A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”চলে যাব- তবু…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৪ – বিদ্রোহী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — বিদ্রোহী🔢 সৃজনশীল নং ৬🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ

প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি-

নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'বিদ্রোহী' কবিতাটি কবির 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"আমি সেই দিন হব শান্ত" বলতে কবি বুঝিয়েছেন যে তিনি উৎপীড়িত জনতার ক্রন্দনরোল থামলে, অত্যাচারী যুদ্ধবাজদের অত্যাচার থামলেই শান্ত হবেন, তার আগে নয়।
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সমস্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। এতে একজন বিদ্রোহীর স্বভাববৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে। যত দিন পৃথিবীতে অন্যায় থাকবে তত দিন এর বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। যত দিন শাসকরা তাদের অন্যায় নিয়ম-কানুন দ্বারা মানুষের ন্যায্য অধিকার হরণ করতে থাকবে, তত দিন কবি তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে যাবেন। পৃথিবীতে অন্যায়-অবিচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর সেই বিদ্রোহ থামবে না। 'আমি সেই দিন হব শান্ত' বলতে মুক্তি, অধিকার ও ন্যায্যতা প্রাপ্তির পর বিদ্রোহের পথ থেকে সরে দাঁড়ানোকে বোঝানো হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার ভাবগত মিলের দিকটি হলো সংগ্রামী চেতনা ও পৃথিবীকে বসবাস উপযোগী করে গড়ে তোলার অদম্য প্রয়াস।
একজন দেশপ্রেমিক বীরের ধর্ম দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণ করা, অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা করা। বীর এই লক্ষ্যে শাসক- শোষকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ফলে তাঁর বিদ্রোহী চেতনায় জাতির আত্মজাগরণ ঘটে।
উদ্দীপকের কবিতায় কবি বাসযোগ্য এক নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেছেন। নবজাতকের কাছে কবি তাই দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন। মৃত্যু অনিবার্য, তাই একদিন আমাদের সব ছেড়ে চলে যেতে হবে। কিন্তু চলে যাওয়ার আগে প্রাণপণে সংগ্রাম করে সব অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যের জঞ্জাল দূর করে সমতার ভিত্তিতে বসবাস উপযোগী বিশ্ব গড়ে যাবেন। অন্যদিকে 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সব অন্যায়- অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। কবি 'নিপীড়িত, নির্যাতিত, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের পক্ষে এবং শোষকের বিপক্ষে সংগ্রাম করে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে চান। এ লক্ষ্যেই কবি বীরদর্পে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার ভাবগত মিল হলো- অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন, শোষণ- নির্যাতন বন্ধ করে সমতাভিত্তিক এক সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলা দুজন কবিরই লক্ষ্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষাই 'বিদ্রোহী' কবিতা ও উদ্দীপকের মূল সুর"- মন্তব্যটি যথার্থ।
শোষিত, বঞ্চিত, অত্যাচারিত মানুষের মুক্তির সংগ্রাম যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। মুক্তির এই মহান সংগ্রামে কখনো একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে পুরো সম্প্রদায় সংগ্রাম করেছে, আবার কখনো ব্যক্তিই তার মুক্তির জন্য সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছে।
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সগর্বে নিজের বিদ্রোহীসত্তার প্রকাশ ঘটিয়ে ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষের শাসকদের শাসনক্ষমতার ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছেন। উৎপীড়িত জনতার কান্নার রোল প্রশমিত না হওয়া পর্যন্ত কবির এ বিদ্রোহ চলতেই থাকবে। অত্যাচারীর অত্যাচার থেকে মানুষের মুক্তি না মেলা পর্যন্ত কবির এ সংগ্রাম। অন্যদিকে উদ্দীপকের কবি সব অন্যায়-অবিচার, জঞ্জাল ও বৈষম্য দূর করে মানবমুক্তির কথা বলেছেন। কবি নবজাতক তথা আগামী প্রজন্মের জন্য বসবাসের উপযোগী একটি পৃথিবী গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। প্রাণপণ চেষ্টা করে তিনি তাই মানবমুক্তির পথ প্রতিষ্ঠা করতে চান। আর এই পথে যত বাধাই আসুক তাকে জঞ্জাল ভেবে সরিয়ে দিয়ে কবি একটি শান্তির পৃথিবী গড়ার প্রত্যাশী।
উদ্দীপকে সব বাধা-বিপত্তি, জঞ্জাল তথা অন্যায়-অবিচার দূর করে নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। আবার 'বিদ্রোহী' কবিতায় বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও পুরাণের শক্তির উৎস থেকে সমীকৃত কবিসত্তা বিশ্বব্যাপী অত্যাচার-জুলুম থেকে মুক্তির বিদ্রোহ ছড়িয়ে দিয়েছে। কবি সব অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম থেকে মানুষের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্ত হবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”চলে যাব- তবু…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৪ – বিদ্রোহী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”