A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বর্তমানে নব্য কবি-লেখকদের…’ a – সাহিত্যে খেলা, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — সাহিত্যে খেলা🔢 সৃজনশীল নং ৪🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বর্তমানে নব্য কবি-লেখকদের হিড়িক পড়ে গেছে বাজারে। যেহেতু কবিসাহিত্যিকরা মানুষের কাছে শ্রদ্ধা ও সম্মানের পাত্র, তাঁদের সুনাম জগৎজোড়া, তাই অনেকেই এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না। সাহিত্যকে না বুঝে সাহিত্যের মর্মে প্রবেশ না করে কিছু একটা লিখেই নামের আগে গর্বিতভাবে কবিসাহিত্যিক যোগ করে থাকেন। তার পরে সাহিত্যচর্চার বদলে দু-একটা বই বগলে করে কবিসাহিত্যিক পদবির প্রচার ঘটাতেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অথচ সাহিত্যের যারা সত্যিকারের সাধক, প্রকৃত বিজয়মাল্য তাদের গলায়ই শোভা পায়, বেশধারী সাহিত্যিকদের গলায় নয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকার নাম 'সবুজপত্র'।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "কারও মনোরঞ্জন করা সাহিত্যের কাজ নয়।"- কথাটি দ্বারা সাহিত্যের গাম্ভীর্যকে বোঝানো হয়েছে।

➤ সাহিত্য রচিত হয় সাহিত্যিকের নিজের মনের আনন্দ থেকে। এই আনন্দ পাঠকমনেও সঞ্চারিত হয়। পাঠকও সাহিত্য পড়ে আনন্দই লাভ করবে। তৃষিত মনই সাহিত্য গ্রহণ করবে আনন্দের জন্য। কিন্তু সাহিত্যিক নিজের আনন্দকে বিসর্জন দিয়ে মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য রচনা করলে তা উত্তম সাহিত্য হবে না। কারণ সাহিত্য মানুষকে আনন্দদান করে, মনোরঞ্জন করে না। এ কারণেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। 

সারকথা: সাহিত্য হলো মনের আনন্দের আকর। কিন্তু মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য সন্তা সাহিত্য মূলত সাহিত্য নয়। কারণ সাহিত্য মানুষের মনোরঞ্জনের দায়িত্ব নেয়নি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ নাম প্রচারের জন্য সাহিত্য রচনার সমালোচনার দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।

➤ সাহিত্য রচনা করতে চাইলে সাহিত্যের উদ্দেশ্য ও প্রকৃতি সম্বন্ধে ধারণা থাকতে হবে। কারও মনোরঞ্জনের আশায় সাহিত্য রচনা করলে তা সফল হয় না।

➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে উদ্দীপকের বিষয় সম্পর্কিত আলোচনা রয়েছে। কবি-সাহিত্যিক মাত্রই মানুষের প্রশংসা কুড়ানোর আশা পোষণ করেন। একথা সত্য। এখানে হাততালি পাওয়ার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। কবিমনের কাজ হচ্ছে বিশ্বমানবতার সম্পর্কে কবিতার রূপরেখার সাদৃশ্য ঘটানো, মনের নিঃসৃত কথামালা সেটা ঘটাতে সাহায্য করে। সেই রূপরেখা সাবলীল গতিতে সাধারণ্যের হৃদয় স্পর্শ করে। সাহিত্য জগতে যারা খেলা করার ক্ষমতা রাখেন মনের সৃজনীশক্তি দ্বারা, মূলত হাততালি তাঁদের ভাগ্যেই জোটে। কিন্তু যারা সাহিত্যের জগতে খেলা করার সাহস রাখে না তারা কখনোই হাততালির ভাগীদার হয় না। উদ্দীপকেও এই কথাগুলো হুবহু উচ্চারিত হয়েছে। এদিক দিয়েই উদ্দীপক ও প্রবন্ধের মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। 

সারকথা: উদ্দীপকে নাম প্রচারের জন্য সাহিত্য রচনা করার সমালোচনার দিকটি ইঙ্গিতপূর্ণ করা হয়েছে এবং আলোচ্য প্রবন্ধেও মনোরঞ্জনের জন্য রচনাকারী সাহিত্যিকদের সমালোচনা করা হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "সাহিত্যের যারা সত্যিকারের সাধক, প্রকৃত বিজয়মাল্য তাঁদের গলায়ই শোভা পায়, বেশধারী সাহিত্যিকদের গলায় নয়।" মন্তব্যটি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবেরই নামান্তর মন্তব্যটি যথার্থ।

➤ সাহিত্যের কাজ হলো ব্যক্তিমনের সঙ্গে বিশ্ব জগৎকে সম্পৃক্ত করা। সাহিত্য তার আবেদন তখনই হারায় যখন সেখানে। সাহিত্যিকের উদ্দেশ্য যুক্ত হয়। সাহিত্য তখনই প্রকৃত সাহিত্য হয়ে ওঠে যখন তা মনের আনন্দের জন্য রচিত হয়।

➤ উদ্দীপকে বর্তমান যুগের বেশধারী নব্য সাহিত্যিকদের পরিচয় পাওয়া যায়। এসব নব্য সাহিত্যিকের আগমনের কারণ হলো নাম ফুটিয়ে তোলা। সাহিত্যকে না বুঝে, সাহিত্যের মর্ম অনুধাবন না করে, তারা সস্তা দরের ভাব দ্বারা দু-এক ছত্র লিখেই তা প্রকাশ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। প্রকাশিত বই বগলে নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়ে নিজের নামের পূর্বে 'সাহিত্যিক' পদবি প্রচার করার জন্য।

➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্যিকদের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। সাহিত্য হচ্ছে মনের নিঃসৃত কথামালার সুরম্য গাঁথুনি। মনের আনন্দেই তা ফুটে ওঠে কলমের কালিতে। যাঁরা সাহিত্যের অঙ্গনে খেলা করার সৃজনীশক্তি ও সাহস ধারণ করেন, তাঁদের সাহিত্য মানুষের হৃদয়ে স্পর্শ করে আলতোভাবে। তাঁরাই পায় শত প্রশংসার বাণী। কিন্তু যারা প্রশংসার জন্যই সাহিত্য রচনার বৃথা আস্ফালন করে, হাততালি তাদের ভাগ্যে না জুটলেও দুর্নাম জুটতে সময় লাগে না। উদ্দীপকের বক্তব্যও যেন এই বক্তব্যেরই প্রতিচ্ছবি। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। 

সারকথা: উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের নিরিখে বলা যায় যে, যারা সাহিত্যের প্রকৃত পূজারি, তাদের গলাতেই সম্মানের জয়মাল্য ওঠে। আর যারা জয়মাল্য ও হাততালির লোভে সাহিত্যের চাদর ধরে টানে, তারা না পায় সম্মান, নাপায় মানুষের হাততালি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বর্তমানে নব্য কবি-লেখকদের…’ a – সাহিত্যে খেলা, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”