A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বইয়ের পাতায় প্রদীপ…’ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৫ম অধ্যায় : বই পড়া - প্রমথ চৌধুরী🔢 সৃজনশীল নং: ২৪🏢 প্রতিষ্ঠান: মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

বইয়ের পাতায় প্রদীপ জ্বলে

বইয়ের পাতা স্বপ্ন বলে। 

যে-বই জুড়ে সূর্য ওঠে

পাতায় পাতায় গোলাপ ফোটে 

সে বই তুমি পড়বে।

উত্তর:

"সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত”- উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর।

উত্তর:

সাহিত্যচর্চা যে শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই কারণ সাহিত্যের মধ্যেই পুরো মনটার সাক্ষাৎ পাওয়া যায়।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ বলেছেন। কারণ সাহিত্য মানুষের মনকে সরল, সরাগ ও সমৃদ্ধ করে তোলে। সাহিত্যের জন্ম হয়েছে দর্শন, বিজ্ঞান, ধর্মনীতি, অনুরাগ-বিরাগ, আশা-নৈরাশ্য প্রভৃতির সমবায়ে। মূলত অন্যান্য শাস্ত্রে যা আছে তা মনের ভগ্নাংশ কেবল, পুরো মনের সাক্ষাৎ সাহিত্যেই পাওয়া যায়। তাই লেখক সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ বলেছেন।

উত্তর:

উদ্দীপকটি 'বই পড়া' প্রবন্ধের বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্যের দিকটির প্রতি আলোকপাত করেছে।
'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্যের দিক তুলে ধরেছেন। জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বই পড়া, জ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার কোনো বিকল্প নেই। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ নানা বিষয় জানতে পারে এবং নিজেকে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারে।
উদ্দীপকে বইয়ের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মানুষ প্রদীপের আলো পায় এবং নিজের স্বপ্ন গড়ে নিতে পারে। মূলত ভালো বই পড়ার মাধ্যমে নিজেকে সুসম্পূর্ণ করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে উদ্দীপকটি। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও লেখক বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেছেন। বই পড়ার মাধ্যমেই মানুষ একজন যথার্থ শিক্ষিত হয়ে ওঠে। মূলত প্রবন্ধে বর্ণিত বই পড়ে নিজেকে সম্পূর্ণ করার দিকটিই উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে, যা বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্যের দিকটির ইঙ্গিত দেয়। এভাবেই উদ্দীপকটি 'বই পড়া' প্রবন্ধের বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্যের দিকটির প্রতি আলোকপাত করেছে।

উত্তর:

বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য উঠে আসায় উদ্দীপটি 'বই পড়া' প্রবন্ধের মূল সুরকে ধারণ করতে পেরেছে বলে আমি মনে করি।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ওঠে। প্রবন্ধটি আমাদের এই শিক্ষাই দেয় যে, জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বই পড়া, জ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার কোনো বিকল্প নেই।
উদ্দীপকের কবিতাংশে বই পড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সেখানে মূলত বই পড়ার গুরুত্বই উঠে এসেছে। বইয়ের পাতায় প্রদীপ জ্বলে, আবার বইয়ের পাতাই মানুষের স্বপ্নের কথা বলে। উদ্দীপকের কবি আসলে বই পড়ার কথাই বলেছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধের মূল সুর আসলে এটাই।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক স্বেচ্ছায় বই পড়ার কথা বলেছেন। প্রসঙ্গত তিনি দেশে চলমান শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। আবার স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য তিনি লাইব্রেরির গুরুত্বও আলোচনা করেছেন। তাঁর সকল আলোচনার মূল হলো বই পড়ার গুরুত্ব উপলব্ধি করা, যা উদ্দীপকের কবিতাংশের মূল সুর। তাই বলা যায়, উদ্দীপটি 'বই পড়া' প্রবন্ধের মূল সুরকে ধারণ করতে পেরেছে।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বইয়ের পাতায় প্রদীপ…’ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”