| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে দু’জন…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে দু’জন বিজ্ঞানের ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। একজন বংশগতির সূত্রাবলী আবিষ্কার করেন এবং অপরজন বিবর্তন সম্পর্কিত প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ প্রদান করেন।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ১১
মাসকুলার ডিসট্রফি (MD) একটি বংশগত রোগ যা শরীরের মাংসপেশীত প্রভাব ফেলে। পেশি জটিলতার কারনে ১০ বছর বয়সেই শিশুর চলনশক্তি লোপ পায়। প্রায় ২০ ধরনের মাসকুলার ডিসট্রফি আছে।
Archaeopteryx -এর মধ্যে সরীসৃপ ও পাখি উভয় শ্রেণীর কিছু বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতির জন্য একে সংযোগকারী যোগসূত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
Archaeopteryx -এ সরীসৃপ্রিয় বৈশিষ্ট্য
১.দেহ সরীসৃপের মতো লম্বা এবং শুষ্ক আঁশযুক্ত।
২.দেহ কঙ্কাল পুরু ও ভারি হাত দিয়ে গঠিত।
৩.ডানার অভ্যন্তরের নখর এবং চোয়ালে দাঁত বিদ্যমান। Archaeopteryx -এ পাখির বৈশিষ্ট্য
১.দেহের গঠন পাখির মত এবং লেজ ও ডানায় পালক বিদ্যমান।
২.দেহে হাড়ের সংস্থাপন পাখির মত।
৩.পাখির মত ডানা উপস্থিত এবং ঠোঁটচঞ্জুতে পরিবর্তিত হয়েছে।
Archaeopteryx এর জীবাশ্ম সরীসৃপ থেকে পাখিতে রুপান্তরিত হওয়ায় অনেক প্রমাণ বহন করে। এ কারণে বলা হয় পাখি একটি মহিমান্বিত সরীসৃপ।
উদ্দীপকের প্রথম উল্লিখিত বিজ্ঞানী হলো গ্রেগর জোহান মন্ডল। মেন্ডেল প্রদত্ত একটি বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মৌলিক সূত্রটি হলো মেন্ডেলের প্রথম সূত্র বা পৃথকীকরণ। নিচে তা ব্যাখ্যা দেওয়া হল।
ধরা যাক মটর গাছে লম্বা বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিন =T,খাটো বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিন=tপ্রথম সংকর পুরুষ F1জনু
দ্বিতীয় সংকর পুরুষ F2 জনু
যেহেতু জীবের এক জোড়া জিন একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। অতএব,বিশুদ্ধ লম্বা উদ্ভিদের জিনোটাইপ TT। বিশুদ্ধ খাটো উদ্ভিদের জিনোটাইপ tt।বিশুদ্ধ লম্পা ও খাটো উদ্ভিদের জনন কোষে যথাক্রমে T ওt জিন(একটি করে জিন )প্রবেশ করে। পুরুষ ও স্ত্রী জনন কোষের মিলনে F1 জনুর উদ্ভিদের জিনোটাইপ Tt.T জিন t জিনের ওপর প্রকর্ট তাই এদের ফিনোটাইপ লম্বা হয়। F1 জুনুর মধ্যে ক্রস ঘটালে দুই ধরনের গ্যামেট উৎপন্ন হবে। এতে কোনটিতে থাকবে T এবং কোনটিতে থাকবে t।উভয় উদ্ভিদের গ্যামেট গুলোর মিলন ঘটলে F2 জমিতে জিনোটাইপ এর অনুপাত হয় ১(TT):২(tt)আর ফিনোটাইপের অনুপাত দাঁড়ায় ৩লম্বা :১খাটো।
উদ্দীপকের শেষে উল্লেখিত বিজ্ঞান চার্লস রবার্ট ডারডাইন।রবার্ট ডাডাইন এর বিবর্তন সম্পর্কিত প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদটি গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতিত নয়। বিশ্লেষণ করা হলো :
যৌক্তিক দিক বা সফলতা:
১. ডারডাইনবাদের মূল বক্তব্য গুলো (যেমন -বংশবৃদ্ধির উচ্চাহার, জীবন সংগ্রাম ইত্যাদি) অনেকাংশেই বাস্তব।
২. বিবর্তনের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে অদ্যবধি যেসব প্রমাণ পাওয়া গেছে তা ডারডাইনবাদের সমর্থক।
৩. অতীতের অনেক বৃহদাকার জীব জীবন সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে প্রকৃতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
৪. অভিযোজন এর ব্যর্থ বহু প্রাণী ও উদ্ভিদের বিলুপ্তি ডারডাইনবাদের সমর্থন যোগায়।
৫. প্রকৃতিতে একই প্রজাতির দুটি জীব হুবহু এক রূপ নয়। এটাই প্রকৃতিতে প্রকরণের উপস্থিতি প্রমাণ করে।
অলৌকিক দিক বা দুর্বলতা:
১.জীবন সংগ্রামে যোগ্যতমের ঊর্ধ্বতনের কথা বলা হলেও, কিভাবে উপর যুক্ত প্রকনার উদ্ভব হয় সে কথা বলা হয়নি।
২.জীবজগতের সব নির্বাচন প্রাকৃতিক নির্বাচন নয়।
৩.প্রাকৃতিক নির্বাচন কোন জীবদেহে নিষ্ক্রিয় অঙ্গের উপস্থিতি ব্যাখ্যা করতে অপারগ।
৪.ডারডাইন যেকোনো ধরনের প্রকরণ বা পরিবৃত্তিতে বংশগত বলে মনে করতেন। কেবল জনন কোষের সংগঠিত প্রকরণ গুলোই বংশানুস্মরণযোগ্য।
৫.একই প্রজাতির বিভিন্ন সদস্যদের মধ্যে যে পার্থক্য দেখা যায় তা ভিত্তিতে নতুন প্রজাতির সৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম