A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩ – জীবনীশক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ৩য় অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর: ১০🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

বিভিন্ন প্রকার কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু গঠিত হয় তাকে জটিল টিস্যু বলে।

উত্তর:

ATP জীবন পরিচালনার জন্য জীবকোষে তথা জীবদেহে প্রতিনিয়ত হাজারো রকমের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শক্তি যোগায়। ATP শক্তি জমা রাখে এবং প্রয়োজন অনুসারে অন্য বিক্রিয়ার জন্য উক্ত শক্তি সরবরাহ করে। এ কারণে ATP কে রিচার্জেবল ব্যাটারি বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি হলো অবাত শ্বসন। অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে অবাত শ্বসন ঘটে।
দুইটি ধাপে অবাত শ্বসন হয়ে থাকে। ধাপ দুটি হলো :
ধাপ-১ : গ্লাইকোলাইসিস : এই ধাপে এক অণু গ্লুকোজ থেকে দুই অণু পাইরুভিক এসিড, চার অণু ATP (এর মধ্যে দুই অণু ব্যবহার হয়ে যায়) দুই অণু NADH + H+ উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ এটি সবাত শ্বসনের গ্লাইকোলাইসিসের অনুরূপ।
ধাপ-২। পাইরুভিক এসিডের অসম্পূর্ণ জারণ : সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এনজাইমের কার্যকারিতায় পাইরুভিক এসিড অসম্পূর্ণ জারিত হয়ে CO₂ এবং ইথাইল অ্যালকোহল অথবা শুধু ল্যাকটিক এসিড উৎপন্ন করে।
এক্ষেত্রে গ্লাইকোলাইসিসে উৎপন্ন বিজারিত NAD (অর্থাৎ NADH+H+) জারিত হয়ে যে ইলেকট্রন, প্রোটন ও শক্তি নির্গত করে, তা ব্যবহৃত হয় পাইরুভিক এসিড থেকে ল্যাকটিক এসিড বা ক্ষেত্রবিশেষে ইথানল উৎপাদনের জন্য। অন্যদিকে, অক্সিজেনের অভাবে তখন অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশনও চলে না। তাই অবাত শ্বসনের ক্ষেত্রে এক অণু গ্লুকোজের গ্লাইকোলাইসিসে নিট মাত্র ২ অণু ATP পাওয়া যায়।

উত্তর:

উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়ার E হলো আলো এবং বিক্রিয়াটি হলো সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া। সালোকসংশ্লেষণের আলোকে নিরপেক্ষ বা অন্ধকার পর্যায় বিভিন্ন উদ্ভিদে বিভিন্নভাবে সংঘটিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
উদ্ভিদে সংঘটিত যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোর প্রত্যক্ষ প্রয়োজন পড়ে না তাকে আলোক নিরপেক্ষ পর্যায় বলে। মূলত আলোক পর্যায়ে তৈরি ATP, NADPH+H+ এবং H+ -এর সাহায্যে আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়ে CO₂ বিজারিত হয়ে কার্বোহাইড্রেটে পরিণত হয়। সবুজ উদ্ভিদে CO₂ বিজারণের জন্য ক্যালভিন চক্র, হ্যাচ ও স্ন্যাক চক্র এবং ক্রেসুলেসিয়ান এসিড চক্র নামে তিনটি চক্র আবিষ্কৃত হয়েছে এবং বিভিন্ন উদ্ভিদ এই চক্র তিনটির মধ্যে একটি অনুসরণ করে থাকে। CO₂ আত্তীকরণের ক্যালভিন চক্রটি অধিকাংশ উদ্ভিদে সংঘটিত হয়। এ পদ্ধতিতে প্রথম স্থায়ী পদার্থ হিসেবে 3 কার্বনবিশিষ্ট ফসফোগ্লিসারিক এসিড উৎপন্ন হয় বলে এদের C₃ উদ্ভিদ বলে। অধিকাংশ আবৃতবীজী উদ্ভিদে, বিশেষ করে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে ক্যালভিন চক্রটি সম্পন্ন হয়। CO₂ বিজারণের দ্বিতীয় গতিপথটি হলো হ্যাচ ও স্ন্যাক চক্র যাতে প্রথম স্থায়ী পদার্থ হিসেবে 4 কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো এসিটিক এসিড উৎপন্ন হয়। এজন্য এ চক্রকে C4 চক্র বলে। সাধারণত ভুট্টা, আখ, ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ, মুথা ঘাস, অ্যামারেনথাস তথা একবীজপত্রী উদ্ভিদে C4 সংঘটিত হয়। এদের C4 উদ্ভিদও বলে। আবার তৃতীয় চক্রটি হলো ক্রেসুলেসিয়ান এসিড চক্র যা শুষ্ক পরিবেশে অভিযোজনের জন্য কিছু কিছু উদ্ভিদ কর্তৃক অনুসৃত হয়। এ চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ম্যালিক এসিড যা 4 কার্বনবিশিষ্ট। পাথরকুচি ও কিছু কণ্টকময় উদ্ভিদ যেমন- আনারস, ফণীমনসায় আলোর অনুপস্থিতিতে রাতে পত্ররন্ধ্র খোলে এবং তখন এদের অভ্যন্তরে কার্বন সংবন্ধন হয়।
তাই বলা যায়, সালোকসংশ্লেষণের অন্ধকার পর্যায়টি বিভিন্ন উদ্ভিদে বিভিন্নভাবে সংঘটিত হয়।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩ – জীবনীশক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”