1 মোল পানি উৎপন্ন করতে যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয় তাকে প্রশমন তাপ বলে।
মৌমাছি বা পোকামাকড়ে কামড়ালে ক্ষতস্থান জ্বালা-যন্ত্রণা করে। এ যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আমরা ক্ষতস্থান চুন লাগাই। পোকামাকড়ে অর্থাৎ পিঁপড়ার মুখ বা মৌমাছির হুলে এক ধরনের এসিড থাকে যেটি জ্বালা-যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। ক্ষতস্থানে চুন (ক্ষারক) যোগ করার ফলে এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে সেটি প্রশমিত হয়। ফলে জ্বালা-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই মৌমাছির কামড়ে ক্ষতস্থানে চুন লাগানো হয়।
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি হলো-
উক্ত বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের স্থানান্তর ঘটে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো-যে বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক অণুসমূহের পরমাণুগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে এবং পরমাণু বা আয়নের চার্জের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে তাকে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া বলে।
এখানে, সালফেট বিজারক হিসেবে ২টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয়েছে।
আর জারক FeCl3 এর আয়রন 1টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়েছে। অর্থাৎ,
সুতরাং বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের স্থানান্তর ঘটেছে।
উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,
এ বিক্রিয়ায় , এর সাথে বিক্রিয়া করেছে। পানির অণুতে ধনাত্মক আয়ন ও ঋণাত্মক আয়ন থাকে। কোনো যৌগের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশ পানির বিপরীত আধানবিশিষ্ট দুই অংশের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন যৌগ উৎপন্ন হলে বিক্রিয়াটিকে পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে। উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় , এর আয়ন পানির আয়নের সাথে ও আয়ন পানির আয়নের সাথে যুক্ত হয়ে ও উৎপন্ন করে।
যেহেতু এর দুই অংশ ও পানির বিপরীত আধানবিশিষ্ট দুই অংশের সাথে যুক্ত হয় তাই এ বিক্রিয়াটি একটি পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া।
আবার, যে বিক্রিয়ায় উৎপন্ন যৌগ অধঃক্ষেপ হিসেবে পাত্রের তলদেশে জমা হয় তাকে অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া বলা হয়। (ii) নং বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পানিতে অদ্রবণীয়। তাই এটি পানিতে দ্রবীভূত না হয়ে অধঃক্ষেপ হিসেবে পাত্রের তলদেশে জমা হয়। তলদেশে এটি কঠিন হিসেবে অবস্থান করে। সুতরাং বিক্রিয়াটি একটি অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়াও বটে।
অতএব উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের বিক্রিয়া দেখায়।
