A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — কোষ বিভাজন🔢 সৃজনশীল নং ৫🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জোড় সৃষ্টি হওয়াই হলো সিন্যাপসিস।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মায়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃতকোষ বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভক্ত হয়ে চারটি অপত্য কোষে পরিণত হয়। এ প্রক্রিয়ায় কোষের নিউক্লিয়াস দু বার এবং ক্রোমোসোম একবার বিভাজিত হয়। ফলে অপত্য কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়। ক্রোমোসোম সংখ্যা অর্ধেক হ্রাস পায় বলে এ বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্রে প্রদর্শিত ধাপটি হলো মায়োসিস কোষ বিভাজনের ডিপ্লোটিন ধাপ। নিচে ধাপটি বর্ণনা করা হলো:

ক্রমাগত সংকোচনের ফলে ক্রোমোসোমগুলো এ উপ-পর্যায়ে আরও খাটো ও মোটা হয়। বাইভেলেন্টের ক্রোমোসোমদ্বয়ের মধ্যে পারস্পরিক বিকর্ষণ শুরু হয়। ফলে এরা বিপরীত দিকে সরে যেতে চেষ্টা করে কিন্তু কায়াজমাটার স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এ বিকর্ষণ একই সঙ্গে কয়েক স্থানে শুরু হতে পারে। তবে সাধারণত সেন্ট্রোমিয়ারদ্বয়ের মধ্যেই প্রথম এবং ব্যাপকভাবে বিকর্ষণ শুরু হয়। বিকর্ষণের ফলে দুটি কায়াজমাটার মধ্যবর্তী অংশে লুপের সৃষ্টি হয়। কায়াজমাটাগুলো স্পষ্ট হয় এবং ক্রমান্বয়ে প্রান্তের দিকে সরে যেতে থাকে। কায়াজমার এরূপ প্রান্তের দিকে সরে যাওয়াকে প্রান্তীয়করণ বলে। দুই বা ততোধিক বাহু পরস্পর আবর্তনের ফলে পাশাপাশি লুপ ৯০° কোণ করে অবস্থান করে। একটি মাত্র কায়াজমা থাকলে এটি ১৮০° হতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধাপটি হলো ডিপ্লোটিন, যা মায়োসিস কোষ বিভাজনের অন্তর্ভুক্ত। কোষের গঠন, গুণাবলি সংরক্ষণ ও জীবন প্রবাহ অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে মায়োসিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মায়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্রোমোসোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়। যদি মায়োসিস বিভাজন না হতো তবে প্রতি প্রজন্মে যৌন জননের সময় ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যেত। ফলে সাইটোপ্লাজম ও ক্রোমোসোমের মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হতো। জীবদেহের আয়তন বৃদ্ধি পেত ও বিপর্যয় ঘটত। মায়োসিস বিভাজনে দুটি ননসিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়ের মাধ্যমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্যের পুনর্বিন্যাস ঘটে। ফলে প্রকরণ সৃষ্টি হয়। এর মাধ্যমে প্রজাতিতে জৈব বিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায়ের সূচনা ঘটে। যৌন জনন ক্ষমতাসম্পন্ন জীবের জীবনচক্রে স্পোরোফাইটিক জনু (2n) ও গ্যামিটোফাইটিক জনু (n) পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। মায়োসিসের মাধ্যমে ক্রোমোসোম সংখ্যা অর্ধেক হয় বলেই দুটি জনুর পর্যায়ক্রমিক আবর্তন ঘটে। উন্নত উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহ ডিপ্লয়েড (2n)। তাই গ্যামিট সৃষ্টির সময় মিয়োসিস কোষবিভাজন অত্যাবশ্যক। নতুবা ডিপ্লয়েড গ্যামিট সৃষ্টি হতো। এর ফলে প্রজাতির বৈশিষ্ট্য নষ্ট হতো এবং জীবের ধারাবাহিকতা বিনষ্ট হতো। এছাড়াও মায়োসিস বিভাজন দ্বারা মেন্ডেলবাদ ও আপাত ব্যতিক্রমগুলো ব্যাখ্যা করা যায়। ক্রসিংওভারের হার নির্ণয় করে ক্রোমোসোম ম্যাপ তৈরি করা যায়। তাই বলা যায়, মায়োসিস কোষ বিভাজনের তাৎপর্য অপরিসীম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”