A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বৃষ্টি, বৃষ্টি আর…’ a – কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ২৫তম অধ্যায় — কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ🔢 সৃজনশীল নং ৪🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বৃষ্টি, বৃষ্টি আর বৃষ্টি। সারাটা বিকেল বৃষ্টি হলো। সারা রাত চললো তার একটানা ঝপঝপ ঝনঝন শব্দ। সকালেও তার বিরাম নেই। প্রতি বছর এ সময়ে শ্রাবণ মাসের ‘ডাত্তর’। কেউ কেউ বলে বুড়ো বুড়ির ‘ডাত্তর’। এই ডাত্তরের আয়ুষ্কাল পনের দিন। এই পনের দিন একটানা ঝড় বৃষ্টি হবে। জোরে বাতাস বইবে। বাতাস যদি বেশি থাকে আর অমাবস্যা কি পূর্ণিমার জোয়ারের যদি নাগাল পায় তাহলে সর্বনাশ। নির্ঘাত বন্যা!

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কপিলদাস মুর্মু শেষ পর্যন্ত জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামের এক আপসহীন যোদ্ধা হয়ে ওঠে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের টাঙনের পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় এর স্রোতে শীতের শান্ত ভাবটা সব সময় ধরা থাকে।

➤ নদীতে পানি বেশি থাকলে এর স্রোতেও তীব্রতা দেখা যায়। আর পানির পরিমাণ কমে গেলে সেই নদী হয়ে পড়ে শান্ত ও স্থবির। টাঙনের অবস্থাও এমনই হয়েছে। পানি কমে যাওয়ায় বাতাস উঠলে এখন এর পানিতে কাঁপন লাগে না। সাঁকোর ওপর দিয়ে চিনি কলের ভারী আখ বওয়া ট্রাকগুলো যাওয়ার সময় পানির স্রোত কাঁপে না, সাঁকোর থামগুলো গুমগুম শব্দ করে উঠলেও পানির স্রোত তেমনই ধীর ও শান্ত থাকে। এই কারণেই টাঙনের স্রোতে শীতের শান্ত ভাবটা সব সময় ধরা থাকে। 

সারকথা: টাঙনের পানির স্তর অনেক নিচে থাকায় ওই নদীতে স্রোত নেই। ফলে তাতে শীতের শান্ত ভাব সব সময় ধরা থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের শুরুর দিককার শীতের শান্ত ভাবটির সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।

➤ বাংলাদেশ আষাঢ় ও শ্রাবণ বর্ষাকাল। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে নদী-নালা, খাল-বিল ভরে ওঠে। আবার শীতকালে বৃষ্টি থাকে না। তখন নদ-নদীর পানির স্তর একেবারে নিচে নেমে যায়। তাতে শান্ত ভাব দেখা যায়।

➤ উদ্দীপকে সারা বিকেল ধরে বৃষ্টি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই বৃষ্টি সারা রাত একটানা ঝপঝপ ঝনঝন শব্দে চলে। একটানা পনেরো দিন ঝড়-বৃষ্টি ও জোরে বাতাস বয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। আবার অমাবস্যা কি পূর্ণিমার জোয়ার হলে বন্যা দেখা দিতে পারে। এমন বিষয় উদ্দীপকে তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে বৃষ্টির পরিবর্তে শীতের শার ভাব লক্ষ করা যায়। কারণ শীতের সময় টাঙন নদীতে পানি কম, তাই বাতাস উঠলেও সেখানে পানিতে কাঁপন লাগে না। এই গল্পে আসমান ও দিগন্তজুড়ে শীতের যে শান্ত ভাবের প্রসঙ্গ গল্পটিতে ফুটে উঠেছে তা উদ্দীপকের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। 

সারকথা: উদ্দীপকে বর্ষা ঋতুর যে বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে, তা গল্পে প্রকৃতিতে শীতের শান্ত ভাবের বিপরীত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "উদ্দীপকের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূল চেতনা নয়।" মন্তব্যটি যথার্থ।

➤ আমাদের সমাজে মানবিক ও অমানবিক উভয় শ্রেণির মানুষ দেখা যায়। যারা অন্যায় আচরণ করে অসহায় মানুষকে ঠকায় তাদের বিরুদ্ধে মানবিক চেতনাধারী মানুষেরা রুখে দাঁড়ায় এবং অসহায় মানুষদের রক্ষা করে।

➤ উদ্দীপকে বর্ষকালের বৃষ্টিময় প্রকৃতির চিত্র বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে সারা রাত বৃষ্টি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সকালেও তার বিরাম নেই। উদ্দীপকের এই বৃষ্টিপূর্ণ পরিস্থিতির সম্পূর্ণ বিপরীত প্রকৃতি দেখা যায় 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের শুরুতে। গল্পে শীতের শান্ত ভাবের কথা বলা হয়েছে। এই গল্পের মূল চেতনা এটি নয়। গল্পটির মূল চেতনাটি হলো কপিলদাস মুর্মু নামের এক বৃদ্ধের স্বজাতির অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। সাঁওতালদের নিজেদের বসতবাটি থেকে উম্মলিত হওয়ার আশঙ্কা যখন তীব্রতর রূপ ধারণ করে তখন বয়সের ভারে ঝিমিয়ে পড়া, অন্য সবার কাছে অপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বহীন মানুষ কপিলদাস মুর্মু অসীম সাহস নিয়ে উদ্দীপিত হয়ে ওঠে।

➤ 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে তরুণদের ভয় ও দ্বিধাকে অমূলক প্রমাণিত করে সে একাই তির-ধনুক নিয়ে আত্মত্যাগী সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একের পর এক তির তার হাত থেকে ছুটতে থাকে শত্রুদের লক্ষ্য করে। কপিলদাসের মাধ্যমে জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার এই সংগ্রামী চেতনাটিই এই গল্পের মূল চেতনা, যা উদ্দীপকে প্রতিফল্ভি হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। 

সারকথা: 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূল চেতনা হলো জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম যা। উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বৃষ্টি, বৃষ্টি আর…’ a – কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”