অণুর পরমাণুসমূহ পরস্পরের সাথে যে আকর্ষণ বলের মাধ্যমে যুক্ত থাকে তাকেই রাসায়নিক বন্ধন বলে।
সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ দুইটি পরমাণুর মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার কারণে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন জোড় কোনো একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস কর্তৃক আকর্ষিত হয়ে আংশিক ঋণাত্মক ও অপর পরমাণু আংশিক ধনাত্মক চার্জ প্রাপ্ত হয়। এরূপ মেরুকৃত সমযোজী অণুকে ডাইপোল বলে। আর মেরু সৃষ্টির এ বিষয়কে পোলারিটি বলে।
যেমন, HF অণুটিতে ফ্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা (4.0) হাইড্রোজেনের তড়িৎ ঋণাত্মকতার (2.1) চেয়ে বেশি হওয়ায় ক্লোরিন আংশিক ঋণাত্মক ও হাইড্রোজেন আংশিক ধনাত্মক চার্জ লাভ করে। অর্থাৎ ডাইপোল সৃষ্টি হয়। আর এ বিষয়টি হলো পোলারিটি।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিকে সম্পন্ন করে পাই,
উপরিউক্ত বিক্রিয়াটির ধরন নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-
যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয় এবং উৎপাদ পদার্থগুলো পুনরায় বিক্রিয়া করে বিক্রিয়ক পদার্থে পরিণত হয়, সে সকল বিক্রিয়াকে উভমুখী বিক্রিয়া বলে। এ বিক্রিয়াতে বিক্রিয়ক উৎপাদে পরিণত হওয়ায় একে সম্মুখমুখী বিক্রিয়া এবং উৎপাদ হতে বিক্রিয়কে পরিণত হওয়ায় একে কিন্তু পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়াও বলে। আবার, যে সকল রাসায়নিক বিক্রিয়ায় (বিক্রিয়ক হিসেবে) পানি অপর কোনো যৌগের সাথে বিক্রিয়া করে উৎপাদ উৎপন্ন করে তাকে আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে।
অর্থাৎ উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় ইথাইল ইথানয়েট পানির সাথে বিক্রিয়া করেছে। সুতরাং এটি একটি আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া।
উদ্দীপকের সমীকরণটিকে পূর্ণ করে পাই,
