A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির…’ হলিক্রস কলেজ ২০২৬ – ই, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন🔢 সৃজনশীল নং ২৭🏢 প্রতিষ্ঠান হলিক্রস কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফলে পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে অন্য প্রান্তে কী ঘটছে তা জানা যাচ্ছে। ঢাকায় বসে লন্ডনে ছোট ভাইয়ের সাথে কথা বলছে, মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে খবর আদান-প্রদান হচ্ছে। ঘরে বসে ভালো প্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফরম পূরণ করে ভর্তি হচ্ছে, ব্লগে লিখে চিন্তা-চেতনা জানিয়ে দিচ্ছে। সারা পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখছে। ঘরে বসে জনগণ সরকারের কাছ থেকে সেবা ও বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ই-গভর্নেন্স বলতে এমন একটি ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণকে অতি সহজে ও দ্রুত সরকারের বিভিন্ন সেবা ও তথ্য সরবরাহ করা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের নিকাট পৌছানোকে ই-গভর্নেন্স বলে।

ই-গভর্নেন্সের প্রধান উদ্দেশ্য হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সেবা ও তথ্যসমূহ জনসাধারণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এর আরেকটি উদ্দেশ্য হলো তথ্যভিত্তিক সমাজ গঠন করে জনগণকে সকারি কর্যক্রমে সম্পৃক্ত করা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ঘরে বসে পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখছে' বলতে মূলত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (ICT) বৈপ্লবিক ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বায়নের প্রভাব ও বিশ্বগ্রামের ধারণাকে বোঝানো হয়েছে।

বর্তমান বিশ্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজতর করেছে। ইন্টারনেট, স্মার্টফোন এবং কম্পিউটারের মাধ্যমে মানুষ এখন ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে। এটি কেবল ব্যক্তিগত যোগাযোগ নয়, বরং শিক্ষা, চিকিৎসা এবং সরকারি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ঢাকায় বসে লন্ডনে কথা বলা, মোবাইলে বার্তা আদান-প্রদান এবং ব্লগে নিজের মতামত প্রকাশ করার মাধ্যমে মানুষ বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত থাকছে। ঘরে বসে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফরম পূরণ করা এবং সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবা ও তথ্য গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে ইন্টারনেটের কল্যাণে। এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের ফলে পৃথিবী এখন একটি 'গ্লোবাল ভিলেজ' বা বিশ্বগ্রামে পরিণত হয়েছে। মানুষ এখন আর নির্দিষ্ট কোনো স্থানে সীমাবদ্ধ নেই, বরং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের জ্ঞান ও তথ্যের ভাণ্ডারে প্রবেশ করতে পারছে। উদ্দীপকের এই চিত্রটি মূলত আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির জয়যাত্রাকেই নির্দেশ করে, যা মানুষকে ঘরে বসেই বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলছে এবং বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিচ্ছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জনগণের কল্যাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে আমি মনে করি।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন একটি দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করে। বিশেষ করে ই-গভর্নেন্সের বা ইলেকট্রনিক গভর্নেন্সের মাধ্যমে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং গতিশীলতা নিশ্চিত হয়। এটি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘব করে এবং রাষ্ট্রীয় সেবাকে সহজলভ্য করে তোলে। প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হওয়ায় নাগরিকরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাগুলো যেমন-মোবাইলে বার্তা পাঠানো, অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং ঘরে বসে সরকারি সেবা পাওয়া- সবই, প্রযুক্তির কল্যাণকর দিক। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্ত সেবা পাচ্ছে। উদ্দীপকের এই চিত্রটি প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তি কীভাবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ ও উন্নত করেছে এবং রাষ্ট্রীয় সেবাকে জনগণের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে।

পরিশেষে বলা যায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার একটি সমৃদ্ধ ও ডিজিটাল রাষ্ট্র গঠনে অপরিহার্য। এটি কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তবে এই প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল বিভাজন দূর করা এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। উদ্দীপকের আলোকে এটি স্পষ্ট যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জনগণের সার্বিক কল্যাণে এবং একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভূমিকা পালন করছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির…’ হলিক্রস কলেজ ২০২৬ – ই, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”