| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১০
পরাগরেণুর বাইরের প্রাচীরই হলো এক্সাইন।
ডিম্বকের দেহকোষ থেকে সৃষ্ট ডিপ্লয়েড ভূণথলির ডিপ্লয়েড ডিম্বাণুটি হতে নিষেক ছাড়াই ভ্রূণ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে বলা হয় অ্যাপোস্পোরি। অ্যাপোস্পোরি প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট উদ্ভিদ ডিপ্লয়েড হয় এবং মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণসম্পন্ন হয়। Hieracium উদ্ভিদে এরূপ দেখা যায়।
উদ্দীপকের A চিত্রে X চিহ্নিত অংশটি হলো ভূণথলি। স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ থেকে ভূণথলির সৃষ্টির বিভিন্ন ধাপ চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো-
উদ্দীপকের B-তে নির্দেশিত Y পুংগ্যামিটকে নির্দেশ করে। সপুষ্পক উদ্ভিদ তথা সকল যৌন জননক্ষম জীবের বংশধারাকে গতিশীল রাখতে পুংগ্যামিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সপুষ্পক উদ্ভিদ সাধারণত যৌন জননের মাধ্যমে অর্থাৎ বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে। এক্ষেত্রে পরাগায়নের পর পরাগনালিতে সৃষ্ট পুংগ্যামিট ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে। এই নিষিক্ত ডিম্বাণু ধীরে ধীরে বীজে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে বীজ থেকে নতুন উদ্ভিদের জন্ম হয়। এভাবে পুংগ্যামিট সপুষ্পক উদ্ভিদের বংশধারা চলমান রাখতে ভূমিকা রাখে। শুধু তাই নয়, উন্নত প্রাণী এমনকি মানুষ তাদের বংশধর সৃষ্টির জন্য যৌন মিলনে অংশ নেয় এবং পুংগ্যামিট ও স্ত্রীগ্যামিটের মিলনে তৈরি হয় ডিপ্লয়েড জাইগোট। এই ডিপ্লয়েড জাইগোট বার বার বিভাজিত হয়ে প্রথমে বহুকোষী ভ্রূণ এবং তা থেকে ধীরে ধীরে ছোট শিশুর জন্ম হয়। সুতরাং এখানেও প্রাণীদের বংশ রক্ষায় পুংগ্যামিটের অবদান রয়েছে। এমনিভাবে অন্যান্য সকল এককোষী বা বহুকোষী জীবের যৌন জননের মাধ্যমে বংশধারা অক্ষুন্ন রাখতে প্রত্যক্ষভাবে পুংগ্যামিটের প্রয়োজনীয়তা অনেক। কারণ পুংগ্যামিট ছাড়া ডিম্বক নিষিক্ত হতে পারে না।