A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — মানব জীবনের ধারাবাহিকতা🔢 সৃজনশীল নং ১০🏫 বোর্ড কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণী দর্শনীয় বস্তু ও চোখের মধ্যবর্তী দূরত্ব অপরিবর্তিত রেখে বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখার জন্য চোখে যে বিশেষ ধরনের পরিবর্তন ঘটায় তাই উপযোজন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

এ পদ্ধতিতে মহিলাদের ক্ষেত্রে উভয়, দিকের ফেলোপিয়ান নালির অংশ কেটে বেঁধে দেয়া হয় যাতে শুক্রাণু প্রবেশের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। অধিক সন্তানবতী বা যারা একেবারেই আর সন্তান চান না বা গর্ভধারণের জন্য শারীরিকভাবে অসুষ্থ তাদের জন্য এ পদ্ধতি গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'Q' প্রক্রিয়া হলো উওজেনেসিস। নিচের উওজেনেসিস এর বর্ণণা দেওয়া হলো: ডিম্বাশয়ের অভ্যন্তরে ডিম্বাণু সৃষ্টির পদ্ধতিকে উওজেনেসিস বলে। ভ্রুমবর্ধনের উপর ভিত্তি করে সমগ্র প্রক্রিয়াটিকে নিচে বর্ণিত চারটি ধাপে ভাগ করা হয়।

1. সংখ্যা বৃদ্ধি: ডিম্বাশয়ের জার্মিনাল এপিথেলিয়াল কোষ (2n) বার বার মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে উওগোনিয়া সৃষ্টি করে। উওগোনিয়ামে ডিপ্লয়েড (2n) সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 2. পরিবর্ধন: সাইটোপ্লাজমে লিপিড, প্রোটিন ইত্যাদি কুসুম আকারে জমা হওয়ার ফলে উওগোনিয়ামটি আয়তনে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। একই সময়ে নিউক্লিয়াসের আয়তনও বৃদ্ধি পায়। বিপাকীয় কাজসহ প্রোটিন সংশ্লেষণ অনেক বৃদ্ধি পায়। পরিবর্ধিত এ উওগোনিয়ামকে প্রাইমারি উওসাইট বলে। প্রতিটি প্রাইমারি উওসাইট (2n) একস্তর গ্রানূলোসা বা ফলিকল কোষ দ্বারা আবৃত হয়ে প্রাইমারি ফলিকল-এ পরিণত হয়।

3. পূর্ণতাপ্রাপ্তি: বয়ঃসন্ধিকাল থেকে প্রতি মাসে কিছু প্রাইমারি ফলিকল বৃদ্ধি, লাভ করে। এদের মধ্যে, সাধারণত একটি পরিপক্ক হয় এবং অবশিষ্টগুলো বিলুপ্ত হয়। পরিপক্ক প্রাইমারি ফলিকলকে গ্রাফিয়ান ফলিকল বলে। বৃদ্ধিরত প্রাইমারি ফলিকলের অভ্যন্তরস্থ প্রাইমারি উওসাইট প্রথমত মিয়োটিক বিভাজন দ্বারা দুটি অসম কোষ উৎপন্ন করে। বড় কোষটিকে সেকেন্ডারি উওসাইট এবং ছোট কোষটিকে ১ম পোলার বডি বলে। ১ম পোলার বডি অতঃপর. মাইটোসিস প্রক্রিয়ায়, বিভাজিত হয়ে দুটি পোলার বডি তৈরি করে। অপরদিকে, সেকেন্ডারি উওসাইটটি নিষেকের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে। মানুষের ক্ষেত্রে সেকেন্ডারি উওসাইট অবস্থায় ডিম্বাণু নির্গমণ বা ওভ্যুলশন হয়। পরে যখন কোন শুক্রাণু ডিম্বাপুর জোনা পেলুসিডা ভেদ করে, তখন সেকেন্ডারি উওসাইটে দ্বিতীয় মিয়োটিক বিভাজন সম্পন্ন হয়। এ বিভাজনে সেকেন্ডারি উওসাইটটি অসমভাবে বিভাজিত হয়ে একটি বড় হ্যাপ্লয়েড (n) উওটিড ও একটি ছোট পোলার বডি (n) সৃষ্টি করে। এভাবে পূর্ণতাপ্রাপ্তি পর্যায়ে, একটি প্রাইমারি উওসাইট থেকে একটি বৃহৎ উওটিড ও তিনটি ছোট পোলার বডি সৃষ্টি হয়।

4. রূপান্তর: এ পর্যায়ে উওটিড রূপান্তরিত হয়ে ওভাম বা-ডিম্বাBs-তে পরিণত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের R হলো জাইগোট। জাইগোট এর পরিস্কুটনে প্রাণী সৃষ্টি একটি ধারাবাহিক প্রকইরয়া। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

১. ক্লিভেজ: ভ্রণ গঠনের প্রথম প্রক্রিয়া হলো জাইগোটের বিভাজন বা ক্লিভেজ। ১ম ও ২য় ক্লিভেজ ঘটে লম্বভাবে। ফলে জাইগোটটি যথাক্রমে ২ কোষী ও ৪ কোষী ভ্রূণে পরিণত হয়। তৃতীয় ক্লিভেজ ঘটে অনুপ্রস্থভাবে ফলে ৮ম কোষী ভ্রণ গঠন করে। 

২. মরুলা: ৮ম কোষী ভ্রণের ৪টি কোষ ছোট, এগুলো হলো মাইক্রোমিয়ার। এরা দ্রুত বাড়ে। ৪টি বড় কোষকে বলে ম্যাক্রোমিয়ার। এরা ধীরে ধীরে বিভাজিত হয়৷ কোষগুলো বিভাজনের ফলে ভ্রণটি একটি নিরেট গোলাকার বহুকোষী ভ্রণে পরিণত হয়৷ এ দশার ভ্রণকে মরুলা বলে । 

৩. ব্লাস্টুলা: মরুলার কোষগুলো ক্রমশ একস্তরে সজ্জিত হয় এবং ভেতরে একটি তরলপূর্ণ গহ্বর সৃষ্টি করে। ভ্রণের এ দশাকে ব্লাস্টুলা বলে।

৪. গ্যাস্টুলা: যে প্রক্রিয়ায় একস্তরী ব্লাস্টুলা দ্বিস্তরী বা ত্রিস্তরী গ্যাস্ট্রুলা গঠন করে তাকে গ্যাস্টুলেশন বলে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া । এ প্রক্রিয়ার শুরুতে ব্লাস্টুলার একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল ক্রমান্বয়ে ব্লাস্টোসিলের ভেতরের দিকে প্রবেশ করে। ফলে ব্লাস্টুসিল অবলুপ্ত হয় এবং 'দু'স্তর কোষবিশিষ্ট একটি কাপের ন্যায় গঠন সৃষ্টি করে। এ দশাটি গ্যাস্টুলা। এর ভেতরের গহ্বর হলো আর্কেন্টেরন। গহ্বরটি যে ছিদ্রপথে বাইরে উন্মুক্ত হয় তাকে ব্লাস্টোপোর বলে । গ্যাস্টুলেশন পর্যায়ে কোষগুলোর পরিযানের কারণে মানুষের ভ্রণের তিনটি স্তর সৃষ্টি হয়, বহিস্থ এক্টোডার্ম, মধ্যস্থ মেসোডার্ম এবং অন্তস্থ এন্ডোডার্ম ৷ 

৫. অর্গানোজেনেসিস: গ্যাস্টুলেশন পর্যায়ে সৃষ্ট ভ্রণের তিনটি স্তর থেকে অঙ্গকুড়ি সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে অর্গানোজেনেসিস বলে। প্রথমে, তিনটি স্তর থেকে ছোট ছোট কোষগুচ্ছ সৃষ্টি হয়। প্রত্যেক কোষগুচ্ছ থেকে প্রাণিদেহের নির্দিষ্ট অঙ্গ বা অংশ গঠিত হয়। পরবর্তীতে এ অঙ্গগুলো ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে শিশু প্রাণী তাদের নির্দিষ্ট আকার ও আকৃতি ধারণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”