কোনো মৌলের 1 mol চার্জ নিরপেক্ষ গ্যাসীয় বিচ্ছিন্ন পরমাণু 1 mol ইলেকট্রনের সাথে যুক্ত হয়ে একক ঋণাত্মক চার্জযুক্ত গ্যাসীয় আয়ন সৃষ্টি করতে যে পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, তাকে সেই মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে।
Ar মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা 18। মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস হলো:
মৌলটি কাঠামো অনুসরণ করে যা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের কাঠামো। এটির অষ্টক পূর্ণ হওয়ায় অন্য কোনো মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না। এজন্য কে নিষ্ক্রিয় মৌল বলা হয়।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াগলোকে সম্পূর্ণ করে পাই,
উপরিউক্ত বিক্রিয়াগুলো লক্ষ করলে দেখা যায়, ও গ্যাস তিনটি যথাক্রমে , ও |
আমরা জানি, উচ্চ ঘনত্বের স্থান হতে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোনো কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াই ব্যাপন। ব্যাপন বস্তুর ভর ও ঘনত্বের ওপর নির্ভরশীল। বিভিন্ন গ্যাসের ব্যাপন হার বিভিন্ন হয়। গ্যাসের ব্যাপন হার ঐ গ্যাসের ঘনত্ব ও আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। যে গ্যাসের ভর ও ঘনত্ব যত কম হবে তার ব্যাপন তত বেশি দ্রুত হবে।
সুতরাং
এর আণবিক ভর
এর আণবিক ভর
এর আণবিক ভর
অর্থাৎ এর আণবিক ভর সবচেয়ে কম তাই এর ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি হবে। এর আণবিক ভর সবচেয়ে বেশি তাই এর ব্যাপন হার সবচেয়ে কম হবে। আবার, এর আণবিক ভর অপেক্ষা বেশি এবং অপেক্ষা কম তাই এর ব্যাপন হার থেকে কম এবং থেকে বেশি।
সুতরাং ও এর ব্যাপন হারের তুলনা বা ক্রম নিম্নরূপ : .
উদ্দীপকের শেষ বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,
[‘গ’ হতে প্রাপ্ত ]
উপরিউক্ত বিক্রিয়া হতে প্রাপ্ত M যৌগটি হলো । সুতরাং যৌগের তাপীয় বক্ররেখা খাবার লবণের তাপীয় বক্ররেখা হতে ভিন্ন- তা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো :
ও খাবার লবণ -এর তাপীয় বক্ররেখা দুটি নিম্নরূপ :
খাবার লবণ অর্থাৎ এর ক্ষেত্রে দেখা যায় কঠিন কে তাপ দিলে প্রথমে তরলে পরিণত হয় এবং তরল কে তাপ দিলে তা গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। অথচ M যৌগ অর্থাৎ কঠিন কে তাপ দিলে তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয়। এ কারণে যৌগের তাপীয় বক্ররেখা খাবার লবণের তাপীয় বক্ররেখা থেকে ভিন্ন ।
