| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ Combined ২০২৬ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কমে যাওয়াকে লিউকোপেনিয়া বলে। মানবদেহে শ্বেত রক্তকণিকার স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪০০০১১০০০ ; এই সংখ্যা ৪০০০ এর নিচে নেমে গেলে লিউকোপেনিয়া দেখা দেয়।
হৃৎপিণ্ড কখনও অবসন্ন বা ক্লান্ত না হওয়ার প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. হৃৎপিণ্ড বিশেষ ধরনের 'কার্ডিয়াক পেশি' দ্বারা গঠিত, যার কোষগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। এগুলো অবিরাম শক্তি সরবরাহ করে হৃৎপিণ্ডকে সচল রাখে।
২. হৃৎপিণ্ডের নিজস্ব 'করোনারি সংবহন' ব্যবস্থা রয়েছে, যা হৃৎপেশির কোষে কোষে নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান পৌঁছে দেয়।
৩. হৃৎপিণ্ডের একবার সংকোচন (সিস্টোল) এবং একবার প্রসারণ (ডায়াস্টোল)-এর মাঝে একটি অতি ক্ষুদ্র বিশ্রামকাল থাকে, যাকে রিফ্যাক্টরি পিরিয়ড বলে। এই বিরতির কারণেই হৃৎপিণ্ড একটানা কাজ করেও ক্লান্ত হয় না।
হৃৎপিণ্ড কখনও অবসন্ন বা ক্লান্ত না হওয়ার প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. হৃৎপিণ্ড বিশেষ ধরনের 'কার্ডিয়াক পেশি' দ্বারা গঠিত, যার কোষগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। এগুলো অবিরাম শক্তি সরবরাহ করে হৃৎপিণ্ডকে সচল রাখে।
২. হৃৎপিণ্ডের নিজস্ব 'করোনারি সংবহন' ব্যবস্থা রয়েছে, যা হৃৎপেশির কোষে কোষে নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান পৌঁছে দেয়।
৩. হৃৎপিণ্ডের একবার সংকোচন (সিস্টোল) এবং একবার প্রসারণ (ডায়াস্টোল)-এর মাঝে একটি অতি ক্ষুদ্র বিশ্রামকাল থাকে, যাকে রিফ্যাক্টরি পিরিয়ড বলে। এই বিরতির কারণেই হৃৎপিণ্ড একটানা কাজ করেও ক্লান্ত হয় না।
উদ্দীপকের '' চিহ্নিত অংশটি হলো হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয়ের পুরু পেশিবহুল প্রাচীর বা মায়োকার্ডিয়াম। বাম নিলয় অক্সিজেনযুক্ত রক্তকে সমগ্র দেহে পাম্প করে পাঠায়।
উদ্ভূত সমস্যা:
'' বা নিলয়ের পেশি অকেজো হয়ে পড়লে (যেমন- করোনারি ধমনিতে ব্লকের কারণে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে) হৃৎপেশির কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে, যাকে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক বলে। এর ফলে হৃৎপিণ্ড তার স্বাভাবিক পাম্পিং ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, যাকে হার্ট ফেইলিউর বলে। ফলস্বরূপ:
-
বুকে তীব্র ব্যথা (অ্যাঞ্জাইনা), দমবন্ধ অনুভূতি এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
-
সমগ্র দেহে পর্যাপ্ত অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পৌঁছাতে পারে না, ফলে চরম ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।
-
ফুসফুস বা পায়ে পানি জমতে পারে (এডিম্যা) এবং সময়মতো চিকিৎসা না পেলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
চিকিৎসা পদ্ধতি:
'' অংশ অকেজো হওয়া বা হৃদরোগের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে নিম্নলিখিত চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো গ্রহণ করা হয়:
১. ওষুধ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন: প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত তরলকারী (যেমন-অ্যাসপিরিন), কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ সেবন করতে হয়। পাশাপাশি ধূমপান ত্যাগ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হয়।
২. অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি : করোনারি ধমনিতে ব্লক বা সরু হয়ে গেলে ক্যাথেটারের সাহায্যে বেলুন ফুলিয়ে বা রিং শুধুমাত্র ইংরেজী অংশগুলো কোড করে আবার দাও। বাংলা নয়। পরিয়ে ধমনির পথ প্রশস্ত করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
৩. করোনারি বাইপাস সার্জারি : রক্তনালির ব্লক অনেক বেশি বা জটিল হলে দেহের অন্য অংশ (যেমন- পা বা বুক) থেকে সুস্থ রক্তনালি কেটে এনে ব্লকের স্থানকে পাশ কাটিয়ে হৃৎপেশিতে রক্ত সরবরাহের নতুন বাইপাস পথ তৈরি করা হয়।
৪. ওপেন হার্ট সার্জারি : অবস্থা গুরুতর হলে বুক চিরে হৃৎপিণ্ড উন্মুক্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত পেশি বা ভালভ (কপাটিকা) মেরামত বা প্রতিস্থাপন করা হয়।