A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ৪র্থ অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর: ২০🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

উদ্ভিদের পাতা নাইট্রোজেনের অভাবে হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস বলে।

উত্তর:

সুস্বাস্থের জন্য BMI এর আদর্শ মান হলো ১৮.৫- ২৪.৯। কারও BMI এর মান ৩০ হলে বোঝা যায় যে সে মোটা হওয়ার প্রথম স্তরে রয়েছে। এই স্তরের BMI মান মানবদেহের জন্য সমস্যার কারণ। এতে মানবদেহ সহজেই বিভিন্ন স্থূলতাজনিত রোগ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ইত্যাদিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। আবার BMI এর মান ৪০ হওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত মোটাত্বের স্তর। এই স্তর মানবদেহের সুস্বাস্থ্যের জন্য এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে এতে মৃত্যুঝুঁকিও রয়েছে। তাই ৩০ বা ৪০ এর উপরে BMI মান মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

উত্তর:

উদ্দীপকে 'C' হলো তেল বা স্নেহপদার্থ। উক্ত খাদ্য উপাদান মানবদেহে যেভাবে পরিপাক হয় তা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-
মানবদেহে লাইপেজ এনজাইমই স্নেহ পদার্থকে ভেঙে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। স্নেহপদার্থ পরিপাকে লাইপেজ এনজাইম এর ভূমিকা অতুলনীয়।
ক্ষুদ্রান্ত্রে স্নেহপদার্থের পরিপাক ঘটে থাকে। যকৃৎ থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয়। এটি অম্লীয় অবস্থায় খাদ্যকে ক্ষারীয় করে পরিপাকের উপযোগী করে তোলে। পিত্তরসের অন্যতম উপাদান পিত্তলবণ প্রথমে স্নেহপদার্থের ক্ষুদ্র কণাগুলোকে পানির সাথে মিশতে সাহায্য করে। লাইপেজের কাজ সঠিকভাবে সম্পাদনের জন্য পিত্তলবণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ লবণের সংস্পর্শে স্নেহপদার্থ সাবানের ফেনার মতো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানায় পরিণত হয়। স্নেহবিশ্লেষক লাইপেজ এনজাইম পরবর্তীতে এই ক্ষুদ্র দানাগুলোকে ভেঙে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। এভাবে কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে স্নেহপদার্থ পরিপাকে পিত্তরস ও লাইপেজ এনজাইম সাহায্য করে থাকে।

উত্তর:

উদ্দীপকে A ও B হলো আলু ও মাছ যেগুলো যথাক্রমে শর্করা ও আমিষ জাতীয় খাদ্য। শর্করা ও আমিষের পরিপাক প্রধানত ভিন্ন ভিন্ন স্থানে সম্পন্ন হয়।
প্রাথমিকভাবে শর্করার পরিপাক ঘটে মুখগহ্বরে। এখানে লালার অ্যামাইলেজ এনজাইম শ্বেতসার জাতীয় শর্করাকে মল্টোজে পরিণত করে। এরপর পাকস্থলীতে শর্করার কোনো পরিপাক হয় না। ক্ষুদ্রান্ত্রে পাচক রসের এনজাইম দ্বারা শর্করা পরিপাকের কাজ চলতে থাকে। এখানে শ্বেতসার জাতীয় খাবার অ্যামাইলেজ এনজাইমের প্রভাবে গ্লুকোজে পরিণত হয়।

আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক মূলত পাকস্থলীতে হয়। পাকস্থলীতে খাদ্য আসার পর অন্তঃপ্রাচীরের গ্যাস্ট্রিকগ্রন্থি থেকে গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরিত হয়। এই রসের উপাদান হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাদ্যের মধ্যে কোনো অনিষ্টকারী ব্যাকটেরিয়া থাকলে তা মেরে ফেলে, নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেনকে সক্রিয় পেপসিনে পরিণত করে এবং পাকস্থলীতে পেপসিনের সুষ্ঠু কাজের জন্য অম্লীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে। পেপসিন এনজাইম আমিষকে ভেঙে দুই বা ততোধিক অ্যামাইনো এসিড দ্বারা তৈরি যৌগ গঠন করে যা পলিপেপটাইড নামে পরিচিত।

ক্ষুদ্রান্ত্রে আবার এই পলিপেপটাইড ট্রিপসিন এনজাইমের প্রভাবে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও সরল পেপটাইডে পরিণত হয়।

তাই উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, শর্করা ও আমিষ জাতীয় পরিপাক প্রক্রিয়ার স্থান ভিন্ন ভিন্ন।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”