A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ১৫🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভাইরাস দেহের নিউক্লিক এসিডকে ঘিরে থাকা প্রোটিন আবরণের নাম ক্যাপসিড।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যেসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয় তাকে আদিকোষ বলে।

ব্যাকটেরিয়ার কোষ সুগঠিত নয়।এদের কোষের নিউক্লিয়াসে কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না।এর কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড,এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না, তবে রাইবোসোম আছে। এদের ক্রোমোজমে DNA আছে। এসকল বৈশিষ্ট্য আদিকোষি জীবের অনুরূপ বলে ব্যাকটেরিয়াকে আদিকোষি অনুজীব বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নমুনা A হলো ভাইরাস।

ভাইরাস হল অতি আণুবীক্ষণিক অকোষীয় রাসায়নিক বস্তু যা প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিড দ্বারা গঠিত।পোষক দেহের অত্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং সংখ্যা বৃদ্ধি করে। পোষক দেহের বাহিরে জড় পদার্থের ন্যায় অবস্থান করে।ভাইরাসে জীব ও জড় উভয়ের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।

জীবের বৈশিষ্ট্যঃ

- এতে DNA বা RNA আছে।

- জীব কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।

- পরিব্যক্তি দেখা যায়।

- জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়।

জড়ের বৈশিষ্ট্যঃ

- কোষপ্রাচীর, কোষঝিল্লী, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, সজীব অঙ্গাণু ও বিপাকীয় এনজাইম নেই। তাই এটি অকোষীয় রাসায়নিক বস্তু।

- জৈবনিক কার্যকলাপ সজীব কোষের বাহিরে হতে পারে না।

ভাইরাসের মধ্যে জড় ও জীবীয় উভয় বৈশিষ্ট্য থাকায় একে জীব ও জড়ের সেতুবন্ধন বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে নমুনা 'A' হচ্ছে T2 ব্যাকটেরিওফায ভাইরাস এবং নমুনা 'B' হচ্ছে E. coli ব্যাকটেরিয়া। ভাইরাস সর্বদা বংশবৃদ্ধি বা সংখ্যাবৃদ্ধি করার জন্য ব্যাকটেরিয়ার উপর নির্ভরশীল। এজন্য ব্যাকটেরিয়াকে ভাইরাসের উত্তম পোষক বলা হয়। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো- 

১.সংযুক্তি: T2 ব্যাকটেরিওফায সাধারণত Ecoli ব্যাকটেরিয়াকে 

আক্রমণ করে থাকে। Ecoli ব্যাকটেরিয়ামের কোষপ্রাচীরে ফায প্রোটিনের জন্য রিসেপ্টর সাইট থাকে। রিসেপ্টর সাইটের প্রোটিনের সাথে ফায ক্যাপসিডের স্পর্শক তন্তুর প্রোটিনের রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়ামের প্রাচীরে T-ফায দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত হয়ে যায় । এটি হলো আক্রমণের সূচনা । 

২. স্পর্শকতন্তুর সংকোচন : এ পর্যায়ে স্পর্শকতন্তুর সংকোচনের ফলে 

বেসপ্লেটটি ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের সংস্পর্শে আসে। 

৩. ফায DNA অনুপ্রবেশ: এ সময় ফাযের লেজ থেকে লাইসোজাইম এনজাইম নিঃসৃত হয় যা ব্যাকটেরিয়া কোষপ্রাচীরের মিউকোপেপটাইড স্তরকে দ্রবীভূত করে একটি সূক্ষ্ম ছিদ্রের সৃষ্টি করে। এ ছিদ্রের মধ্য দিয়ে ফাযের DNA ব্যাকটেরিয়া কোষে 

প্রবেশ করে। 

৪. সংশ্লেষ বা অনুলিপন : ফায DNA পোষক কোষের অভ্যন্তরে  প্রবেশ করার পর পোষক কোষের RNA পলিমারেজ ব্যবহার করে ফায mRNA তৈরি করে। ফায mRNA পরে প্রোটিন তৈরি করে এবং একটি বিশেষ প্রোটিন Ecoli DNA কে খণ্ড-বিখণ্ড করে নষ্ট করে দেয়। ফায DNA নিউক্লিওটাইড কোষের রাইবোসোম, tRNA, অ্যামাইনো অ্যাসিড ইত্যাদির কর্তৃত্ব গ্রহণ করে এবং নিজের ইচ্ছেমতো নতুন ফায DNA প্রতিলিপন করে নেয় এবং ফায় কোট প্রোটিন তৈরি করে। 

৫. বিভিন্ন দেহাংশ একত্রিত হওয়া : পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রতিটি 

ফায DNA এক একটি কোট প্রোটিনের মাথার অংশে প্রবেশ করে। পরে ক্রমান্বয়ে মাথার অংশের সাথে লেজ, লেজের শেষ প্রান্তে স্পর্শক তন্তু, স্পাইক ইত্যাদি সংযুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ব্যাকটেরিওফায হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ।

৬. নতুন ভাইরাস মুক্তি বা লাইসিস: পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রচুর সংখ্যক ব্যাকটেরিওফায তৈরি হওয়ার পর ফায লাইসোজাইম এনজাইম তৈরি করে যার কার্যকারিতায় পোষক কোষের প্রাচীর বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং নতুন সৃষ্ট ব্যাকটেরিওফাযসমূহ মুক্তভাবে বেরিয়ে আসে। 

কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ হওয়াকে লাইসিস বলে। লাইটিক চক্রের মাধ্যমে মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ১০০-৩০০টি নতুন ভাইরাস সৃষ্টি 

হতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”