A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বিজ্ঞানীগণ হৃৎপিণ্ডের এবং…’ সিলেট বোর্ড ২০১৭ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ২🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বিজ্ঞানীগণ হৃৎপিণ্ডের এবং ভ্রূণের গাঠনিক পরিবর্তন ব্যাখ্যা করে বলেন- ‘স্তন্যপায়ী প্রাণীরা অভিন্ন পূর্বপুরুষের বংশধর’।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রজঃচক্রের ১৪ তম দিনে ডিম্বপাতের পর ডিম্বাশয়ের ভেতরের অবশিষ্ট গ্রাফিয়ান ফলিকল কোষগুলো ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে যে কোষপিন্ডে পরিণত হয় তাই কর্পাস লুটিয়াম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কিছু ত্রুটি বিচ্যুতির কারণে ল্যামার্ক এর মতবাদ বিজ্ঞানী মহলে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ল্যামার্কের মতে, অর্জিত গুণাবলী উত্তরাধিকার সূত্রে প্রবাহিত হয়। কিন্তু বিজ্ঞানী ভাইজম্যান কয়েক পুরুষ ইঁদুরের লেজ কেটে পরীক্ষা চালিয়ে লেজহীন ইঁদুর উৎপাদন করতে পারেনি। তাই ল্যামার্কের মতবাদ বিজ্ঞানীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের উল্লিখিত প্রাণীটি স্তন্যপায়ী শ্রেণির অন্তর্গত। স্তন্যপায়ী প্রধান রক্ত সংবহন অঙ্গ হলো হৃৎপিণ্ড। এছাড়া শিরা, ধমনি ও কৈশিক জালিকা মাধ্যমে রক্ত সারা দেহে সঞ্চালিত হয় এবং ফুসফুসে পৌঁছে গ্যাসীয় আদান- প্রদান ঘটায়। স্তন্যপায়ীর হৃৎপিণ্ড সম্পূর্ণ চার প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। নিচে স্তন্যপায়ী প্রাণীর রক্ত সংবহন প্রক্রিয়া একটি ছকে দেখানো হলো:

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের উদ্ধৃতি হলো- "স্তন্যপায়ী প্রাণীরা অভিন্ন পূর্বপুরুষের বংশধর।” উদ্ধৃতিটির সাথে আমি একমত।

প্রতিটি বহুকোষী প্রাণী একটি পুংজনন কোষ এবং একটি স্ত্রীজনন কোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট জাইগোট (একটি একক কোষ) থেকে পরিস্ফুটিত হয়। এই জাইগোট বিভাজিত হয়ে বহুকোষী প্রাণীর সৃষ্টি করে এবং এই বিভাজন সব প্রাণীতে একই রকম। যেসব পূর্ণাঙ্গ প্রাণী গঠনগত দিক থেকে সাদৃশ্যতা বহন করে, তাদের পরিস্ফুটন পদ্ধতিও অভিন্ন হয়। পরে বিভিন্ন গোষ্ঠীতে পরিস্ফুটনের ফলে সৃষ্ট অঙ্গের পরিণতি ভিন্ন হয়। এ বিভিন্নতা অনেকটা গাছের শাখা-প্রশাখা বিস্তারের মতো অগ্রসর হতে থাকে। বিজ্ঞানী কার্ল ভন বেয়ার বিভিন্ন প্রাণীর ভূণতত্ত্ব নিয়ে পরীক্ষা করে বলেছেন যে, একটি জীবের আদি ইতিহাস থাকে তার ভূণ দশায়। মাছ, উভচর, সরিসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ীর ভূণগুলোকে প্রথম অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক করা যায় না। অর্থাৎ সবাই সাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। পরিস্ফুটনের পরবর্তী পর্যায়ে প্রত্যেক শ্রেণির বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো উদ্ভূত হয়। একটি শিশু প্রাণীকে তার নিম্নস্তরের প্রাণিগোষ্ঠীর পূর্ণাঙ্গ দশার মতো নয় বরং শিশু বা ভূণীয় দশার মতো দেখায়। তাই স্তন্যপায়ী প্রাণীর ভূণীয় দশা অন্যান্য প্রাণীর মতো। পরবর্তীতে এরা জটিল বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়েছে। স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যগুলো চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বিজ্ঞানীগণ হৃৎপিণ্ডের এবং…’ সিলেট বোর্ড ২০১৭ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”