A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘চিতলমারী গ্রামের নারীরা…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৫ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — লালসালু🔢 সৃজনশীল নং ৯৯🏫 বোর্ড বরিশাল বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

চিতলমারী গ্রামের নারীরা শিক্ষায় অধিকতর পিছিয়ে থাকার কারণে সেখানে বাল্যবিবাহ নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। বাল্যবিবাহ রোধে ঐ গ্রামের শিক্ষিত ছেলে আবদুল করিম একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত সবাই এ উদ্যোগকে সমর্থন করেন। ফলে আবদুল করিম দ্রুতই গ্রামে বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করতে সক্ষম হন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ধলা মিয়া খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় পক্ষের শ্যালক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে-চোখ।”- শিলাবৃষ্টির পর মজিদসহ মহব্বতনগরবাসী সম্পর্কে বলা হয়েছে "বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে-চোখ।"
'লালসালু' উপন্যাসের শেষাংশে দেখা যায়, মহব্বতনগরে শিলাবৃষ্টিতে ধানখেত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। সেই ধানখেত দেখে সবাই স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। তাদের দৃষ্টিতে কোনো ভাব বা উদ্দেশ্য পরিলক্ষিত হয় না। এই পরিস্থিতিতে মজিদ সবাইকে খোদার ওপর বিশ্বাস রাখতে বলে। তখন সবার দৃষ্টি দেখে মনে হয় যেন তাদের চোখের মধ্যে আশা ও বিশ্বাসের দৃঢ়তা প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিতলমারী গ্রামের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনামূলক বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।
'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বতনগর গ্রামের মানুষ কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসে আচ্ছন্ন। আক্কাসের প্রচেষ্টায় স্কুল প্রতিষ্ঠায় সায় না দিয়ে তারা ধর্মব্যবসায়ী মজিদের মসজিদ-মক্তবের প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তকে মেনে নেয়।
উদ্দীপকের চিতলমারী গ্রামের সমাজবাস্তবতার মাঝে জনগোষ্ঠীর আলোকপ্রত্যাশী মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে। এ গ্রামের শিক্ষিত ছেলে আবদুল করিমের বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবে তারা সম্মতি জানায়। ফলে দ্রুতই গ্রামে বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সফল হয়। বিষয়টি 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার ঠিক বিপরীত চিত্র তুলে ধরেছে। সেই গ্রামের অধিকাংশ মানুষই অশিক্ষিত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। ফলে গ্রামেরই শিক্ষিত যুবক আক্কাস গ্রামে শিক্ষার বিস্তার ঘটানোর জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে গ্রামবাসীর সমর্থন সে পায়নি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"উদ্দীপকে আবদুল করিম কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলেও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার কারণে ব্যর্থ হয়েছে।" মন্তব্যটি যথার্থ।
'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতা সংস্কারাচ্ছন্ন। সেই সংস্কারকে কাজে লাগিয়ে ধর্মব্যবসায়ী মজিদ নিজ স্বার্থকে, চরিতার্থ করেছে। পক্ষান্তরে, আক্কাসের মতো শিক্ষিত লোকদের সমাজ সংস্কারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
উদ্দীপকের চিতলমারী গ্রামের সমাজবাস্তবতা সম্পূর্ণ বিপরীত। এখানকার জনগণ আলোকপ্রত্যাশী। তারা শিক্ষিত যুবক আবদুল করিমের শিক্ষাবিস্তারের প্রকল্পকে সাদরে গ্রহণ করে। এতে আবদুল করিমের বালিকা বিদ্যালয়ের স্বপ্ন খুব সহজেই বাস্তবে রূপলাভ করে। কিন্তু 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের সহযোগিতা না পাওয়ায় মজিদের চক্রান্তে আক্কাস ব্যর্থ হয়।
'লালসালু' উপন্যাসে অস্তিত্বের সংকটে মজিদ মহব্বতনগর গ্রামের সাধারণ মানুষের বিশ্বাসকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে। মজিদ বুঝতে পারে আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠা সফল হলে তা তার ধর্মব্যাবসার অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। তাই সে গ্রামের ধর্মান্ধ মানুষকে আক্কাসের বিরুদ্ধে উসকে দেয়। আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ব্যর্থ হয়। উদ্দীপকের চিতলমারী গ্রামের সমাজব্যবস্থা অনেকাংশে আধুনিক মনোভাবপুষ্ট। ফলে তারা আবদুল করিমের বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইচ্ছার প্রতি সমর্থন জানায়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের আবদুল করিম কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলেও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার কারণে ব্যর্থ হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘চিতলমারী গ্রামের নারীরা…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৫ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”