| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২১ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৩
পিত্তরস স্নেহজাতীয় খাদ্যকে ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত করে। এই প্রক্রিয়াকে ইমালসিফিকেশন বলে।
মানুষের পরিপাকতন্ত্রের বৃহদন্ত্রের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ এখানে ৫০০ প্রকার মিথোজীবী ব্যাকটেরিয়া বাস করে যা অপাচ্য অংশের গাঁজন ও পাচন ঘটায়। এছাড়াও ৭০%-৮০% পানি এখানে শোষিত হয়। বৃহদন্ত্র ব্যতীত মানব পরিপাকতন্ত্র অসম্পূর্ণ। তাই বৃহদন্ত্র এতো গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রধান কাজটি হলো খাদ্য পরিপাক। খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন হরমোন বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে। নিচে খাদ্য পরিপাক সম্পাদনে হরমোনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হলো-
১. গ্যাস্ট্রিন: পাকস্থলি হতে গ্যাস্ট্রিক জুস ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
২. সিক্রেটিন: এই হরমোনটি পরিপাকের সময় অগ্ন্যাশয় রস ও পিত্তরস ক্ষরণে উদ্দীপনা জোগায়।
৩. কোলেসিস্টোকাইনিন: পাকস্থলি ও অগ্ন্যাশয় হতে রস ক্ষরণে উদ্দীপ্ত করে।
৪, সোমাটোস্ট্যাটিন: পাকস্থলি ও অগ্ন্যাশয় হতে রস ক্ষরণ হ্রাস করে।
৫. এন্টেরোকাইনিন: এর প্রভাবে পরিপাকের সময় মন্টেজ, ল্যাকটেজ, ইনভারটেজ, সুক্রেজ এনজাইম ক্ষরিত হয় ।
৬ ভিল্লিকাইনিন: ভিলাইয়ের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
উদ্দীপকে যকৃতের সঞ্চয়ী ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। যকৃত সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি। এর মধ্যে অতিরিক্ত খাদ্যসার সঞ্চিত থাকে। যকৃতের খাদ্যসার সঞ্চয় প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-
১. গ্লাইকোজেন সঞ্চয়: ক্ষুদ্রান্ত থেকে হেপাটিক পোর্টাল শিরার মাধ্যমে গ্লুকোজ যকৃতে প্রবেশ করে। রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত হয়ে যকৃতের সঞ্চয়ী কোষে জমা থাকে।
২. চর্বি ও অ্যামিনো এসিড সঞ্চয়: অতিরিক্ত যে শর্করা দেহে ব্যবহৃত হতে পারে না বা গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা থাকে না তা চর্বিতে পরিণত করে যকৃত জমা করে রাখে। যকৃত অতিরিক্ত অ্যামিনো এসিড যা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য পরিপাকের পর তৈরি হয় তা জমা রাখে। এবং প্রয়োজনে গ্লুকোজে পরিণত করে দেহের কাজে লাগায়।