A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘চিরযুবা তুই যে…’ a – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — সুচেতনা🔢 সৃজনশীল নং ৭🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

চিরযুবা তুই যে চিরজীবী,

জীর্ণ জরা ঝরিয়ে দিয়ে

প্রাণ অফুরান ছড়িয়ে দেদার দিবি।

সবুজ নেশায় ভোর করেছিস ধরা,

ঝড়ের মেঘে তোরই তড়িৎ ভরা,

বসন্তেরে পরাস আকুল-করা

আপন গলার বকুল-মাল্যগাছা।

আয় রে অমর, আয় রে আমার কাঁচা।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৃথিবীর মানুষকে কবি মানুষের মতো ভালোবাসতে চেয়েছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ সুচেতনা পৃথিবীতে আলো জ্বালাবে বলে মনে করেন কবি।

➤ 'সুচেতনা' কবিতার কবি বিশ্বাস করেন সুচেতনা দূরতর দ্বীপের মতো একটি ধারণা, যা পৃথিবীর নির্জনতায়, যুদ্ধে কিংবা রক্তপাতে নিঃশেষিত নয়। কবির চেতনাগত এই সত্তা বর্তমান পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করে ইহলৌকিক পৃথিবীকে সুস্থ ও সুন্দর করবে এবং পৃথিবীর মানুষকে রাখবে জীবনময় করে। এভাবেই সুচেতনা পৃথিবীতে আলো জ্বালাবে। 

সারকথা: জরা-জীর্ণতা দূর করে সুচেতনা এই পৃথিবীতে আলো জ্বালাবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপকের ভাব 'সুচেতনা' কবিতায় প্রকাশিত সুন্দর প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরপুর এক পৃথিবী প্রত্যাশার ভাবের সমার্থক।

➤ এ পৃথিবীতে মানবিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হলে আগে আমাদেরই মানবিক চেতনার বিকাশ ঘটাতে হবে। তবেই প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর এক পৃথিবী নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

➤ উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি নবজীবনের আশ্বাসে নতুন প্রজন্মকে আহ্বান করেছেন। এখানে পৃথিবীর জরাজীর্ণ স্থবিরতা পিছনে ফেলে নতুনভাবে প্রাণস্পন্দন সৃষ্টি করতে চির তরুণদের আহ্বান জানানো হয়েছে। কবি মনে করেন এরাই পৃথিবী থেকে জরা, জীর্ণতা দূর করে পৃথিবীকে সুন্দর করতে পারে। এ বিষয়টি 'সুচেতনা' কবিতায় প্রকাশিত নতুন জীবনের প্রতি আহ্বান জানানোর ভাবের সমার্থক। কবি মনে করেন রাত যেমন শাশ্বত, চিরকালীন তেমনই সূর্যোদয়ও অনন্ত ও অনিবার্য। এ পৃথিবীতে একদিকে হিংসা ও বীভৎসতা, অন্যদিকে মানবিকতা ও নতুন জীবনের আহ্বান। কবি তাই প্রত্যাশা করেন একদিন সব হিংসা-দ্বেষ দূর হয়ে পৃথিবী সুন্দর ও প্রাচুর্যময় হয়ে উঠবে। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য কবিতার এ ভাবটিরই সমার্থক উদ্দীপকটি। 

সারকথা: 'সুচেতনা' কবিতায় প্রকাশিত নতুন জীবনের প্রতি আহবানের বিষয়টির সঙ্গে উদ্দীপকটির সাদৃশ্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার গভীরতাকে ধারণ করতে পারেনি- মন্তব্যটি যথার্থ।

➤ মানুষের চেতনায় যখন শুভবোধের উদয় হয় তখনই একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য আমাদের সমস্ত হীনম্মন্যতা, হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে যেতে হবে। একসঙ্গে দেশ তথা পৃথিবী গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।

➤ উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি তরুণ যুবকদের নতুন ও সজীব এক পৃথিবী গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জরা, মৃত্যু, শোক, হিংসাকে দূরে ঠেলে বিশ্বময় 'প্রাণের স্পন্দন ছড়িয়ে দিতে কবি চিরযুবাদের স্তুতি করেছেন। উদ্দীপকের এ ভাবটি 'সুচেতনা' কবিতার একটি ভাবের প্রতি ইঙ্গিত করে মাত্র, সমগ্র কবিতাকে নয়। কেননা আলোচ্য কবিতায় পৃথিবীর অবস্থা, বৈষম্য, হিংসা-দ্বেষ-ঘৃণা, অমানবিকতা, ধ্বংসাত্মক ইত্যাদি চিত্র প্রকাশ পেয়েছে যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

➤ 'সুচেতনা' কবিতায় কবি সুচেতনাকে এক দূরতর নির্জন দ্বীপ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এরপর তিনি পৃথিবীর ধ্বংসোম্মুখ চালচিত্র তুলে ধরেছেন। চারদিকে অমানবিকতা, বৈষম্য, হিংসা দেখে এটিকে কবি পৃথিবীর গভীরতর অসুখ বলেছেন এবং এটি থেকে পরিত্রাণ পেতে, সর্বোপরি নতুন এক মানবিক পৃথিবী গড়তে আহ্বান জানিয়েছেন। এসব বিষয় ও ভাব উদ্দীপকে সম্পূর্ণভাবে উপস্থাপিত হয়নি। উদ্দীপকে কেবল একটি দিকের প্রকাশ ঘটেছে মাত্র। সুতরাং বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ। 

সারকথা: উদ্দীপকে জরাজীর্ণ পৃথিবীকে পিছনে ফেলে নতুন ও সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রত্যাশা করা হয়েছে, যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি দিক মাত্র। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘চিরযুবা তুই যে…’ a – সুচেতনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”