A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘জীববিজ্ঞানের শিক্ষক আবদুল…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১১তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ১৭🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

জীববিজ্ঞানের শিক্ষক আবদুল কাদের সাহেব বংশগতির প্রধান উপাদান নিয়ে আলোচনা করার সময় বললেন এটি বংশগতির ধারক ও বাহক। তিনি আরও জানালেন এর অভ্যন্তরে অবস্থিত প্রধান উপাদানটি একটি এসিড যা অনুলিপন ক্ষমতা সম্পন্ন।

উত্তর:

ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্যান্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াই হচ্ছে পরাগায়ন।

উত্তর:

'Survival of the fittest' কথাটির অর্থ হলো 'যোগ্যতমের টিকে থাকা'। প্রতিটি জীবই তার নিজস্ব পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে। এ জন্য তাকে অভিযোজিত হতে হয়। এক্ষেত্রে দেখা যায় যারা অভিযোজিত হতে পারে না তারা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে না। অর্থাৎ যোগ্যতমের বিচারে দুর্বলরা পরিবেশ থেকে ধ্বংস হয়ে যাবে। অপরপক্ষে প্রকৃতিতে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী এমন কিছু অভিযোজনের অধিকারী হয়, যা তাদের বেঁচে থাকার জন্য বিশেষ সহায়ক। যেমন- মরুভূমিতে অনেক গাছ পানি সংরক্ষণ করার কৌশল শিখে নিয়েছে। যা তাদেরকে আগামীতে যেকোনো ধরনের প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সহায়তা করবে। কারণ প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য তারা যোগ্যতা অর্জন করেছে।

উত্তর:

উদ্দীপকের কাদের সাহেবের বর্ণনাকৃত দ্বিতীয় উপাদানটি হলো DNA। নিচে DNA-এর গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-

গাই উদ্দীপকে উল্লেখিত প্যাঁচানো সিঁড়ির মতো দেখতে মডেলটি হলো DNA ডাবল হেলিক্স মডেল। নিচে মডেলটির গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
DNA দ্বিসূত্রক, দুটি পলিনিউক্লিওটাইড সূত্র পরস্পরের সাথে লোহার সিঁড়ির মতো ডান দিকে প্যাঁচানো থেকে একটি ডাবল হেলিক্স গঠন করে। এ সিঁড়ির হাতল তৈরি হয় পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট শর্করা (ডি-অক্সিরাইবোজ), নাইট্রোজেনঘটিত বেস ও অজৈব ফসফেট দ্বারা। DNA-এর নাইট্রোজেন বেসগুলো হলো অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন ও সাইটোসিন। একটি সূত্রের অ্যাডিনিন অন্য সূত্রের থায়ামিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা (A = T) যুক্ত থাকে। আবার একটি সূত্রের গুয়ানিন অন্য সূত্রের সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা যুক্ত (G = C) থাকে। হেলিক্সের প্রতিটি পূর্ণ ঘূর্ণন ৩৪Å দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট। একটি পূর্ণ ঘূর্ণনের মধ্যে ১০টি নিউক্লিওটাইড থাকে। পার্শ্ববর্তী দুটি নিউক্লিওটাইডের দূরত্ব ৩,৪Å । DNA ডবল হেলিক্সের ব্যাস ২০Å ।

উত্তর:

উদ্দীপকে কাদের সাহেবের বর্ণনাকৃত বংশগতির প্রধান উপাদানটি হলো ক্রোমোজোম। মানবশিশুর লিঙ্গ নির্ধারণে ক্রোমোজোম তথা - সেক্স ক্রোমোজোমের ভূমিকাই মুখ্য। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

জীবের লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমকে সেক্স ক্রোমোজোম বলে।
সেক্স ক্রোমোজোম দুটি X এবং Y নামে পরিচিত। স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজোমই X ক্রোমোজোম অর্থাৎ XX
কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X এবং অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY। X এবং Y উভয় ধরনের সেক্স ক্রোমোজোমই আকৃতিতে লম্বা এবং রডের মতো তবে Y ক্রোমোজোম X ক্রোমোজোমের তুলনায় কিছুটা ছোট। স্ত্রীলোকদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু সৃষ্টির সময় যখন মিয়োসিস বিভাজন ঘটে তখন প্রতিটি ডিম্বাণু অন্যান্য ক্রোমোজোমের সাথে একটি X ক্রোমোজোম লাভ করে। অপরপক্ষে পুরুষে শুক্রাণু সৃষ্টির সময় অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে X এবং অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে Y ক্রোমোজোম লাভকরে। ডিম্বাণু পুরুষের X বা Y ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে পারে। ফলে জাইগোটটি দুটি X অথবা একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হতে পারে। দুটি X নিয়ে যে শিশু জন্মাবে সে হবে একটি মেয়ে অর্থাৎ XX আর যে শিশু একটি X এবং একটি Y অর্থাৎ XY নিয়ে জন্মাবে সে হবে একটি ছেলে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, ক্রোমোজোমই মানবশিশুর লিঙ্গ নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘জীববিজ্ঞানের শিক্ষক আবদুল…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”