চালকোসাইট
যেসব মৌল ধাতু ও অধাতু উভয়ের বৈশিষ্ট্য বহন করে তাদেরকে অপধাতু বলে। এ অপধাতুকে অর্ধধাতু বা উপধাতুও বলা হয়।
পিঁপড়ার কামড়ের ক্ষতস্থানে পিঁপড়ার শরীর থেকে যে রাসায়নিক পদার্থ প্রবেশ করে তাতে অম্লীয় উপাদান (ফরমিক এসিড) থাকে। ক্ষারধর্মী পদার্থ চুন (CaO) পিঁপড়া হতে নিঃসৃত ফরমিক এসিডের (H - COOH) সাথে প্রশমন বিক্রিয়া করে। ফলে এ পদার্থটি লাগানো হলে মানুষ জ্বালা যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পায়। তাই পিঁপড়ার কামড়ের ক্ষতস্থানে চুন লাগানো হয়।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,
যৌগ অর্থাৎ হতে কাঙ্ক্ষিত ধাতু নিষ্কাশন নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-
চালকোসাইট এর সংকেত হলো ।
সুতরাং
নিষ্কাশিত Cu ধাতুকে তড়িৎ বিশোধন পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা হয়। তড়িৎ বিশ্লেষণে বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এতে অবিশুদ্ধ কপারের মোটা পাত তৈরি করে বিদ্যুৎ উৎসের ধনাত্মক প্রান্তের সাথে এবং বিশুদ্ধ কপারের একটি পাতলা পাত ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। দ্রবণ ও এর মিশ্রণে পূর্ণ একটি ট্যাংকের মধ্যে দুটি পাতকেই ডোবানো হয়। এই দ্রবণের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে অবিশুদ্ধ কপার দ্রবীভূত হয় এবং বিজারণ বিক্রিয়ায় বিশুদ্ধ কপার পাতলা পাতে জমা হয়।
অবিশুদ্ধ কপারের অপদ্রব্যগুলো ট্যাংকের তলায় গাদ হিসেবে জমা হয়। এভাবে উৎপন্ন কপার 99% বিশুদ্ধ হয়।
উপরিউক্ত প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করলে পাওয়া যায়, কপারের আকরিক হতে প্রাপ্ত কপার থেকে অপদ্রব্য তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষের ক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে দূর করা হয় এবং এই পদ্ধতি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। তাই এভাবেই কপারকে নিষ্কাশন করা হয়।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণ করে পাই,
উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় Y যৌগটি হলো । সুতরাং যৌগ হতে জারক ও নিরুদকধর্মী এসিড প্রস্তুত করা সম্ভম্ব তা বিক্রিয়াসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
সাধারণ অবস্থায় বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয় না। তবে স্পর্শ চেম্বারে তাপমাত্রায় Pt চূর্ণ বা প্রভাবকের উপস্থিতিতে অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়ে সালফার ট্রাইঅক্সাইড উৎপন্ন করে।
এক্ষেত্রে হতে উৎপন্নের বিক্রিয়াটি উভমুখী প্রকৃতির হওয়ায় লা-শাতেলিয়ারের নীতি ব্যবহার করে বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় এর পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়। বিক্রিয়াটির ঋণাত্মক অর্থাৎ তাপোৎপাদী হওয়ায় বিক্রিয়ার তাপ বাড়ালে লা-শাতেলিয়ারের নীতি অনুযায়ী এর উৎপাদন হ্রাস পাবে। আবার তাপ হ্রাস করলে এ নীতি অনুযায়ী এর উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। তবে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক পরিমাণে উৎপাদন করার জন্য অত্যানুকূল তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ তাপমাত্রায় Pt/V2O5 প্রভাবকের উপস্থিতিতে প্রায় পাওয়া যায় ।
উৎপন্ন কে এ শোষণ করে ধূমায়মান সালফিউরিক এসিড বা অলিয়াম উৎপন্ন করা হয়। এরপর অলিয়ামের সাথে প্রয়োজনীয় অনুপাতে পানি মিশ্রিত করে বিশুদ্ধ বা যে কোনো ঘনমাত্রার প্রস্তুত করা যায় ।
উৎপাদিত এসিড নিরুদক এসিড। কারণ পানির প্রতি গাঢ় এর প্রবল আসক্তির কারণে বিভিন্ন যৌগ হতে পানি বের করে নিতে পারে। যেমন-
সুতরাং বলা যায়, যৌগটি তথা থেকে লাভজনক উপায়ে জারক ও নিরুদক ধর্ম এসিড প্রস্তুত করা সম্ভব।
