A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষে…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার🔢 সৃজনশীল নং ৬৯🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষে চাকরি লাভের চেষ্টা না করে সোহেল ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে একটি এগ্রোফার্মে বিনিয়োগ করে। খামারে হাঁস-মুরগি পালন, গবাদি পশুপালন ও মাছ চাষ করে। সে কিছু জমিতে ঘাসেরও চাষ করে। অল্প কয়েক মাসের মধ্যে সে যথেষ্ট উন্নতি করে এবং লাভের মুখ দেখে। লভ্যাংশ থেকে সে নির্ধারিত হারে সরকারকে আয়কর প্রদান করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সরকারের অঙ্গ তিনটি। যথা- ১. আইন বিভাগ, ২. শাসন বিভাগ ও ৩. বিচার বিভাগ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আইনসভা যখন দুটি পরিষদ নিয়ে গঠিত হয় তখন তাকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বলে। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার একটি নিম্নকক্ষ এবং অন্যটি উচ্চকক্ষ নামে অভিহিত। উভয় কক্ষের সদস্যসংখ্যা কত হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে নিম্নকক্ষের সদস্যরা সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন। আর উচ্চকক্ষের সদস্যরা বিভিন্নভাবে উচ্চকক্ষে আসেন। যেমন- ১. উত্তরাধিকারসূত্রে, ২. মনোনয়নের মাধ্যমে, ৩. প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে এবং ৪. পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পাঠ্যবইয়ের আলোকে সোহেলের কর্তব্যের ধরনটি হলো অর্থনৈতিক কতব্য।
নাগরিকের কর্তব্য হলো রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা। প্রতিটি নাগরিকেরই রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা, কর প্রদান, জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা, সঠিকভাবে ভোটপ্রদান এবং দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা উচিত। এই কর্তব্যগুলো শুধু আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়, বরং নৈতিক দায়িত্বও বটে। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে রাষ্ট্রে শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।
উদ্দীপকে সোহেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে একটি এগ্রোফার্ম গড়ে তোলে। সেখানে হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু ও মাছ চাষের পাশাপাশি ঘাস উৎপাদন করে সে স্বনির্ভর হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে সোহেল তার অর্থনৈতিক কর্তব্য পালন করেছে, যা দেশের উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে সহায়ক। এছাড়া সে তার আয়ের অংশ থেকে নিয়মিত সরকারকে আয়কর প্রদান করে, যা একজন নাগরিকের আইনগত কর্তব্যের অংশ। সোহেলের মতো একজন দায়িত্বশীল নাগরিক দেশের অর্থনৈতিক কর্তব্য পালনের মাধ্যমে সহজেই দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। কেননা, দেশের উন্নয়নে যে ব্যয় হয় তার বেশিরভাগ আসে নাগরিকের অর্থনৈতিক কর্তব্য পালনের মাধ্যমে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"সোহেলের এ ধরনের কার্যক্রমের ফলে রাষ্ট্রের উন্নতি ত্বরান্বিত হবে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে শুধু সরকারের পক্ষ থেকেই নয়, বরং নাগরিকদেরও তাদের কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করতে হয়। নাগরিকরা তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে রাষ্ট্রের অগ্রগতি অনেকাংশেই ত্বরান্বিত হয়। একজন সৎ, পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল নাগরিক রাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

উদ্দীপকের সোহেল বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করে চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে নিজেই উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছে। সে হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু ও মাছ চাষের মতো কৃষিনির্ভর উৎপাদনমূলক খাতে বিনিয়োগ করেছে এবং ঘাসের চাষ করেও প্রাণিসম্পদ খাতকে সহায়তা করেছে। এর ফলে শুধু নিজের কর্মসংস্থান নয়, বরং অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অর্থনীতির প্রবাহে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সে - দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তদুপরি, সে আয়কর প্রদান করে রাষ্ট্রের রাজস্ব ভান্ডার সমৃদ্ধ করছে, যা রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহার হয়। আমরা জানি, নাগরিক কর্তব্যের -মধ্যে আয়কর প্রদান একটি অন্যতম আইনগত ও অর্থনৈতিক কর্তব্য। সোহেল তা যথাযথভাবে পালন করে একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তার উদ্যোগ দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়, বেকারত্ব কমায় এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, যা রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।

সুতরাং বলা যায়, সোহেলের এই অর্থনৈতিক দায়িত্বশীলতা নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে একটি কার্যকর পদক্ষেপ। তার মতো নাগরিকরা যদি এরূপ দায়িত্বশীলতার পরিচা দেয়, তবে রাষ্ট্রের উন্নয়ন শুধু দ্রুততরই হবে না, বরং তা টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়নে রূপ নেবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষে…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”