| ㅤ | A. Nayan20 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩ – যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি, যুক্তিবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
যে সাপেক্ষ যুক্তিবাক্য 'যদি... তবে' বা তার সমার্থক কোনো শর্ত দ্বারা নির্দেশিত হয় তাকে প্রাকল্পিক বাক্য বলে।
কোনো একটি যুক্তিবাক্যের অপরিহার্য একটি অংশ হলো সংযোজক। একটি যুক্তিবাক্যের তিনটি অংশের একটি অংশ হলো সংযোজক। একটি যুক্তিবাক্যে দুটি পদ থাকে। আর দুটি পদকে যুক্ত করে সংযোজক। তাই বলা যায়, কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনকারী যোজক হলো সংযোজক। কোনো একটি যুক্তিবাক্যের জন্য সংযোজক অপরিহার্য। কেননা সংযোজক ছাড়া কোনো যুক্তিবাক্য গঠন করা যায় না। আর প্রত্যেকটি যুক্তিবাক্য 'উদ্দেশ্য সংযোজক বিধেয়' আকারে প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ, কোনো যুক্তিবাক্যের প্রথমে থাকে উদ্দেশ্য পদ, তারপর সংযোজক এবং সবশেষে থাকে বিধেয় পদ। তাই সংযোজক উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদকে যুক্ত করে যুক্তিবাক্য গঠন করে।
উদ্দীপকের ছক-১ দ্বারা বিশেষ নঞর্থক এবং ছক-২ দ্বারা সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য গঠন করা সম্ভব। ব্যাখ্যা করা হলো-
যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ অস্বীকার করে তাকে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। এই প্রকার যুক্তিবাক্য পরিমাণের দিক থেকে বিশেষ। আর গুণের দিক থেকে নঞর্থক। উদ্দীপকের, ছক-১ এর শব্দগুলো হলো- মাংসাশী নয় কিছু পশু। এই শব্দগুলোকে যুক্তিবাক্যের আকারে সাজালে কিছু পশু নয় মাংসাশী। এখানে যুক্তিবাক্যটির বিধেয় পদ মাংসাশী উদ্দেশ্য পদ পশু এর আংশিক ব্যক্ত্যর্থ স্বীকার করেছে। তাই ছক-১ দ্বারা গঠিত যুক্তিবাক্যের মাধ্যমে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে।
আবার যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করে তাকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকের ছক-২-এর শব্দগুলো হলো- কারিগর সাংসদ সকল আইনের হয়। এই শব্দগুলোকে যুক্তিবাক্যের আকারে সাজালে- সকল সাংসদ হয় আইনের কারিগর। এই যুক্তিবাক্যটি পাওয়া যায়। এখানে গঠিত যুক্তিবাক্যটির বিধেয় পদ আইনের কারিগর উদ্দেশ্য পদ সাংসদ এর সমগ্র ব্যক্তর্থকে স্বীকার করেছে। তাই ছক-২ দ্বারা গঠিত যুক্তিবাক্যের মাধ্যমে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে।
উদ্দীপকের ছক-৩ দ্বারা সার্বিক নঞর্থক এবং ছক-৪ দ্বারা বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য পাওয়া সম্ভব।নিচে গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুসারে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুযায়ী যুক্তিবাক্যকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যার মধ্যে একটি হলো সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য। যে যুক্তিবাকোর বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যস্তার্থকে অস্বীকার করে তাকে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকের ছক- ৩ এর শব্দগুলোকে যুক্তিবাক্যের আকারে সাজালে কোনো দুর্নীতিবাজ নয় দেশ প্রেমিক। এই যুক্তিবাক্যটি পাওয়া যায়। এখানে যুক্তিবাক্যটির বিধেয় পদ দেশপ্রেমিক উদ্দেশ্য পদ দুর্নীতিবাজ এর সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে অস্বীকার করেছে। তাই ছক-২ দ্বারা গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুযায়ী সার্বিক নঞর্থক বা যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে।
আবার, গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুসারে যুক্তিবাক্যকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যার মধ্যে একটি হলো বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করে তাকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকের ছক-৪ এর শব্দগুলোকে যুক্তিবাক্যের আকারে সাজালে- কিছু কৃষক হয় প্রযুক্তি নির্ভর এই যুক্তিবাক্য পাওয়া যায়। এখানে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি প্রযুক্তিনির্ভর উদ্দেশ্য পদ কৃষক এর আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করেছে। তাই ছক-৪ দ্বারা গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুযায়ী বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে।