A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বর্তমানে মনির সাহেব…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৬৮🏢 প্রতিষ্ঠান ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বর্তমানে মনির সাহেব চর্বিযুক্ত খাসির মাংস খেতে পছন্দ করে। কিন্তু অতিরিক্ত চর্বি শরীরে স্থূলতা সৃষ্টি করে যা শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ঝুঁকি বাড়ায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরে আঙুলের মতো প্রবর্ধক বা অভিক্ষেপ থাকে, এদের ভিলাই বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পিত্তরসে অবস্থিত পিত্ত লবণ-এর প্রভাবে চর্বির ক্ষুদ্র বিন্দুগুলো ভেঙে অতিক্ষুদ্র কণায় পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো ইমালসিফিকেশন। পিত্তলবণ ফ্যাট পরিপাককারী এনজাইম লাইপেজকে সক্রিয় করে স্নেহজাতীয় খাদ্যের ইমালসিফিকেশন ঘটিয়ে ফ্যাট পরিপাকে সহায়তা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত খাদ্যটি হলো খাসির মাংস যা আমিষ জাতীয় খাদ্য। নিচে আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক পাকস্থলিতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়। মুখবিবরের লালারসে আমিষ পরিপাককারী এনজাইম না থাকায় মুখবিবরে আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক ঘটে না। বরং খাদ্য চিবানোর সময় লালারস মিশে খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে।
পাকস্থলিতে পাচকরসের পেপসিনোজেন, নামক নিষ্ক্রিয় প্রোটিওলাইটিক জাইমোজেন HCI-এর উদ্দীপনায় সক্রিয় হয়ে পেপসিন নামক সক্রিয় উৎসেচকে পরিণত হয়। পেপসিন অম্লীয় মাধ্যমে জটিল আমিষকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করে প্রোটিওজ ও পেপটোনে পরিণত করে। এ অপরিপাককৃত খাদ্য অম্লীয় কাইমে পরিণত হয় এবং ধীরে ধীরে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। ডিওডেনামের ক্ষারীয় মাধ্যমে এন্টারোকাইনেজ নামক উৎসেচকের প্রভাবে আন্ত্রিক রস ও অগ্ন্যাশয় রসের নিষ্ক্রিয় প্রোটিওলাইটিক জাইমোজেন ট্রিপসিনোজেন সক্রিয় এনজাইম 'ট্রিপসিনে পরিণত হয়। ট্রিপসিন প্রোটিওজ ও পেপটোন নামক আমিষকে ভেঙে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডাইপেপটাইডে পরিণত করে। এরপর খাদ্য ইলিয়ামে প্রবেশ করে। ইলিয়ামে প্রায় পরিপাককৃত খাবার পৌঁছালে এর প্রাচীর থেকে এন্টেরোক্রিনিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়। এর প্রভাবে ইলিয়ামের প্রাচীর থেকে নিঃসৃত ইরেপসিন নামক সক্রিয় প্রোটিওলাইটিক উৎসেচক ডাইপেপটাইড সমূহকে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। ইলিয়ামের ভিলাইসমূহ কর্তৃক অ্যামিনো অ্যাসিড শোষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত সমস্যাটি হলো স্থূলতা। নিচে স্থূলতার কারণ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হলো-

স্থূলতার কারণ:
১. খাদ্যাভ্যাস : অতিরিক্ত চর্বি ও ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করা অতিরিক্ত ফাস্টফুড খাওয়া, স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অধিক খাওয়া, তরল পানীয় পান করা।
২. জীবনযাত্রা প্রণালী: অলস জীবন যাপন করা, কায়িক পরিশ্রম না করা, ডেস্ক জব করা।
৩. শিক্ষার অভাব: স্থূলতার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে না জানা, ভালো খাদ্য সম্পর্কে জ্ঞান না থাকা, বাচ্চাদের মাত্রাতিরিক্ত খাওয়ানো, খাবারের প্রতি আকর্ষণ।
৪. নিদ্রাহীনতা: রাতে সাত ঘণ্টার কম ঘুম। কারণ ঘুম কম হলে খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় অতিরিক্ত ক্ষুধা থেকে।
৫. ওষুধ সেবন: কিছু ওষধ, যেমন- স্টেরয়েড, বিষন্নতা ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ নিয়মিত সেবনে স্থূলতার প্রবণতা দেখা যায়।
৬. জিনগত সমস্যা: পারিবারিক হিস্ট্রি ও জিনগত সমস্যার কারণে স্থূলতা দেখা দেয়।

প্রতিকার ব্যবস্থা:
১. নিয়মিত ব্যায়াম: সপ্তাহে অন্তত ১৫০ – ২৫০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা সাঁতার কাটার অভ্যাস করতে হবে।
২. স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যগ্রহণ: কম ক্যালরি ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল, সবজি ও গোটা শস্য দানা গ্রহণ করতে হবে।
৩. খাদ্য নিয়ন্ত্রণ চর্বিময় খাবার, মিষ্টিসমৃদ্ধ আহার গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। অ্যালকোহল গ্রহণ নিষিদ্ধ করতে হবে।
৪. লোভনীয় খাবার পরিহার: লোভনীয় খাবারের দিকে হাত বাড়ানো ঠিক নয়। তৈলাক্ত ফাস্টফুড জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।
৫. দেহের ওজন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা: প্রতি মাসে নিয়মিত অন্তত একবার নিজের ওজন মেপে দেখতে হবে রুটিন অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণের প্রভাব কতখানি সফল হয়েছে।
৬. চিকিৎসা : ক্ষুধা কমানোর কিংবা চর্বি শোষণ রোধ করে এমন ওষুধ সেবন করে স্থূলতা প্রতিরোধ করা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বর্তমানে মনির সাহেব…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”