| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
কোষপ্রাচীরে গর্তের ন্যায় যে অংশগুলো দেখা যায় সেগুলোই কূপ।
প্রােটোপ্লাজমের বিপাক ক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ সৃষ্টি হয়। যেমন- গাম, রেজিন, তরুক্ষীর, ট্যানিন, উদ্বায়ী তেল, জৈব এসিড এবং খনিজ ক্রিস্টাল প্রভৃতি। ক্যালসিয়াম অক্সালেট হলাে প্রধান খনিজ ক্রিস্টাল।এটি সূঁচ আকৃতির এবং এই ক্যালসিয়াম অক্সালেটের ক্রিস্টালই হলো র্যাফাইড। এটি এক প্রকার কোষস্থ নির্জীব বস্তু। উদ্ভিদে বর্জ্য পদার্থ নির্গমনের পৃথক তন্ত্র না থাকায় এরা উদ্ভিদ কোষে জমা থাকে । কচুতে র্যাফাইড দেখা যায়।
উদ্দীপকে 'A' হলো ডাবল হেলিক্স DNA। DNA রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন প্রক্রিয়ায় A অর্থাৎ DNA তার অনুরূপ অণু সৃষ্টি করে।
নিচে DNA এর অনুলিপন প্রক্রিয়া দেয়া হলো-
১. DNA এর যে নির্দিষ্ট স্থান থেকে প্রতিলিপন শুরু হয় তাকে বলে অরি বা সূচনা বিন্দু।
২. প্রতিলিপনের শুরুতে হেলিকেজ এনজাইম অরি অংশ থেকে দ্বিসূত্রক DNA এর মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ডগুলো ভেঙ্গে দেয়। ফলে এটি এক সূত্রকে পরিণত হয়।
৩. এরপর প্রত্যেক সূত্রকের গায়ে SSBP যুক্ত হয়, যার ফলে সূত্রকদ্বয় পুনরায় একত্র হতে না পরে। সূত্রক দুইটি পৃথক হওয়ায় DNA তে Y আকৃতির রেপ্লিকেশন ফর্ক সৃষ্টি হয়।
৪. পৃথক হওয়া প্রত্যেকটি সূত্রক তার সম্পূরক তৈরীর ছাঁচ হিসাবে কাজ করে।
৫. ছাঁচের ভিত্তিতে প্রাইমেজ এনজাইম নিউক্লিওটাইড যুক্ত করে ক্ষুদ্র RNA খন্ডক তৈরি করে।
৬. DNA পলিমারেজ শুধু ৩ʹ প্রান্তে নিউক্লিওটাইড যুক্ত করে, এজন্য নতুন সূত্র সবসময় ৫ʹ → ৩ʹ মুখী হয়ে বৃদ্ধি পায়। কোন নিউক্লিওটাইড এর পর কোন নিউক্লিওটাইড যুক্ত হবে তা নির্ভর করে ছাঁচের উপর।
৭. একটি ছাঁচ সুত্রের সম্পূরক নতুন সূত্র বিরতিহীন বা নিরবিচ্ছন্নভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে যাকে অগ্রগামী বলে। অপর নতুন সূত্রটি ধীরগতি বা খন্ড খন্ড ভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে,যাকে পশ্চাৎগামী বলে ।
৮. Lagging Strand এর প্রতিটি খন্ডকে বলা হয় ওকাজাকি খন্ড। লাইগেজ এনজাইম ওকাজাকি খন্ডগুলোকে যুক্ত করে। রেপ্লিকেশন সমাপ্ত হলে রেপ্লিকেশন কমপ্লেক্স বিচ্ছিন্ন হয়ে।এভাবে একটি DNA থেকে পূর্বানুরূপ দুইটি DNA অণুর সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত 'B' অংশটি হলো RNA। জীবের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে RNA-এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
আরএনএ জীবের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ডিএনএর মধ্যে একটি মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করে, যার মধ্যে জেনেটিক তথ্য থাকে এবং প্রোটিন উৎপাদন, যা জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং কাজের জন্য দায়ী। mRNA ডিএনএ থেকে রাইবোসোমে জেনেটিক কোড বহন করে, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী সেলুলার কাঠামো।mRNA দ্বারা বাহিত জেনেটিক তথ্য অ্যামিনো অ্যাসিডের একটি নির্দিষ্ট ক্রম একত্রিত করতে ব্যবহৃত হয়।ডিএনএ থেকে প্রোটিন সংশ্লেষণে জেনেটিক তথ্য স্থানান্তরকে সহজ করে, আরএনএ জীবের বৈশিষ্ট্য এবং কার্যাবলী নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। mRNA-তে নিউক্লিওটাইডের ক্রম শেষ পর্যন্ত প্রোটিনে অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রম নির্ধারণ করে, যা ফলস্বরূপ, জীবের গঠন, কার্যকারিতা এবং বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে। আরএনএ সিকোয়েন্সের তারতম্য প্রোটিন উৎপাদনে পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে ব্যক্তিদের মধ্যে ফেনোটাইপিক ভিন্নতা দেখা দেয়। সুতরাং বলা যায়, RNA জীবের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।