A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – জীবনীশক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ৩য় অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর: ১৭🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

শক্তি জমা করে রাখে এবং প্রয়োজন অনুসারে অন্য প্রক্রিয়ায় শক্তি সরবরাহ করে এমন শক্তিসমৃদ্ধ যৌগই হলো জৈবমুদ্রা।

উত্তর:

যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং শ্বসনিক বস্তু (শর্করা, প্রোটিন, লিপিড, বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড) সম্পূর্ণভাবে জারিত হয়ে CO2, H₂O ও বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে তাকে সবাত শ্বসন বলে। যেহেতু সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের মাধ্যমে জৈব যৌগের জারণের ফলে শক্তি উৎপন্ন হয়। তাই সবাত শ্বসনে অক্সিজেন অপরিহার্য।

উত্তর:

উদ্দীপকের P হলো গ্লুকোজ বা শর্করা। যা আলোর উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ উৎপন্ন হয়।
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলো ও ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে CO₂ ও H₂O-এর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি হয় এবং O₂ নির্গত হয়। প্রক্রিয়াটি আলোক ও অন্ধকার পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। আলোক পর্যায়ে সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এ পর্যায়ে ATP ও NADPH₂ তৈরি হয়। আলোর উপস্থিতিতে ক্লোরোফিল অণু হতে ইলেকট্রন (e) উৎক্ষিপ্ত হয় এবং বিভিন্ন বাহকের মধ্য দিয়ে পূর্বের ক্লোরোফিল অণুতে অথবা অন্য ক্লোরোফিল অণুতে পৌঁছায়। এ সময় পথিমধ্যে ATP তৈরি হয়। আবার চক্রীয় পথে NADPH₂ তৈরি হয়। সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায়ে অচক্রীয় পথে H₂O-এর সালোক বিভাজন ঘটে এবং সেখান থেকে O2 নির্গত হয়। অন্ধকার পর্যায়ে আলোর কোনো প্রয়োজন হয় না। এ পর্যায়ে আলোক পর্যায়ে উৎপন্ন ATP ও NADPH₂ এর সহায়তায় CO₂ বিজারিত হয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য গ্লুকোজ তৈরি হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে চিত্র-Q দ্বারা প্রস্বেদন প্রক্রিয়াকেক নির্দেশ করা হয়েছে। প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার জৈবিক কার্যসম্পাদনে বাহ্যিক প্রভাব তাপমাত্রা, আলো, বায়ু প্রবাহ ইত্যাদি উপাদানগুলোর কার্যকারিতা অনস্বীকার্য। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
(i) তাপমাত্রা (Temperature) : তাপমাত্রার তারতম্যের সঙ্গে প্রস্বেদনের হারও ওঠা-নামা করে। অধিক তাপে পানি সহজেই বাষ্পে পরিণত হতে পারে বলে প্রস্বেদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে প্রস্বেদনের হারও দ্রুততর হয়। তার তাপমাত্রা কমে গেলে স্বাভাবিক নিয়মেই প্রস্বেদনের হারও কমে যায়।
(ii ) আলো (Light) : আলোর উপস্থিতিতে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়, ফলে প্রস্বেদনের হার বৃদ্ধি পায়। কিন্তু অন্ধকারে পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকায় এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। আলোর তারতম্যের জন্য পত্ররন্ধ্রের আকারেও হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। ফলে প্রস্বেদনের হারও ওঠা-নামা করে। আলো উদ্ভিদদেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমেও প্রস্বেদন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
(iii) বায়ুপ্রবাহ (Wind) : প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদের চারদিকের বায়ু সিক্ত হয়ে ওঠে, ফলে এই প্রক্রিয়ার হার কমতে থাকে। যখন বায়ুপ্রবাহ সম্পৃক্ত বায়ু দূরে সরিয়ে দেয় তখন এই হার আবার বৃদ্ধি পায়। বায়ুপ্রবাহের ফলে পত্রগুলো আন্দোলিত হয় এবং পত্ররন্ধ্রে চাপ পড়ে। ফলে অধিক হারে জলীয়বাষ্প রন্দ্রপথে বের হয়। এসব কারণে বায়ুপ্রবাহের তারতম্যে প্রস্বেদন হারেরও তারতম্য ঘটে। বায়ুচাপ বৃদ্ধিতে বাষ্পীভবন ক্রিয়া হ্রাস পায়, ফলে প্রস্বেদন কমে যায়। আবার বায়ুচাপ কমে গেলে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্বেদনের হারও বেড়ে যায়।
তাই আলোচনা থেকে বলা যায়, প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় তাপমাত্রা, আলো, বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদি উপাদানের কার্যকারিতার গুরুত্ব অপরিসীম।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – জীবনীশক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”