A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘চাইনে বিষাদ আমি…’ a – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — সুচেতনা🔢 সৃজনশীল নং ১🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

চাইনে বিষাদ আমি তবু সে প্রাণের উপকূলে

দিনরাত বসে থাকে নীলস্রোত নদীর বেদনায়।

নাবিক চৈতন্যে তাই মেঘপুঞ্জ অশ্রান্ত ঘনায়।

দ্রুত-সূর্য ডুবে যায় নিঃসঙ্গ চিন্তার কালো চুলে।

চড়ায় ঠেকে না তবু আমার বাণিজ্যপোতখানি

অক্লান্ত উদ্যম তার অনুভবে সমুদ্র সন্ধানী।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৃথিবীর রূপ-রস এবং মানুষের শুভবোধ বা ‘সুচেতনা’ বিকাশের টানে কবি মানবজন্মের ঘরে এসেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ 'শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়' বলতে কবি বোঝাতে চেয়েছেন- পৃথিবীব্যাপ্ত অন্ধকার বা অশুভের অন্তরালেই আছে সূর্যোদয় বা মুক্তির দিশা।

➤ কবির মতে রাতের অন্ধকার যেমন শাশ্বত চিরকালীন তেমনই রাতের শেষে সূর্যোদয়ও অনন্ত ও অনিবার্য। অর্থাৎ একদিকে। আঁধার অন্যদিকে আলো, একদিকে হিংসা অন্যদিকে মানবিকতা, একদিকে মৃত্যুর বীভৎসতা অন্যদিকে নতুন জীবনের আহ্বান। এখানে অন্ধকার যদি আজকের সময় হয় তবে সূর্যোদয় হলো নতুন সুন্দর দিন বা মুক্তির দিশা- যার কাছে কবি পৌছতে চান। 

সারকথা: প্রশ্নোক্ত পড়স্তিতে কবি বলতে চেয়েছেন রাতের আঁধার যতই দীর্ঘ হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সূর্যোদয় অনিবার্য ও চিরন্তন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতায় প্রকাশিত মানবিক জগতের প্রত্যাশার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

➤ মানবিকতা মানুষের মহৎ গুণগুলোর মধ্যে অন্যতম। একটি সুখী, সুন্দর ও মানবিক পৃথিবী গড়তে হলে সর্বপ্রথম আমাদের মানবিক চেতনার বিকাশ ঘটাতে হবে। মানবিক চেতনা ছাড়া সুন্দর পৃথিবী কল্পনাতীত।

➤ উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি বিষাদে আচ্ছন্ন থাকতে চান না। সকল বেদনা, নিঃসঙ্গতা, ব্যর্থতা কাটিয়ে তিনি নতুন ও অক্লান্ত উদ্যমে বাঁচতে চেয়েছেন। নিঃসঙ্গ চেতনার অন্ধকার থেকে উঠতে চান সমুদ্র বন্দরে। 'সুচেতনা' কবিতায়ও কবি হিংসা-বিদ্বেষপূর্ণ এই পৃথিবীতে নতুন ভোরের প্রত্যাশা করেছেন। তিনি জানেন বর্তমানের সমস্ত জরাজীর্ণতার অন্ধকার কাটিয়ে একদিন ভোর হবে। সেই ভোর হলো কবির সুচেতনা, যেখানে তিনি পৌছতে চান। কবিতার এই ভাবটির সঙ্গেই উদ্দীপকটি সম্পর্কযুক্ত। 

সারকথা: 'সুচেতনা' কবিতায় কবি নতুন ভোরের প্রত্যাশা করেছেন। এই বিষয়টির সঙ্গেই উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ সম্পর্ক থাকলেও উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবনার দ্যোতক হয়ে উঠতে পারেনি- মন্তব্যটি যথার্থ।

➤ আমাদের এই পৃথিবীতে নানা অসংগতি বিদ্যমান। চারদিকের হত্যা, ধ্বংস, বৈষম্য, ঘৃণা ইত্যাদি পৃথিবীকে অস্থির ও অশান্ত করে তুলেছে। এসব কারণেই আজ আমরা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছি। এটি থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রয়োজন মানবিক বোধের বিকাশ ও শুভ চিন্তার বাস্তবায়ন।

➤ উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বিষাদে পূর্ণ এই পৃথিবীতে নতুন প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর এক পৃথিবীকে কামনা করেছেন। দিন-রাতের বেদনা, নিঃসঙ্গতা কাটিয়ে তিনি নতুনভাবে বাঁচতে চান। 'সুচেতনা' কবিতায় কবির সুচেতনা অনেক দূরে থাকায় কবি মনে করেন পৃথিবী আজ অন্ধকারাচ্ছন্ন। এই অন্ধকার একদিন কেটে যাবে, আবার নতুন প্রভাতে নতুন সূর্য উদিত হবে। কিন্তু এই বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য কবিতায় আরও অনেক বিষয়ের প্রকাশ ঘটেছে।

➤ উদ্দীপকে 'সুচেতনা' কবিতার শুধু একটি ভাব ধারণ করে মাত্র। কবিতায় প্রকাশিত পৃথিবীর অবস্থা, কবির হতাশা, কবির চেতনা এবং আত্মস্বার্থে মগ্ন মানুষের হানাহানির এই বিষয়গুলো উদ্দীপকে সম্পূর্ণভাবে উঠে আসেনি। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। 

সারকথা: উদ্দীপকে অস্থির ও বিক্ষুব্ধ পৃথিবীতে নতুন জীবনের জন্য আশাবাদ ব্যক্ত হয়েছে, যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি ভাবের। প্রকাশমাত্র। কবিতার অন্যান্য বিষয় এখানে অনুপস্থিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘চাইনে বিষাদ আমি…’ a – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”