| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘C [ঘাস ⭢…’ a – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

C [ঘাস ⭢ ফড়িং ⭢ ব্যাঙ ⭢ বাজপাখি]
D [জীব ⭢ জীববৈচিত্র্য।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১২
অনেকগুলো হাইফি একত্রে কোনো ছত্রাক দেহ গঠন করলে তাকে মাইসেলিয়াম বলে।
সামান্য' কিছু প্রজাতি ব্যতীত অন্যান্য মসের প্রজাতিসমূহ আর্দ্র স্থলজ পরিবেশে জন্মে থাকে। স্থলজ পরিবেশে জন্মালেও এদের জীবনচক্রের একটি বিশেষ ধাপ পানির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ এদের যৌন জননের জন্য পানির উপস্থিতি একান্তই প্রয়োজন। জীবনচক্র সম্পন্ন করার সময় এদের শুক্রাণু পানিতে সাঁতার কেটে ডিম্বাণুর নিকট উপস্থিত হয় এবং পানির উপস্থিতিতে নিষেক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এরা জলজ উদ্ভিদের ন্যায় পানি শোষণ করে এবং এদের দেহে জলজ উদ্ভিদের ন্যায় বায়ুরন্দ্র বিদ্যমান। এজন্য মসকে উভচর উদ্ভিদ বলা হয়।
উদ্দীপকে 'C' হলো যথাক্রমে ঘাস ⭢ ফড়িং ⭢ ব্যাঙ ⭢ বাজপাখি । নিচে শক্তি পরামিডের বর্ণনা দেওয়া হলো-
ইকোসিস্টেমের খাদ্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন পুষ্টি স্তরে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ও সময়ে যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহৃত হয়, সেই অনুযায়ী যে পিরামিড তৈরি হয় তাকে শক্তির পিরামিড বলে। উৎপাদক থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ খাদক স্তর পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে যেমন শক্তিবাহিত হয় তেমনি অপচয়ও হয় প্রচুর। এখানে ঘাস হচ্ছে উৎপাদক যা শক্তি উৎপন্ন করে। ঘাসফড়িং হচ্ছে ১ম শ্রেণির খাদক যা উৎপাদক ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকে। ব্যাঙ হলো ২য় শ্রেণির খাদক যা ১ম শ্রেণির খাদক তথা
ঘাসফড়িংকে খেয়ে থাকে। বাজপাখি হলো ৩য় শ্রেণির খাদক বা সর্বোচ্চ খাদক যা ২য় শ্রেণির খাদক তথা ব্যাঙকে খেয়ে বেঁচে থাকে। আমরা জানি, শক্তি পিরামিডের নিচ থেকে যতই উপরের দিকে যাওয়া যায় শক্তির পরিমাণ ততই কমতে থাকে। এক স্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তি পরিবাহিত হওয়ার সময় প্রচুর শক্তির অপচয় ঘটে। তাই শক্তি পিরামিড সর্বদাই খাড়া হয়ে থাকে। নিচে শক্তি পিরামিডের চিত্র অঙ্কন করা হলো-
উদ্দীপকে D হলো জীববৈচিত্র্য। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের দায়িত্ব হলো আমাদের। নিচে তা আমার ভাষায় ব্যাখ্যা করা হলো-
জীববৈচিত্র্য পৃথিবীর প্রতিটি দেশেরই এক অমূল্য সম্পদ। এ সম্পদের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সকল দেশেরই এক অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হতে পারে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জীববৈচিত্র্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিবেশে উদ্ভিদ ও প্রাণীর গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে পরিবেশকে দূষণ মুক্ত করে। বনভূমি বিশ্বময় উষ্ণায়নকে নিয়ন্ত্রণ করে। মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য জীববৈচিত্র্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, টিকা, অ্যান্টিবায়োটিক প্রভৃতি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। প্রকৃতি থেকে জীববৈচিত্র্য বিনষ্ট হলে এ ধরনের ব্যবস্থা সম্পর্কিত সহায়তা বিঘ্নিত হবে। যার ফলে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে জাতীয় পর্যায়ে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদানের ব্যবস্থা করা উচিত। জীববৈচিত্র্য বিশ্বের প্রতিটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রত্যক্ষ প্রভাব বিস্তার করে। বিশ্বের অর্থনীতি ১১% এর বেশি জীববৈচিত্র্য ও উৎপাদিত সামগ্রী থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। এ কারণে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।