| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘চারটি মৌলের যোজ্যতা…’ সিলেট বোর্ড ২০১৭ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

চারটি মৌলের যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস নিচে দেয়া হলো:
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
হিলিয়াম পরমাণু হতে দুটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যা পাওয়া যায় তা হচ্ছে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস বা আলফা (α) কণা
এনজাইম হলো ঈস্ট থেকে নিঃসৃত প্রাণহীন অদানাদার নাইট্রোজেনযুক্ত জটিল কাঠামোর জৈব পদার্থ। এনজাইম বৃহদাকার প্রোটিন জাতীয় অণু। এ দীর্ঘ অণুর বিভিন্ন বিন্দুতে কতগুলো সক্রিয় স্থান থাকে। এসব স্থানে বিক্রিয়ক অণু যুক্ত হয়ে অন্তবর্তী অস্থায়ী যৌগ গঠন করে যা পরে বিয়োজিত হয়ে উৎপাদে পরিণত হয় এবং এনজাইম বিমুক্ত হয়। এভাবে বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক অণুকে সক্রিয় স্থান সরবরাহ করে সক্রিয়ন শক্তিকে হ্রাস করে এবং বিক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে বলেই এনজাইমসমূহ জৈব বিক্রিয়ায় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।
এখানে, n = 2
দেওয়া আছে,
Q মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস ns2
= 2s2
= 1s2 2s2
মৌলটি হলো (Be)
R মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস (n+1)s2 (n + 1)p5
= 3s2 3p5
= 1s2 2s2 2p6 3s2 3p5
মৌলটি হলো (Cl)
এবং ১ মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস
(n+ 1)s2
= 3s2
= 1s2 2s2 2p6 3s2 = Mg
সুতরাং Q(Be) ও R(CI) দ্বারা গঠিত যৌগ হচ্ছে BeCl₂ এবং S(Mg) ও R(CI) দ্বারা গঠিত যৌগ হচ্ছে MgCl2। এখানে, উভয়ের সাথে CI যুক্ত আছে। সুতরাং এদের গলনাঙ্ক আমরা ফাজানের নীতি দ্বারা ব্যাখ্যা করতে পারি। BeCl2 ও CaCl2 যৌগদ্বয়ের মধ্যে কোনটি অধিক আয়নিক তা ফাজানের নিয়ম অনুসারে ব্যাখ্যা করা যায়। ফাজানের নীতি হলো-
i. ক্যাটায়নের আকার ক্ষুদ্র হলে
ii. অ্যানায়নের আকার বড়ো হলে
iii. ক্যাটায়নের d ও অরবিটালে ইলেকট্রন থাকলে
iv. ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের চার্জ অধিক হলে
যৌগে পোলারায়নের মাত্রা অধিক হবে। যে যৌগে পোলারায়নের মাত্রা যত অধিক হয় সে যৌগে সমযোজী বৈশিষ্ট তত অধিক হয়।
BeCl2 এ ক্যাটায়ন Be2+ ও অ্যানায়ন CI এবং MgCl2 এ ক্যাটায়ন Mg2+ ও অ্যানায়ন CI। উভয়ক্ষেত্রে অ্যানায়ন একই এবং ক্যাটায়নের চার্জও একই। তাই ফাযানের নীতি অনুসারে ক্যাটায়নের আকার এর উপর গলনাঙ্ক নির্ভর করবে। আমরা জানি, ক্যাটায়নের ক্ষুদ্র আকার এবং অ্যানায়নের বৃহৎ আকার হলো ফাজানের নীতি অনুসারে তার সমযোজী বৈশিষ্ট্য বেশি হবে। এক্ষেত্রে Be2+ এর আকার Mg2+ অপেক্ষা ছোট। সেহেতু BeCl2 এর সমযোজী বৈশিষ্ট্য বেশি হবে। সুতরাং MgCl2 এর আয়নিক বৈশিষ্ট্য এবং গলনাঙ্ক বেশি হবে।
"গ" থেকে প্রাপ্ত R মৌলটি হলো Cl।
এবং P মৌলটি হলো – ns2 np²
= 2s2 2p²; n = 2
= 1s2 2s2 2p2
মৌলটি হলো C (কার্বন)
সুতরাং P(C) এবং R(CI) মৌল দ্বারা গঠিত যৌগটির নাম হচ্ছে কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (CCl4)
স্বাভাবিক অবস্থায় C(6) – 1s2 2s2 2p2
উত্তেজিত অবস্থায় C* (6) - [1s2 2s1 2px1 2py1 2pz1]
sp³ সংকরণ
এখানে, চারটি একক ইলেকট্রন ধারী sp³ সংকর অরবিটাল বিদ্যমান এবং এরা চারটি ক্লোরিনের একক ইলেকট্রনবিশিষ্ট 3pz অরবিটালের সাথে অধিক্রমণ করে সিগমা বন্ধন গঠন করবে।
যেহেতু এখানে sp³ সংকরণ এবং চারটি সিগমা বন্ধন গঠিত হয়। সুতরাং এক্ষেত্রে CCl4 এর আকৃতি হবে চতুস্তলকীয় এবং বন্ধন কোণ হবে আদর্শ চতুস্তলকের ক্ষেত্রে 109.5°।