A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ Combined ২০২৬ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৭৯🏢 প্রতিষ্ঠান Combined📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

চিকিৎসাবিজ্ঞানের যে শাখায় মানুষের অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা (obesity) কমানোর কারণ, প্রতিরোধ এবং শল্যচিকিৎসাসহ অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে ব্যারিয়াট্রিকস (Bariatrics) বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যকৃৎ থেকে নিঃসৃত পিত্তরসের প্রধান কাজগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. পিত্তরস খাদ্যের অম্লভাব প্রশমিত করে অন্ত্রে ক্ষারীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা অগ্ন্যাশয় ও আন্ত্রিক রসের এনজাইম সঠিকভাবে কাজ করার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

২. এতে থাকা পিত্তলবণ (সোডিয়াম গ্লাইকোকোলেট ও সোডিয়াম টরোকোলেট) চর্বিজাতীয় বড় খাদ্যকণাকে ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিন্দুতে পরিণত করে (যাকে ইমালসিফিকেশন বলে), ফলে লাইপেজ এনজাইম সহজে কাজ করতে পারে।

৩. পিত্তরস স্নেহদ্রাব্য ভিটামিন (A, D, E এবং K) শোষণে সাহায্য করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'Y' চিহ্ণিত অংশটি হলো অগ্ন্যাশয় (Pancreas)। অগ্ন্যাশয় থেকে ক্ষরিত অগ্ন্যাশয় রসে আমিষ বা প্রোটিন পরিপাককারী বেশ কিছু শক্তিশালী এনজাইম থাকে, যা ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে আমিষ পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এর বর্ণনা দেওয়া হলো:

  • ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন: অগ্ন্যাশয় রস থেকে নিষ্ক্রিয় ট্রিপসিনোজেন ক্ষরিত হয়, যা পরে সক্রিয় ট্রিপসিনে পরিণত হয়। ট্রিপসিন এবং কাইমোট্রিপসিন এনজাইম জটিল প্রোটিন ও প্রোটিওজকে ভেঙে পলিপেপটাইড-এ পরিণত করে।

  • কার্বক্সিপেপটাইডেজ: এই এনজাইমটি পলিপেপটাইড চেইনের প্রান্তীয় পেপটাইড বন্ড ভেঙে অ্যামিনো অ্যাসিড ও সরল পেপটাইড তৈরি করে।

  • অ্যামিনোপেপটাইডেজ: এটি পলিপেপটাইডকে ভেঙে সরাসরি অ্যামিনো অ্যাসিড গঠন করে।

  • কোলাজিনেজ: মাংসের কোলাজেন নামক তন্ত্রময় প্রোটিনকে ভেঙে সরল পেপটাইড-এ পরিণত করে।

  • ইলাস্টেজ: এটি ইলাস্টিন নামক প্রোটিনকে আর্দ্রবিশ্লেষিত করে পেপটাইড তৈরি করে।

এভাবেই অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত প্রোটিওলাইটিক (প্রোটিন ভঙ্গকারী) এনজাইমগুলোর সম্মিলিত ক্রিয়ায় জটিল আমিষজাতীয় খাদ্য ভেঙে দেহে শোষণযোগ্য সরল অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ‘X’ চিহ্নিত অঙ্গটি হলো যকৃৎ (Liver)। যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি এবং একে দেহের 'জৈব রসায়নাগার' বলা হয়। মানবদেহে এর বিপাকীয় ভূমিকা অপরিসীম, যা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

১. শর্করা বিপাক: যকৃৎ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে গেলে ইনসুলিন হরমোনের প্রভাবে যকৃৎ গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনে পরিণত করে সঞ্চয় করে (গ্লাইকোজেনেসিস)। আবার রক্তে গ্লুকোজ কমে গেলে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে (গ্লাইকোজেনোলাইসিস)। প্রয়োজনে অশর্করা উৎস থেকেও গ্লুকোজ তৈরি করে (গ্লুকোনিওজেনেসিস)।

২. প্রোটিন বিপাক : যকৃৎ কোষে ডিঅ্যামিনেশন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অ্যামিনো অ্যাসিড ভেঙে কিটো অ্যাসিড ও বিষাক্ত অ্যামোনিয়া তৈরি হয়। পরবর্তীতে অরনিথিন চক্রের মাধ্যমে এই বিষাক্ত অ্যামোনিয়া কার্বন ডাই-অক্সাইডের সাথে যুক্ত হয়ে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিকর ইউরিয়ায় পরিণত হয়, যা পরে রেচনতন্ত্রের মাধ্যমে দেহ থেকে বেরিয়ে যায়।

৩. লিপিড বিপাক : যকৃৎ অতিরিক্ত গ্লুকোজকে চর্বিতে বা ফ্যাটে পরিণত করে সঞ্চয় করে। দেহের শক্তির প্রয়োজনে ফ্যাট ভেঙে শক্তি উৎপাদন করতে পারে।

৪. হরমোন বিপাক : রক্তে থাকা অতিরিক্ত ও কাজ শেষে অপ্রয়োজনীয় হরমোন (যেমন- টেস্টোস্টেরন, অ্যালডোস্টেরন) যকৃতে এসে ধ্বংস হয়।

৫. লোহিত রক্তকণিকা ভাঙন : যকৃতের ম্যাক্রোফেজ বা কাফফার কোষ (Kupffer cells) বয়স্ক বা ক্ষতিগ্রস্ত লোহিত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে হিমোগ্লোবিনকে বিলিরুবিন ও বিলিভার্ডিন নামক পিত্তরঞ্জকে পরিণত করে।

দেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এইসব বিপাকীয় কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালনা করার কারণেই যকৃৎকে মানবদেহের প্রধান বিপাকীয় অঙ্গ বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ Combined ২০২৬ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”