A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস🔢 সৃজনশীল নং ৫🏫 বোর্ড কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অক্ষের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রাণিদেহের সমান অংশে বিভাজ্যতাই হলো প্রতিসাম্যতা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যেসব প্রাণীর ভূণে দুটি মাত্র কোষস্তর, যেমন- এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্ম থাকে সেগুলোকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। এই দুই স্তরের মাঝে অকোষীয় জেলির মতো মেসোগ্লিয়া থাকে। নিডারিয়া পর্বের সকল প্রাণীই দ্বিস্তর বিশিষ্ট। এজন্য নিডারিয়ানদের দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ছক-২ প্রাণীদের দেহগহ্বর অর্থাৎ সিলোম রয়েছে। সিলোম হচ্ছে এমন এক ধরনের দেহগহ্বর যা মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত এবং পেরিটোনিয়াম নামে মেসোডার্মাল কোষস্তরে আবৃত।

সিলোমের বিভিন্নতার ভিত্তিতে ছক-১-এর প্রাণীদের নিম্নোক্তভাবে গোষ্ঠীভুক্ত করা যায়:

i. অ্যাসিলোমেট: এদের দেহে সিলোম থাকে না। দেহগহ্বর মেসেনকাইম ও পেশি দ্বারা পূর্ণ থাকে। যেমন-ফিতাকৃমি।

ii. স্যুডোসিলোমেট: এসব প্রাণীর দেহগহ্বর মেসোডার্মাল পেরিটোনিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে না। দেহগহ্বরের চারিদিকে পেশিস্তর বিদ্যমান। যেমন- গোলকৃমি।

iii. ইউসিলোমেট: এরা প্রকৃত সিলোমযুক্ত প্রাণী। কারণ এদের দেহগহ্বর মেসোডার্মাল এপিথেলিয়াল কোষে গঠিত পেরিটোনিয়াম স্তরে সম্পূর্ণ বেষ্টিত থাকে। যেমন- রুইমাছ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাস সাধারণত ক্রমান্বয়ে অনুন্নত থেকে উন্নত জীবের দিকে ধাবিত হয়। এক্ষেত্রে প্রাণীদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক, সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। এসময় শ্রেণিবিন্যাসের রীতি অনুযায়ী বৈশিষ্ট্যের বিচারে অনুন্নত জীবগুলো শ্রেণিবিন্যাসের প্রথম দিকে এবং উন্নত জীবগুলো শ্রেণিবিন্যাসের শেষ দিকে থাকে।

উদ্দীপকের ছক-১ এ বর্ণিত প্রাণীদের মধ্যে বৈশিষ্ট্যের বিচারে দেখা যায় যে, গোলকৃমি ও ফিতাকৃমি নন কর্ডাটা এর দুইটি পর্ব- এ অবস্থিত। ফিতাকৃমি ও গোলকৃমি যথাক্রমে Platyhelminthes ও Nematoda পর্বের প্রাণী, যাদের দেহের গঠন ও অঙ্গ-তন্ত্র সরল প্রকৃতির। অন্যদিকে হক-১ এর প্রথম প্রাণী রুইমাছ Chordata পর্বের Actinopterygii শ্রেণির প্রাণী যা Vertebrata উপপর্বের অন্তর্ভুক্ত। কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য উন্নত ধরনের এবং শ্রেণিবিন্যাসের শেষ দিকে এর অবস্থান। বৈশিষ্ট্যের বিচারে কর্ডাটা পর্বের মেরুদণ্ডী প্রাণীরা জটিল গঠনের এবং উন্নত অঙ্গ-তন্ত্রের ধারক যা গোলকৃমি ও ফিতাকৃমির মতো অমেরুদণ্ডী প্রাণীতে নেই। কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের দেহের অঙ্গসংস্থান ও মস্তিষ্ক অন্য যেকোনো পর্বের প্রাণীর চেয়ে জটিল ও উন্নত প্রকৃতির। সুবিধাজনক উন্নত গঠন বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে কর্ডাটা পর্বের প্রাণীরা অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে।

কাজেই, উপর্যুক্ত বিশ্লেষণ হতে প্রতীয়মান হয় যে, রুইমাছ অপর দুই প্রাণী গোলকৃমি ও ফিতাকৃমি হতে উন্নত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”