A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম কলেজ ২০২৫ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — চলন ও অঙগচালনা🔢 সৃজনশীল নং ৪৭🏢 প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যেসব টিস্যু' সঙ্কোচন-প্রসারণক্ষম তন্তু সদৃশ্য অসংখ্য কোষ নিয়ে গঠিত এবং যাদের ক্রিয়ায় দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটে তাদের পেশিটিস্যু বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যেসব অস্থির উৎপত্তি পেশির টেনডন থেকে তাদের সিসাময়েড অস্থি বলে। ফিমারের প্রান্তে প্যাটেলা নামে একটি প্রায় ত্রিকোণাকার অস্থি অবস্থিত। এই অস্থির উৎপত্তি পেশির টেনডন থেকে তাই একে সিসাময়েড অস্থি বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের A পেশিটি হলো ঐচ্ছিক পেশি। নিচে ঐচ্ছিক পেশির গঠন বর্ণনা করা হলো-

ঐচ্ছিক পেশির কোষগুলো বা পেশিতন্তুগুলো গুচ্ছ আকারে অবস্থান করে। পেশিতন্তুর এ ধরনের প্রতিটি গুচ্ছকে ফ্যাসিকুলাস বলা হয়। এসব গুচ্ছ যোজক কলা নির্মিত পেরিমাইসিয়াম নামক আবরণে আবৃত থাকে। কতগুলো ফ্যাসিকুলি মিলিত হয়ে একটি বৃহৎ গুচ্ছ গঠন করে। যোজক কলা নির্মিত এপিমাইসিয়াম দ্বারা এসব গুচ্ছ আবৃত থাকে। প্রতিটি পেশিতন্তু নলাকার, অশাখান্বিত ও আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত। পেশিতন্তুর বা পেশি কোষের আবরণকে সারকোলেমা এবং সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। সারকোপ্লাজমে একাধিক গোলাকার বা ডিম্বাকার নিউক্লিয়াসসহ প্রায় সকল কোষীয় অঙ্গাণুই উপস্থিত থাকে। এছাড়া সারকোপ্লাজমে মায়োফাইব্রিল নামক অসংখ্য অনুসূত্রক সমান্তরালভাবে সজ্জিত থাকে। প্রতিটি মায়োফাইব্রিল প্রধানত। অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন ফিলামেন্ট দ্বারা গঠিত। অ্যাকটিন ফিলামেন্টে ট্রপোমায়োসিন ও ট্রপোনিন নামক দুটি প্রোটিন অণু যুক্ত হয়ে অ্যাকটিন ফিলামেন্ট কমপ্লেক্স গঠন করে। মায়োফাইব্রিলে অনুপ্রস্থ ও একান্তরভাবে সজ্জিত কতগুলো স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ বা গাঢ় দাগ দেখা যায়। স্বচ্ছ দাগগুলো I ব্যান্ড ও অস্বচ্ছ দাগগুলোকে "A" ব্যান্ড নামে চিহ্নিত করা হয়। অ্যাকটিন ও মায়োসিনের বিন্যাসের কারণেই মায়োফাইব্রিলে স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ ডোরা সৃষ্টি হয়। এসব ডোরা বা দাগের কারণেই ঐচ্ছিক পেশিকে অমসৃণ বা রৈখিক পেশি বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক অনুসারে চিত্রটি দ্বারা হাঁটুর সঞ্চালনকে দেখানো হয়েছে। হাঁটুর সঞ্চালনে অস্থির সাথে পেশির সমন্বয় ঘটে। নিচে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হলো-
বক্রীকরণ পেশি: জানুসন্ধি পিছন দিকে বাঁকাতে দুটি পেশিগুচ্ছের প্রয়োজন হয়, এদের হ্যামস্ট্রিং পেশি এবং গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস পেশি বলে। হ্যামস্ট্রিং পেশি তিনটি পেশি নিয়ে গঠিত। এগুলো হচ্ছে বাইসেপস ফিমোরিস, সেমিমেন্ত্রেনোসাস এবং সেমিটেন্ডিনোসাস। পেশিগুলো শ্রোণিচক্রের ইশ্চিয়াম অংশে উৎপন্ন হয়ে ফিমারের পিছন দিয়ে টিবিয়ার উপরে যুক্ত হয়েছে। এদের সঙ্কোচনে ফিমার ও টিবিয়া কাছাকাছি আসে এবং হাঁটুসন্ধিতে ভাঁজ সৃষ্টি হয়।

গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস পেশি ফিমারের কনডাইল থেকে সৃষ্টি হয়ে টিবিয়ার পিছন দিয়ে গোড়ালিঅস্থির সঙ্গে অ্যাকিলিস কন্ডরা দিয়ে যুক্ত হয়। এর সঙ্কোচনে ফিমার ও টিবিয়া নিকটবর্তী হয়, ফলে হাঁটুসন্ধি পিছন দিকে ভাঁজ হয়।
প্রসারণ পেশি : উরুর সামনে অবস্থিত চারটি পেশি নিয়ে গঠিত কোয়াড্রিসেপস ফিমোরিস হাঁটুসন্ধির প্রসারণ ঘটায়। এটি শ্রোণি থেকে উৎপন্ন রেকটাস ফিমোরিস এবং ফিমারের সামনে থেকে উৎপন্ন তিনটি ভ্যাসটি পেশি ভ্যাসটাস মিডিয়ালিস, ভ্যাসটাস ল্যাটারালিস এবং ভ্যাসটাস ইন্টারমিডিয়াস নিয়ে গঠিত। এ তিনটি পেশি একসঙ্গে প্যাটেলা টেন্ডনের মাধ্যমে টিবিয়ার সামনে যুক্ত হয়। এসব পেশির সঙ্কোচনে হাঁটুসন্ধির প্রসারণ ঘটে।
অতএব উল্লেখিত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, হাঁটুর সঞ্চালনে অস্থির সাথে পেশির সমন্বয় ঘটে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম কলেজ ২০২৫ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”