A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বিবর্তন একটি ধীর…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ১০৩🏢 প্রতিষ্ঠান সিলেট এমসি কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বিবর্তন একটি ধীর প্রক্রিয়া। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বিবর্তনের স্বপক্ষে তত্ত্বীয় প্রমাণসমূহ সঠিক বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দিকমুখী উদ্দীপনা বা উদ্দীপনা মাত্রার তীব্রতার প্রতি একটি জীরের সহজাত আচরণগত সাড়া দেওয়াকে ট্যাক্সিস বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রাণীদেহের যে তাৎক্ষণিক, অনৈচ্ছিক এবং স্বয়ংক্রিয় সাড়াদান কোনো উদ্দীপনার বিপরীতে ঘটে, তাকে প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে। এটি সাধারণত মস্তিষ্কের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই সুষুম্নাকাণ্ড দ্বারা পরিচালিত হয়, যাতে শরীর হঠাৎ কোনো বিপদ বা আঘাত থেকে দ্রুত রক্ষা পেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ- অসাবধানতাবশত গরম বস্তুতে হাত পড়লে দ্রুত হাত সরিয়ে নেওয়া।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ১ম বাক্যে বলা হয়েছে, "বিবর্তন একটি ধীর প্রক্রিয়া"। নিচে বাক্যটি উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
জীববিজ্ঞানের ভাষায় বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো বংশপরম্পরায় কোনো জীবগোষ্ঠীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের এমন পরিবর্তন, যা অত্যন্ত ধীরগতিতে, দীর্ঘ সময় ধরে ঘটে থাকে। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে চলা একটি নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তর প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সরল পূর্বপুরুষ থেকে জটিল ও উন্নত জীবের উদ্ভব ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, ঘোড়ার বিবর্তনের কথা বলা যায়; আজকের দ্রুতগামী ঘোড়া একদিনে সৃষ্টি হয়নি, বরং আদিম ৫-আঙুল বিশিষ্ট ছোট আকৃতির ইওহিপ্পাস থেকে দীর্ঘ ৫ কোটি বছরের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে আজকের এক-আঙুল বিশিষ্ট শক্তিশালী ইকুয়াসে রূপান্তরিত হয়েছে। বিবর্তনের এই দীর্ঘ যাত্রায় প্রতিটি ধাপে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তন সঞ্চিত হয় এবং প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে অনুকূল বৈশিষ্ট্যগুলো টিকে থাকে। ডারউইনের মতবাদ অনুযায়ী, পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে প্রাণীর মধ্যে যে বৈচিত্র্য দেখা দেয়, তা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাহিত হতে হতে একসময় নতুন প্রজাতির জন্ম দেয়। উদ্দীপকের এই বক্তব্যটি মূলত জীবনের ক্রমবিকাশের সেই শাশ্বত ধীরগতির পরিবর্তনের দিকেই ইঙ্গিত করে, যা পৃথিবীর জৈব বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে মূল ভূমিকা পালন করেছে। তাই বিবর্তনকে কোনো জাদুকরী মুহূর্ত নয়, বরং ভূ-তাত্ত্বিক সময়ের মাপকাঠিতে বিচার্য একটি সুশৃঙ্খল ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ২য় বাক্যে বলা হয়েছে, "কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বিবর্তনের স্বপক্ষে তাত্ত্বিক প্রমাণসমূহ সঠিক বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন"। এই বক্তব্যের আলোকে বিবর্তনের প্রধান তাত্ত্বিক প্রমাণগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

অঙ্গসংস্থানিক প্রমাণ: বিভিন্ন প্রাণীর অঙ্গের গঠন পরীক্ষা করলে বিবর্তনের স্পষ্ট ছাপ পাওয়া যায়। যেমন- মানুষের হাত, পাখির ডানা এবং তিমির ফ্লিপার দেখতে আলাদা হলেও এদের হাড়ের মৌলিক গঠন (পেনটাড্যাকটাইল লিম্ব) একই। একে সমসংস্থ অঙ্গ বলা হয়, যা প্রমাণ করে এরা সবাই একই পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভূত হয়েছে।

ভ্রূণতাত্ত্বিক প্রমাণ: মাছ, উভচর, সরীসৃপ, পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর ভ্রূণের প্রাথমিক অবস্থা প্রায় একই রকম। প্রত্যেকের ভ্রূণেই এক পর্যায়ে ফুলকা রন্ধ্র ও লেজ সদৃশ অংশ দেখা যায়। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, উচ্চতর প্রাণীরা বিবর্তনের মাধ্যমে মৎস্যজাতীয় পূর্বপুরুষ থেকে এসেছে।

জীবাশ্মঘটিত প্রমাণ: শিলাস্তরে সংরক্ষিত প্রাচীন জীবের দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম বিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ। যেমন-'আর্কিওপটেরিক্স' নামক জীবাশ্মটি সরীসৃপ ও পাখির মধ্যবর্তী পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য বহন করে। এটি প্রমাণ করে যে সরীসৃপ থেকেই পাখির বিবর্তন ঘটেছে।

নিষ্ক্রিয় অঙ্গের প্রমাণ: প্রাণিদেহে এমন কিছু অঙ্গ থাকে যা বর্তমানে অকেজো, কিন্তু পূর্বপুরুষের দেহে সচল ছিল। মানুষের অ্যাপেন্ডিক্স বা কানের পেশি এর অন্যতম উদাহরণ। এটি প্রমাণ করে পরিবেশের প্রয়োজনে অব্যবহারের ফলে এই অঙ্গগুলো ক্ষুদ্র ও অকেজো হয়ে গেছে।

উপরোক্ত তাত্ত্বিক প্রমাণগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, যদিও বিবর্তনের প্রতিটি ধাপ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়, তবুও অঙ্গসংস্থান, ভ্রূণতত্ত্ব এবং জীবাশ্ম বিজ্ঞানের এই তথ্যগুলো বিবর্তনের ধারণাকে বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তি দান করে। তাই উদ্দীপকের দাবি অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা বিবর্তনের এই প্রমাণগুলোকে বিবর্তনের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জোরালো ও যথার্থ বলে মনে করেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বিবর্তন একটি ধীর…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”