| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
একটি নির্দিষ্ট স্থানে জীবসমূহের সমষ্টিগত অবস্থানকে জীব সম্প্রদায় বলা হয়।
মরুজ পরিবেশে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে এসব উদ্ভিদ গাঠনিক ও শারীরবৃত্তিক পর্যায়ে বেশ কিছু অভিযোজন প্রদর্শন করে ।যেমন-এরা সাধারণত আকারে ছোট ও ঝোপযুক্ত হয়। এ ধরনের উদ্ভিদ বালির ঝাপটা ও বায়ুর ঝাপটা সহ্য করতে পারে, তাই ভেঙ্গে যায় না।এদের মূল মাটির উপরিতলের কাছাকাছি অথবা খুবই গভীরে প্রলম্বিত। তাই উপর থেকে সামান্য বৃষ্টির পানি যেমন শোষণ করতে পারে, দ্রুত মাটির গভীরে চলে যাওয়া পানিও শোষণ করতে পারে। অর্থাৎ এদের মূল সুগঠিত।অনেক উদ্ভিদের পাতা ও কাণ্ড চ্যাপ্টা, রসালো ও সবুজ থাকে। তাই পানি ধরে রাখতে পারে।পাতা পুরু বা কাঁটায় রূপান্তরিত হয়।এসব অভিযোজন ক্ষমতার মাধ্যমে মরুজ উদ্ভিদ প্রকৃতিতে টিকে থাকে।
উদ্দীপকে A হলো DNA এবং B হলো RNA.
DNA থেকে RNA উৎপাদন প্রক্রিয়ার নাম হলো ট্রান্সক্রিপশন।
ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াটি হলো-
#DNA অনুর যেটুকু জায়গা ১টি mRNA অনুকে ট্রান্সক্রিপ্ট করে তাকে ট্রান্সক্রিপশন একক বলে।
# ট্রান্সক্রিপশনের শুরুতেই ট্রান্সক্রিপশন এককের নির্দিষ্ট স্থানে হেলিকেজ এনজাইমের প্রভাবে DNA এর সূত্রগুলোর মধ্যকার হাইড্রোজেন বন্ড বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং সূত্রগুলো পৃথক হয়ে পড়ে।
# পৃথক DNA সূত্রের 3’–5’ অভিমূখী সূত্রটি mRNA তৈরির ছাঁচ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং 5’—3’ অভিমুখে RNA এর ট্রান্সক্রিপশন শুরু হয়।
# RNA এর যে সূত্রটি ছাঁচ হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাকে ট্রান্সক্রাইবিং সূত্র বলে এবং অপর DNA সূত্রটিকে কমপ্লিমেন্টারী সূত্র বলে।
# RNA পলিমারেজ এনজাইমের প্রভাবে ট্রান্সক্রাইবিং শুরু হয়। ছাঁচ DNA সূত্রের 3’–5’ অভিমুখে একটি করে নিউিইক্লওটাইড ধরে অগ্রসর হয় এবং পরিপূরক ক্ষারক যুক্ত করে mRNA উৎপন্ন করে। এ ক্ষেত্রে ট্রন্সক্রাইবিং সূত্রের A,T,G,C ক্ষারকের বিপরিতে যথাক্রমে UTP, ATP, GTP ও CTP সংযুক্ত হয়। একই সাথে পিছনে DNA ডাবল হেলিক্স পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
# তৈরিকৃত mRNA সূত্রটি হবে ছাঁচ DNA সূত্রের বিপরিত কিন্তু কমপ্লিমেন্টারী সূত্রের অনুরুপ। শুধুমাত্র DNA এর থায়ামিনের বদলে mRNA তে ইউরাসিল যুক্ত হবে।
# ট্রান্সক্রিপশন শেষে RNA পলিমারেজ এনজাইম ট্রন্সট্রাইবিং সূত্র থেকে পৃথক হয়ে যায়।
এভাবে ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
উদ্দীপকের A থেকে B তৈরির প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সক্রিপশন।
ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াটি প্রোটিন উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
DNA অণুর জেনেটিক তথ্য RNA-তে স্থানান্তরিত হওয়াকে ট্রান্সক্রিপশন বলে। আমিষ সংশ্লেষণের প্রথম ধাপ হলো ট্রান্সক্রিপশন। DNA-এর যতটুকু অংশ নিরবচ্ছিন্নভাবে একটি RNA অণু সৃষ্টি করে, তাকে ট্রান্সক্রিপশন একক বলে। । এ প্রক্রিয়ায় দ্বি- সূত্রক DNA থেকে RNA উৎপন্ন হয় যা নিউক্লিয়ার রন্ধ্র দ্বারা বের হয়ে ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। ট্রান্সলেশন হলো mRNA- এর কোডন অনুসারে অ্যামিনো এসিড যুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড তথা প্রোটিন সৃষ্টির প্রক্রিয়া। ট্রান্সলেশনে রাইবোসোমের 80s ও 40s ইউনিটের সাথে mRNA যুক্ত এবং নির্দিষ্ট অ্যান্টিকোডনের জন্য নির্দিষ্ট কোডন সংযুক্ত হয়। পরবর্তীতে tRNA এর সাথে যুক্ত অ্যামিনো এসিডগুলো পরস্পর পলিপেপটাইড চেইন গঠন করে এবং রাইবোসোমের সাইট হতে বের হয়ে আসে। এই পলিপেপটাইড চেইনই হলো প্রোটিন। অর্থাৎ বলা যায় যে, ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় প্রোটিন উৎপাদনের ছাঁচ হিসেবে কাজ করে mRNA, যা ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়ায় DNA থেকে উৎপন্ন হয়। যদি ট্রান্সক্রিপশন না হতো এবং DNA থেকে mRNA উৎপন্ন না হতো তাহলে ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়া ঘটতো না এবং প্রোটিনও উৎপন্ন হতে পারতো না। প্রোটিনকে যেহেতু জীবনের ভাষা বলা হয় তাই প্রোটিন উৎপাদন না হলে অনেক সমস্যা হতো।
তাই বলা যায়, প্রোটিন উৎপাদনের জন্য ট্রান্সক্রিপশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।