তাচেতনা থেকে উদ্ভূত শুভবোধ। এই ধ্বংসাত্মক বোধ বা দিকটিই একমাত্র সত্য নয়। এটির বাইরেও সত্য লুকিয়ে আছে। কবি সেটিকে সুচেতনা হিসেবে কল্পনা করেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার যুদ্ধ-রক্তপাত-প্রাণহানির দরুন বিপর্যস্ত মানবতার দিককে নির্দেশ করে।
'সুচেতনা' কবিতায় কবি দেখিয়েছেন মানুষের অমানবিক আচরণের দরুন সৃষ্ট যুদ্ধ, রক্তপাত ও হানাহানির বীভৎস রূপ। এই যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক রূপ মনুষ্যত্বপূর্ণ মানুষকে মানবতাহীন কাজের বিপরীতে দাঁড় করিয়েছে। তারা যুদ্ধ-পরবর্তী পৃথিবীকে সুন্দর করার কাজে ব্রত গ্রহণ করেছেন।
উদ্দীপকের কাব্যাংশে ধ্বনিত হয়েছে যুদ্ধের ভয়াবহতা। বারুদের গন্ধে, অস্ত্রের গর্জনে মানবতা বিপর্যস্ত। অস্ত্রের আঘাতে মুছে গেছে সবুজের সমারোহ। গুটি কতক মানুষের জেদ-খেয়ালের শিকার বিশ্বমানবতা। প্রতিটি বিপ্লবে রক্ত ঝরে। শাসকরা চায় প্রজারা যেন তাদের অধীন থাকে। 'সুচেতনা' কবিতায়ও এমন বিপর্যস্ত মানবতার চিত্র উঠে এসেছে। মানুষকে রক্তাক্ত পথ পাড়ি দিয়েই পৌছাতে হয় ভালোবাসার ভুবনে। যুদ্ধ-রক্তপাত-প্রাণহানির দরুন মানবতা হয় বিপর্যস্ত। উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার এই বিপর্যস্ত মানবতার দিকটি নির্দেশ করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক ও 'সুচেতনা' কবিতার বক্তব্য বিষয়ের ভিত্তিতে "একটি মানবিক সমাজ প্রত্যেক মানবতাবাদী মানুষের একান্ত কাম্য" মন্তব্যটি যথার্থ।
'সুচেতনা' কবিতায় কবি তাঁর প্রার্থিত সুচেতনাকে দূরতর দ্বীপসদৃশ কল্পনা করেছেন। কেননা মানুষে মানুষে স্বার্থপরতায় যুদ্ধে সুচেতনা পৃথিবীতে অবস্থান করতে পারেনি। কিন্তু কবির প্রত্যাশা- সৃজনশীল মনুষ্যত্বপূর্ণ মনীষীদের কল্যাণে পৃথিবীর বিপর্যয় কেটে যাবে। সুচেতনার মাধ্যমে পৃথিবী ও মানুষের মুক্তি ঘটবে।
উদ্দীপকের কবিতাংশের প্রথমে বর্ণিত হয়েছে যুদ্ধের ভয়াবহতা। শেষাংশে শিল্পী বা মানবতাবাদী মানুষের শান্তিময় পৃথিবীর প্রত্যাশার বিষয়টি ব্যক্ত হয়েছে। শিল্পীদের চাওয়া মানবতার পক্ষে। তারা বরফ শীতল পৃথিবী অর্থাৎ যুদ্ধমুক্ত শান্তিময় পৃথিবী কামনা করেন। 'সুচেতনা' কবিতায়ও কবির প্রত্যাশা- যুদ্ধ চিরস্থায়ী নয়। অচিরেই পৃথিবী থেকে যুদ্ধ চলে যাবে। সৃজনশীল মনীষীদের কল্যাণে পৃথিবী আবার মানুষের বসবাসের উপযুক্ত হয়ে উঠবে।
পৃথিবীর ইতিহাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ইতিহাস। যুদ্ধের ভয়াবহতা, রক্তপাত সৃজনশীল মানুষকে ব্যথিত করেছে। তাদের বক্তব্য সব সময় মানবতার পক্ষে। 'সুচেতনা' কবিতার কবির বিশ্বাস- যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না। অন্ধকারের পর্দা ছিঁড়ে সভ্যতার আলো ফুটবে। পৃথিবীতে - আবার সুচেতনা বিরাজ করবে। উদ্দীপকের কবিও বলেছেন, শিল্পীরা যুদ্ধ চান না। তাদের কামনা বরফ শীতল শান্তিপ্রিয় সভ্যতা। উদ্দীপকের কবি ও 'সুচেতনা' কবিতার কবির বিশ্বাস- একদিন সব অন্ধকার ভেদ করে সৌন্দর্যের সূর্য উদিত হবে। পৃথিবী থেকে সব যুদ্ধ, হানাহানি, রক্তপাত মুছে যাবে। পৃথিবীতে কেবল শান্তি ও সুখ বিরাজ করবে। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য মন্তব্যটি সংগতিপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বারুদের গন্ধে জীবনের…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৬ – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”