A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ছোটবেলা থেকেই তমাল…’ a – প্রাণীর আচরণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — প্রাণীর আচরণ🔢 সৃজনশীল নং ৫🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ছোটবেলা থেকেই তমাল পাখি, গাছপালা, পতঙ্গ, প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি যথেষ্ট কৌতূহলী। শীতের শেষে ছুটি কাটাতে তার বাবার সাথে সে সুন্দরবন বেড়াতে গেল। সেখানে বিভিন্ন ধরনের বন্যপ্রাণী, গাছপালা, পাখির বাসায় বাচ্চা পালন অর্থাৎ অপত্য লালন এবং মৌমাছির চাঁক দেখতে পেল।   [বরিশাল বোর্ড ২০১৫ ]

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নির্দিষ্ট কোনো উদ্দীপকের প্রতি সাড়া প্রদানের উদ্দেশ্যে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তাই আচরণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপনা মাত্রার তীব্রতার প্রতি একটি জীবের সহজাত আচরণগত সাড়া দেওয়া হচ্ছে ট্যাক্সিস। এটি অন্যতম সহজাত আচরণ এবং অভিযোজনযোগ্য। ট্যাক্সিসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, জীব অপরিবর্তনীয় সাড়া দান করে; স্থানিক দিক-মুখিতা প্রদর্শন করে; দিকমুখিতায় সম্পূর্ণ দেহ জড়িত থাকে; চলনের দিক অবিরাম বহিঃউদ্দীপনায় পরিচালিত হয় এবং দিকমুখি চলন সরাসরি উদ্দীপনা শক্তির সমানুপাতিক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো পাখি। নিচে পাখির "অপত্য লালন" বিশ্লেষণ করা হলো-
ডিম ও বাচ্চার যত্ন নেওয়া পাখিদের সহজাত আচরণ। ডিম পাড়ার পরে নির্দিষ্ট কিছুদিনের জন্য ডিমে তা দিতে হয়। এসময়ে জোড়ার একটি পাখি অথবা পালাক্রমে উভয় পাখি নিজেদের আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফুটায়। পাখিরা তাদের পছন্দমতো খাবার দূর-দূরান্ত থেকে নিয়মিত সংগ্রহ করে এনে বাচ্চাদের খাওয়ায়। বাচ্চাগুলো একটু শক্তসমর্থ হলে তাদের মুখে সরাসরি খাবার তুলে না দিয়ে ক্রমে ক্রমে নিজেরাই যাতে খাবার ধরে খেতে অভ্যস্ত হয় সেই প্রশিক্ষণও দেয়। পাখিরা তাদের বাসাকে অপরিচ্ছন্ন হতে দেয় না। ডিমের খোসা, বাচ্চাদের মল, খাদ্যের অবশিষ্ট ইত্যাদি তারা নিয়মিত পরিষ্কার করে এবং বাসাকে সর্বদা শুষ্ক ও গরম রাখার ব্যবস্থা করে। পাখিদের হাজারো শত্রু। সেসব শত্রুদের হাত থেকে ডিম ও বাচ্চাদের রক্ষা করতে তারা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। কখনো বা শত্রুকে ধোকা দিয়ে, কিংবা যুদ্ধ করে শত্রুকে বিতাড়িত করে বাচ্চাদের রক্ষা করে। বাচ্চারা যাতে অতিদ্রুত স্বাবলম্বী হতে পারে সেই উদ্দেশ্যে পাখিরা তাদের বাচ্চাগুলোকে উড়তে শেখানো, খাদ্য অনুসন্ধান করা, খাদ্য খাওয়া, গান করা বা ডাকতে শেখানো প্রভৃতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মৌমাছি একত্রে বাস করে ঝাঁক বেঁধে সমাজবদ্ধ জীবের ন্যায় আচরণ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-

মৌমাছি সামাজিক পতঙ্গ। এরা মৌচাক তৈরি করে দলবদ্ধভাবে বাস করে। মৌমাছির কলোনিতে শ্রমবিভাজনের ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক জীবনযাপনের কার্যপদ্ধতির সুসংঘঠিত রূপ স্পষ্টরূপে নজরে পড়ে। মৌমাছির, সামাজিক জীবন প্রত্যক্ষ করলে দেখা যায় এরা চরমভাবে অ্যাল্টুইস্টিক। এরা নিজের স্বার্থে কোনো কাজ করে না। এদের প্রতিটি কাজই সমাজের জন্য এবং এরা সমাজের প্রতি নিবেদিত প্রাণ। সামাজিক বন্ধন অটুট রাখতে মৌমাছিরা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে চলে। সামাজিক সংগঠনের অংশ হিসেবে মৌমাছিরা মৌচাকে বসতিবদ্ধ হয়ে একটি বড় পরিবার বা সমাজ গড়ে বাস করে। দৈহিক গঠন ও শ্রমবিভাজনের ভিত্তিতে মৌচাকে তিন জাতের সদস্য দেখা যায়। এরা হলো রাণী মৌমাছি, পুরুষ মৌমাছি ও শ্রমিক মৌমাছি। মৌমাছিদের সামাজিক ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক এবং এক্ষেত্রে রাণীই সমাজের মধ্যমণি। একটি কলোনীতে একটিমাত্র রাণীর নেতৃত্বে দুই শতাধিক পুরুষ ও ১০,০০০ থেকে ৮০,০০০ কর্মী মৌমাছি বাস করে। পুরুষ মৌমাছি, কলোনীতে অন্য মৌমাছির অনুপ্রবেশ ঘটলে কলোনীকে রক্ষার জন্য এবং কলোনির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের কাজে সহায়তা করে থাকে। আর কর্মী মৌমাছিরা আকারে ক্ষুদ্রতম সদস্য হলেও সংখ্যায় এরা সর্বাধিক। এরা মৌচাকের যাবতীয় কর্ম সম্পাদন করে থাকে।
উপরোক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে, মৌমাছি ঝাঁক বেঁধে একত্রে সামাজিক জীবন-যাপন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ছোটবেলা থেকেই তমাল…’ a – প্রাণীর আচরণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”