| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২১ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
হৃদপিন্ডের প্রতি স্পন্দন সৃষ্টি করতে সিস্টোল ও ডায়াস্টোল এর যে চক্রাকার ঘটনাবলী অনুসৃত হয় তাই কার্ডিয়াক চক্র।
রক্তনালির ভিতরে রক্ত তঞ্চন হয় না কারণ—
১. রক্ত প্রচণ্ড গতিতে অবিরাম প্রবাহমান থাকে।
২. রক্ত তঞ্জনকারী প্রভাবকসমূহ ২ ধরনের (১) প্রো-কোয়াগুলেন্ট এবং (২) অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট ফ্যাক্টর। রক্ত জমাট বাঁধা নির্ভর করে এদের ভারসাম্যের উপর। স্বাভাবিক অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট প্রো-য়াগুলেন্টের উপর প্রকট। ফলে রক্তনালির ভিতরে রক্ত তঞ্চন হয় না।
রক্তনালির ভিতরে রক্ত তঞ্চন হয় না কারণ—
১. রক্ত প্রচণ্ড গতিতে অবিরাম প্রবাহমান থাকে।
২. রক্ত তঞ্জনকারী প্রভাবকসমূহ ২ ধরনের (১) প্রো-কোয়াগুলেন্ট এবং (২) অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট ফ্যাক্টর। রক্ত জমাট বাঁধা নির্ভর করে এদের ভারসাম্যের উপর। স্বাভাবিক অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট প্রো-য়াগুলেন্টের উপর প্রকট। ফলে রক্তনালির ভিতরে রক্ত তঞ্চন হয় না।
উদ্দীপকে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াটি হলো- রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়া । নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো-
যে প্রক্রিয়ায় ক্ষতস্থান থেকে নির্গত হওয়া রক্তের প্লাজমা থেকে ফাইব্রিনোজেন আলাদা হয়ে ক্ষতস্থানে ফাইব্রিন জালক নির্মাণের মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ করে ফলে রক্তের অবশিষ্টাংশ থকথকে পিণ্ডে পরিণত হয় সে প্রক্রিয়ার নাম রক্ত তঞ্চন বা রক্তের জমাট বাঁধা। রক্ত বাহিকার অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না, কারণ সেখানে হেপারিন নামক ‘একপ্রকার পদার্থ সংবহিত হয়। কিন্তু দেহের কোনো অংশে ক্ষত সৃষ্টি হলে রক্ত যখন দেহের ক্ষত অংশ থেকে বের হতে থাকে তখন ঐ অংশের অণুচক্রিকাগুলো বাতাসের সংস্পর্শে ভেঙে যায়। এবং থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক পদার্থের সৃষ্টি করে।
থ্রম্বোপ্লাস্টিন রক্তের হেপারিনকে অকেজো করে দেয় এবং রক্তরসে অবস্থিত ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে প্রোথ্রম্বিন এর সাথে ক্রিয়া করে সক্রিয় থ্রম্বিন উৎপন্ন করে। থ্রম্বিন রক্তে অবস্থিত ফাইব্রিনোজেন নামক প্লাজমা প্রোটিনের সাথে মিলে ফাইব্রিন নামক সূত্রের সৃষ্টি করে। সূত্রগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে জালকের আকার ধারণ করে। ফ্রাইব্রিনের জালকে লোহিত রক্ত কণিকাগুলো আটকে যায় ফলে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয় এবং রক্ত জমাট বেঁধে যায়।