A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘চিত্রটি লক্ষ কর…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ১০ম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর:🏫 বোর্ড: দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

উত্তর:

প্রাণীদেহের বাইরে সংঘটিত নিষেক ক্রিয়াকে বহিঃনিষেক বলে।

উত্তর:

যেসব উদ্ভিদের ফুলে বায়ুর মাধ্যমে পরাগায়ন ঘটে থাকে তাদের বায়ুপরাগী ফুল বলে। এদের ফুল হালকা ও মধুগ্রন্থিহীন। এদের ফুলে সুগন্ধ নেই। এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। ধানের ক্ষেত্রে এসব বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। এজন্য ধানকে বায়ুপরাগী ফুল বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের চিত্রের X চিহ্নিত অংশটি হচ্ছে পুংগ্যামেট। পুংগ্যামেটকে পুংগ্যামেটোফাইটও বলে। নিচে পুংগ্যামেটোফাইট সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
পরাগরেণু পুংগ্যামেটোফাইটের প্রথম কোষ। পরাগরেণু দ্বি-স্তরবিশিষ্ট। বাইরের স্তরটি অমসৃণ এবং ভিতরের স্তরটি মসৃণ।
বাইরের স্তরে জার্মপোর বা পরাগরন্দ্র থাকে। পরাগরেণু পরাগধানীতে থাকা অবস্থায়ই নিউক্লিয়াসটি বিভাজিত হয়ে দুইটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। ছোটটিকে জনন নিউক্লিয়াস এবং বড়টিকে নালিকা নিউক্লিয়াস বলে। পরাগরেণু উপযুক্ত গর্ভমুণ্ডে পতিত হওয়ার পর রস শোষণ করে স্ফীত হয়। ভিতরের স্তরটি পরাগরন্ধ্র দিয়ে বেরিয়ে আসে এবং পরাগনালিকা গঠন করে। নালিকা নিউক্লিয়াসটি পরাগ নালিকার সামনে থাকে। জনন নিউক্লিয়াসটি পিছনে থাকে। ডিম্বকরন্দ্রের কাছাকাছি পৌঁছালে জনন নিউক্লিয়াস মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুইটি পুংগ্যামেট তৈরি করে।

উত্তর:

চিত্রের XY দ্বারা পুংগ্যামেট (n) ও স্ত্রীগ্যামেটকে (n) বোঝানো হয়েছে। পুংগ্যামেট ও স্ত্রীগ্যামেটের মিলন হলো নিষেক। এ নিষেক প্রক্রিয়া জীবজগতকে টিকিয়ে রেখেছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
উদ্ভিদের উপর সমস্ত প্রাণিকূল নির্ভরশীল। কারণ পৃথিবীর সকল প্রাণীই খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল। প্রকৃতিতে উদ্ভিদ টিকে না থাকলে প্রাণিকুলের অস্তিত্বও বিলীন হয়ে যাবে। আমরা জানি, উদ্ভিদের বিশেষ করে সপুষ্পক উদ্ভিদের টিকে থাকা নির্ভর করে বীজের উপর। আবার নিষেকের পর নিষিক্ত ডিম্বকই ধীরে ধীরে বীজে পরিণত হয় এবং গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়। ফলের পরিপক্ক বীজ অঙ্কুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয় এবং উদ্ভিদকুলকে রক্ষা করে। আবার পরিবেশে উদ্ভিদকুল টিকে থাকলে প্রাণিকুলও টিকে থাকবে। কারণ প্রাণীরা সকল খাদ্য উদ্ভিদের মাধ্যমেই পেয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের ফল, বীজ প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আবার উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে পরিবেশে CO₂ ও O₂-এর ভারসাম্য রক্ষা করে, যা প্রাণিকুলকে রক্ষা করতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।
তাই বলা যায়, পুংগ্যামেট ও স্ত্রীগ্যামেটের মিলন জীবজতকে টিকিয়ে রেখেছে।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘চিত্রটি লক্ষ কর…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”