A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৩ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২০তম অধ্যায় — ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯🔢 সৃজনশীল নং ৬🏫 বোর্ড বরিশাল বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষীদের দিয়ে জোর করে নীলচাষ করাতো। চাষীদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীলচাষ করানো হতো। নীলচাষে বাধ্য হওয়ায় চাষীরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতো না। নীলচাষ করতে অপারগ হলে চাষীদের ওপর নেমে আসতো নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক- আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'ফেব্রুয়ারি-১৯৬৯' কবিতায় শহরের পথে থরে থরে কৃষ্ণচূড়া ফুটেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

“এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং” বলতে প্রতিবাদ বা গণজাগরণের কথা বলা হয়েছে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন ও অত্যাচার চালায়। তারা সে সময়ের পূর্ববঙ্গের মানুষকে পুতুলের মতো ব্যবহার করতে থাকে। চারদিকে হত্যা, সন্ত্রাস ও লুণ্ঠন জনজীবনে আতঙ্ক তৈরি করে। এর প্রতিবাদে এদেশের সাধারন মানুষ ক্ষুদ্ব হয়ে ওঠে। এ কথা বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের বিষ্ণু ও কাদের মোল্লা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় সংগ্রামী নেতা সালাম ও বরকতের কথা মনে করিয়ে দেয়।

উদ্দীপকের বিষ্ণুচরণ ও কাদের মোল্লা অত্যাচারী নীলচাষীদের বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ করে তোলেন। বাংলার নীল চাষীদের জোর করে নীল চাষ করানো, নামে মাত্র দাদন দেওয়া, চাষীদের অপারগতায় তাদের উপর অত্যাচার প্রভৃতি নানা কারণেই বাংলার কৃষক সমাজ নীল চাষীদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। ফলে গড়ে ওঠে তীব্র আন্দোলন। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কৃষক বিষ্ণুচরণ ও কাদের মোল্লা।

নীলচাষীদের এই সংগ্রামী চেতনা 'ফেব্রুয়ারি-১৯৬৯' কবিতায় প্রতিফলিত আন্দোলন ও সংগ্রামী চেতনার সঙ্গে এক সূত্রে গাঁথা পরে। আমাদের সালাম ও বরকতের কথা মনে করিয়ে দেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

“উদ্দীপক এবং ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য" - মন্তব্যটি যথার্থ।

সংগ্রাম বাংলার মানুষের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। কারণ শোষকের হাত থেকে মুক্তির জন্য বাঙালি জাতি যুগে যুগে সংগ্রাম করেছে। ১৮৬০ সালে নীলচাষীদের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে, ১৯৫২ সালে বাঙালি ভাষার জন্য সংগ্রাম করেছে, ১৯৭১ সালে সে সংগ্রাম করেছে দেশকে স্বাধীন করার জন্য।

"ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বাঙালি জাতির এই সংগ্রামী জীবনের পরিচয় পাওয়া যায়। অত্যাচারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে বাংলা মানুষ আন্দোলন শুরু করে। পরে তা গণআন্দোলনে রূপ নেয়। কারখানার শ্রমিক মাঠের কৃষক মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত কেরানী নারী বৃদ্ধ সবাই তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সমবেত হয়েছিল। তাদের জাগরণ ও আন্দোলনে পথশিশুরাও যোগ দিয়েছিল। অবশেষে এদেশের সংগ্রামী মানুষের আত্মাহুতির মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে।

উদ্দীপকেও বাঙালির এই সংগ্রামী জীবনচেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষীদের দিয়ে জোর করে নীলচাষ করাতো। চাষীদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীলচাষ করানো হতো। নীলচাষে বাধ্য হওয়ায় চাষীরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতো না। নীলচাষ করতে অপারগ হলে চাষীদের ওপর নেমে আসতো নির্মম অত্যাচার। এ কারণে সারা দেশে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ।

উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বাঙালির সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে বলা হয়েছে। অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বাঙালির দৃঢ়তা উভয় স্থানেই এক অনবদ্য শিল্পরূপ পেয়েছে। প্রতিবাদী চেতনায় বাঙালির যে স্বতন্ত্র অবস্থান তারই শিল্পভাষা উদ্দীপক ও আলোচা কবিতা। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৩ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”